আগামী ২০ মে সৌদি আরব যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

60

এমএনএ রিপোর্ট : ‘আরব ইসলামিক আমেরিকান সামিটে’ যোগ দিতে আগামী ২০ মে সৌদি আরব যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের আমন্ত্রণে আরব ও বিভিন্ন মুসলিম দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ২১ মে রিয়াদে অনুষ্ঠেয় ওই সম্মেলনে যোগ দেবেন। এটাই হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম বিদেশ সফর।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, সম্মেলন উপলক্ষে আগামী ২০-২৩ মে সৌদি আরব অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সন্ত্রাসবাদ ও উগ্র জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা তিনি সেখানে তুলে ধরবেন।

তিনি বলেন, সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে তিনি যাচ্ছেন। এই আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ। এই সফরের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

সৌদি আরবের সংস্কৃতি ও তথ্যমন্ত্রী আওয়াদ বিন-সালেহ-আল-আওয়াদ গত ৯ মে ঢাকায় এসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করে এই সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

মাহমুদ আলী বলেন, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় নতুন অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করাই রিয়াদের আরব ইসলামিক আমেরিকান সামিটের উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেখানে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে সুদৃঢ় অবস্থান ও সাম্প্রতিক সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ ও উগ্র জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যৌথভাবে করণীয় বিভিন্ন প্রস্তাবনা পেশ করবেন।

সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ৩৪ মুসলিম দেশের সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটার নাম গ্লোবাল সেন্টার ফর কমব্যাটিং এক্সট্রিমিস্ট থটস। এটাকে জোট বলাটা প্রি ম্যাচিউরড। এটা বিকাশমান। আমরা মনে করি, মধ্যপ্রাচ্যে যে বিদ্রোহ হানাহানি হচ্ছে, তা শেষ হওয়া দরকার। জনগণ যেন যার যার দেশে নিজস্ব সামর্থ্য অনুযায়ী চিন্তাভাবনা অনুযায়ী কাজ করতে পারে।

আপতত এই জোটে তথ্য বিনিময় ও গবেষণার কাজে বাংলাদেশ অংশ নেবে। তবে বাংলাদেশের ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের ভক্তি ও ভালোবাসার জায়গা’ মক্কা-মদিনা হুমকির মুখে পড়লে বাংলাদেশ সেখানে সৈন্যও পাঠাবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান।

অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক এই ফ্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন।