ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

34
এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : আদালত অবমাননার অভিযোগে সাবেক ক্রিকেট তারকা ও পাকিস্তানের বিরোধী দল ‘তেহরিক-ই-ইনসাফ’-এর চেয়ারম্যান ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিনঅযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
নির্বাচনের সময় বিদেশি অর্থ গ্রহণের অভিযোগে ২০১৪ সালে দায়ের করা এক মামলায় এ পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ওই মামলাকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে শুনানির দিন উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
আগামী ২৬ অক্টোবর ধার্যকৃত দিনে ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে হাজির করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ নিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি (অব.) সরদার মুহাম্মদ রেজা খান।
ডন অনলাইনের খবরে বলা হয়, আদালত অবমাননার অভিযোগে ইমরানের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য ধারায় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
একই অভিযোগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ওই আদেশ স্থগিত করেন।
নির্বাচন কমিশন বলছে, ‘আদালতে শুনানিতে বারবার অনুপস্থিত থাকা এবং অনুপস্থিত থাকার কারণে দুঃখ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনে লিখিত চিঠি পাঠাতে ব্যর্থ’ হওয়ায় আজ ইমরানের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে ওই মামলার পরবর্তী শুনানিতে হাজির করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ২৬ অক্টোবর পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে অন্যতম ভিন্নমতাবলম্বী আকবর এস বাবর দলটির চেয়ারম্যান ইমরান খানের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় শুনানিতে বারবার অনুপস্থিত থাকেন ইমরান।
পিটিআইয়ের মুখপাত্র নাঈমুল হক বলেছেন, দলীয় চেয়ারম্যানের নামে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হবে।
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি সরদার মোহাম্মাদ রাজার নেতৃত্বে ইমরান খানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল আজ। শুনানি শুরুর পর পর তা স্থগিত করে কমিশন ইমরান খানের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্ত নেয়।
চলতি বছরের শুরুর দিকে ইমরান খান অভিযোগ করেছিলেন, সরকারের পক্ষপাতিত্ব করছে নির্বাচন কমিশন। তার পর থেকেই ইমরান খানকে তলব করে আসছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।