উমরাহ ও হজ্জ্বযাত্রীদের সুবিধার্থে সৌদি সরকারের প্রশংসনীয় বিশেষ উদ্যোগ

25
মীর মোশাররেফ হোসেন পাকবীর : সৌদি আরবে অবস্থিত মক্কা ও মদীনাহ বিশ্বের সকল প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা লাখো ইসলাম ধর্ম অনুসারীদের সবচেয়ে পবিত্র ও ভাবগাম্ভীর্যতা সম্পন্ন দুটি ধর্মীয় তীর্থস্থান। মুসলমানেরা পবিত্র কাবা যেটি বাইতুল্লাহ শরীফ বা আল্লাহর ঘর বলে পরিচিত, সেটি দর্শনের জন্য মক্কায় ছুটে যায়। আর মদীনায় রয়েছে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর রওজা শরীফ। তিনি ছিলেন পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয়া সর্বকালের সর্বসম্মানিত ব্যক্তি। তাঁর রওজা মুবারকটি মসজিদ-এ-নববীর ভেতরে অবস্থিত। এই মসজিদটি তিনি মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত সম্পন্ন করার পর নিজে তৈরি করেছিলেন। যদিও অনেকবার পুন:নির্মাণ, পূন:বিন্যাস ও পরিবর্ধনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে কিন্তু এই দুটি স্থানের পবিত্রতা বর্ণনার জন্য কোনো উপযুক্ত শব্দ নেই কারণ এই দুটি স্থানেই ইসলামের অনেক নবীর স্পর্শ রয়েছে। এখনও সৌদি আরবের বাদশাহর নেতৃত্বে মক্কা ও মদীনায় পরিবর্ধন ও পুন:নির্মাণের বিশাল কার্যক্রম চালু রয়েছে।
যদিও কুরআনে আজকের কাবার নির্মাতা হিসেবে নবী ইব্রাহীম (আ:) ও তাঁর সহযোগী হিসেবে তাঁর পুত্র ইসমাইল (আ:) এর নাম বর্ণিত রয়েছে, নবী হযরত আদম (আ:) প্রথম কাবার নির্মাণ করেন- যেটি ছিল পৃথিবীর বুকে আল্লাহর উপাসনা করার প্রথম স্থান। এই পবিত্র স্থানটি অনেক পুন:নির্মাণ ও পরিবর্ধনের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলোই কুরআইশদের হাতে হয়েছে।
নবুওয়্যাত লাভ করার আগে মহানবী (সা:) নিজেও এর একটি পুন:নির্মাণে অংশগ্রহণ করেন। একটি ভয়াবহ বন্যায় কাবার ক্ষতিসাধন হয় বিধায় এর পুন:নির্মাণের দরকার হয়েছিল। এর দায়িত্ব কুরাইশদের বিভিন্ন গোত্রের ভেতর ভাগ করে দেয়া হয়। এই সংস্কারে মহানবী (সা:) ও সহায়তা করেন। এই প্রথম কাবা তার পূর্ববর্তী আয়তাকার আকৃতির পরিবর্তে বর্তমানের চতুষ্কোনীয় আকৃতি লাভ করে।
পরবর্তীতে, ৬৪ হিজরী সনে সিরীয় সেনারা কাবা ধ্বংস করে এবং পরবর্তী হজ্জ্বের আগেই আব্দুল্লাহ ইবন আবু যুবায়ের (রা:) মাটির উপর থেকে  কাবার পুন:নির্মাণ করেন। তিনি কাবাকে নবী ইব্রাহীমের ভিত্তির উপরে নবী মুহাম্মদ (সা:) যেমন চেয়েছিলেন তেমনভাবে নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। এতে কাবা হতো দুই দরজা বিশিষ্ট যা মহানবী (সা:) চেয়েছিলেন কিন্তু নিজের জীবদ্দশায় করে যাননি।
৭৪ হিজরী সনে, তৎকালীন স্বেচ্ছাচারী শাসক আল হাজ্জাজ বিন ইউসুফ আল আকাফী উম্মায়াদ খলিফা আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান এর অনুমতি নিয়ে নবী ইব্রাহীমের পূর্ববর্তী ভিত্তির সাথে ইবন আয-যুবায়ের যা সংযোগ করেছিলেন তাকে গুঁড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে কাবাকে কুরাইশরা যেমন রেখেছিল তেমনভাবে তার পূর্বের অবস্থায় নিয়ে আসেন।
১০৩৯ হিজরী সনে ভারী বর্ষণ, বন্যা ও শিলাবৃষ্টির কারণে কাবার দুটি দেয়াল ধ্বসে পড়ে বিধায় এর পুন:নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দেয়। শুধুমাত্র কালো পাথরের নিকটবর্তী দেয়ালটি ছাড়া সকল দেয়ালই ভেঙ্গে ফেলা হয়।
১০৪০ হিজরী সন নাগাদ, অটোমান খলিফা সুলতান মুরাদ খানের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ কাজ চলছিলো। কালো পাথরের জায়গা থেকে এবং নিচে বর্তমান নির্মাণশৈলী আব্দুল্লাহ ইবন আয-যুবায়ের যেমন করেছিলেন একদম তার মতো। মুরাদ খানের পৃষ্ঠপোষকতায় যে নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছিল তা নবুওয়্যাতের পূর্বে কুরাইশরা যেভাবে তৈরি করেছিল তার মতো।
১৯৯৬ সালের মে ও অক্টোবর মাসের মধ্যবর্তী সময়ে কাবার একটি বড় পুন:নির্মাণ কাজ করা হয়। এর পূর্ববর্তী পুন:নির্মাণের প্রায় চারশত বছর পরে এটি করা হয়েছিল। এই পুন:নির্মাণে কাবার আগের শুধু পাথরগুলিই রয়ে গিয়েছিল।
দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ কাবার তৃতীয় সৌদি পরিবর্ধনের কাজ শুরু করেন। এটি প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত বাদশাহ আব্দুল আজিজ আব্দুল রহমান এর দ্বারা শুরু করা এবং প্রয়াত বাদশাহ সৌদ ও ফয়সালের দ্বারা সম্পন্ন ঐতিহাসিক পরিবর্ধনেরই বর্ধিত অংশ। এটির পরে প্রয়াত বাদশাহ খালিদের আমলে কাবার পূর্বদিকের পার্কের পরিবর্ধন করা হয়। এর পরে প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদের শাসনামলে পশ্চিম দিক থেকে মসজিদটির পরিবর্ধন করা হয় এবং এর পরে প্রয়াত বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ এর আমলে তার নির্দেশে মাসা-র পরিবর্ধন করা হয়। প্রয়াত বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ এর নির্দেশিত বিশাল পরিবর্ধনের কাজ বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ-এর- আমলে শেষ হবে।
দুই পবিত্র মসজিদের প্রয়াত তত্ত্বাবধায়ক বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ ২০০৭ সালে মসজিদ-আল-হারামের এক বিশাল ও দৃষ্টান্তবিহীন পরিবর্ধনের আদেশ দেন। বর্তমানে চলমান পরিবর্ধনের ফলে এখানে একসাথে প্রায় ২৫ লাখ মুসলিম প্রার্থনাকারীর স্থান সংকুলান করতে পারবে। এর মধ্যে আছে নতুন কয়েকটি ভবন, মসজিদের বহির্গত এলাকার পরিবর্ধন, শৌচাগার, পথচলার রাস্তা, টানেল এবং অন্যান্য আনুসাঙ্গিক সুবিধাদি।
বেশ কিছু রির্পোটে এটাকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় যে, এই পরিবর্ধনটি ইতিহাসের মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম যেখানে আধুনিক স্থাপত্য প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়ার ব্যবহার করা হয়েছে। বর্তমান পরিবর্ধন প্রকল্পের সার্বিক ব্যয় আনুমানিক ২৬.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ধারণা করা হয়েছে।
এই প্রকল্পটি পরিকল্পিতভাবে ২০২০ সালে সম্পন্ন হলে এটি মসজিদের এলাকাকে প্রায় দশ লাখ বর্গমিটার বর্ধিত করবে। ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি বাদশা আব্দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করলে বাদশা সালমান তার স্থলাভিষিক্ত হন। দায়িত্ব পাওয়ার সাথে সাথেই বাদশা সালমান পরিষ্কারভাবে তার পূর্বের বাদশার মসজিদ-আল-হারাম এর পরিবর্ধন প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মনোভাব ব্যক্ত করেন।
বর্তমান মসজিদ-আল-হারামের ইদানিং কালের পরিবর্ধনের জন্য সরকার আশপাশের জমি উচ্চমূল্য দিয়ে অধিগ্রহণ করেছে। যাতে করে ঐ এলাকায় বসবাসরত মানুষেরা নগরীর বাইরের দিকে গড়ে ওঠা নতুন বসতি এলাকায় সরে গিয়ে সেখানে বসবাস করতে পারে। ফলে মক্কার আয়তন এখন হঠাৎ করে অনেক বেড়ে গিয়েছে।
ইসলাম ধর্মের দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান মদিনায় অবস্থিত মসজিদ-আল-নববী যেখানে মহানবী (সা:) এর রওজা মোবারক অবস্থিত, তারও বেশ কয়েকবার পুন:নির্মাণ ও পরিবর্ধন করা হয়েছে। মহানবী (সা:) নিজে এ মসজিদের প্রথম পরিবর্ধনের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশ তিনি ৭ হিজরি সনের খাইবারের বুদ্ধ থেকে ফিরে এসে দিয়েছিলেন। খলিফা ওসমান (রা:) এই মসজিদের আয়তন বৃদ্ধি করতে যে জমির প্রয়োজন হয়েছিল তার মূল্য পরিশোধ করেন।
১৭ হিজরী সনে লোকজনের অনুরোধে মসজিদের আয়তন বৃদ্ধি করা হয়। কারণ সেই সময় মুসলমানের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ২৯ হিজরী সনে খলিফা ওসমান (রা.) আবারও মসজিদের আয়তন বৃদ্ধি করেন এবং সে সময়ের নির্মাণ কাজ তিনি ব্যক্তিগতভাবে তত্ত্বাবধান করেন।
৮৮ থেকে ৯১ হিজরি সনে, ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিকের নির্দেশে মদিনার গভর্ণর ওমর বিন আব্দুল আজিজ মসজিদের আয়তন বৃদ্ধি করেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই মসজিদের পুন:র্নিমাণ কাজ তত্ত্বাবধান করেন এবং চার কোনে চারটি মিনার ও ২০ টি দরজা তৈরি করেন। ১৬১ থেকে ১৬৪ হিজরি সনে আব্দুল্লাহ বিন আসিম বিন ওমর বিন আব্দুল আজিজ এর তত্ত্বাবধানে উত্তর দিশার মসজিদটিকে আরও বর্ধিত করা হয়।
৬৫৫ হিজরী সনে মসজিদটি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরে আব্বাসাদ শাসক আল মুতাসসীম বিল্লাহ এর পুণ:নির্মাণ শুরু করেন। ৮৮৬ হিজরি সনে আরও একটি অগ্নিকান্ড ঘটার পরে সুলতান কাইতা বাই ৮৮৮ হিজরি সনে এর পুন:নির্মাণ করেন।
সুলতান কাইতাবাই এর নির্মাণ কাজ ৩৭৭ বছর ধরে টিকে ছিল। এ সময়ের ভিতর মসজিদের বিভিন্ন জায়গা ক্ষয়ে যাচ্ছিল। মসজিদের ঈমাম দাউদ পাশা অটোমান সাম্রাজ্যের সুলতান আব্দুল মাজিদকে মসজিদটি পুন:র্নিমাণের অনুরোধ করেন। আসাদ আফান্দির তত্ত্বাবধানে ১২৬৫ থেকে ১২৭৭ হিজরি সনের ভিতরে নির্মাণ কাজ করা হয়। প্রথম সৌদি পরিবর্তনের কাজ বাদশাহ আব্দুল আজিজের দ্বারা শুরু হয়েছিল এবং এটি ১৩৬৮ থেকে ১৩৭৫ হিজরি সনের ভিতরে বাদশাহ সৌদ বিন আব্দুল আজিজ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এই পরিবর্ধনের পরেও প্রার্থনাকারীদের জন্য পর্যাপ্ত যায়গা ছিল না। ১৩৯৩ হিজরি সনে বাদশা ফয়সাল মসজিদের আশে পাশের সম্পত্তি কিনে নেন। এর উদ্দেশ্য ছিল লাইট এবং ফ্যানসহ স্থায়ী ছাউনি স্থাপন করা যেগুলো পরে দ্বিতীয় পরিবর্ধন পরিকল্পনার সময় সরানো হয়।
বাদশাহ ফাহাদ বিন আব্দুল আজিজ সবসময়ই মহানবীর মসজিদে বড় ধরনের পরিবর্ধনের কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন যেমনটা তিনি মক্কার মসজিদ-আল-হারাম এর ক্ষেত্রে করেছিলেন। ১৪০৫ থেকে ১৪১৪ হিজরী সনের ভিতরে একটি বড় পরিবর্ধনের কাজ করা হয়েছিল যার ফলে, দ্বিতীয় সৌদি পরিবর্ধনের পর মসজিদটিতে এবং এর আশেপাশের খোলা জায়গায় একত্রে ৬,৯৮,০০০ লোকের স্থান সংকুলান করা সম্ভব হয়।
একটি নতুন পরিবর্ধন পরিকল্পনা মতে, ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধির পর মদিনায় নবীজির মসজিদে একত্রে ১৬ লাখ লোক পর্যন্ত প্রার্থনা করতে পারবে। বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ এই পরিবর্ধন পরিকল্পনাকে অনুমোদন করেন এবং বাদশাহ সালমান এটিকে শেষ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
কাবা এবং মসজিদ আল নববীর বর্তমান পরিবর্ধন প্রকল্প ইতিহাসের মধ্যে বৃহত্তম এবং এটি শুধুমাত্র এই দুটি পবিত্র মসজিদেরই নয় বরং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান যেমন মীনা, আরাফাহ ইত্যাদিরও ক্রমাগত উন্নয়ন করে চলেছে।
যদিও চলমান কাজের জন্য হজ্জ্ব ও ওমরাহ পালনকারীদের ছোটখাটো কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, কিন্তু যখন এই প্রকল্পটির কাজ শেষ হয়ে যাবে তখন আরও অনেক বেশি হজ্জ্ব ও ওমরাহ পালনকারীদের নিয়েও আরও অনেক সহজে পবিত্র হজ্জ্ব ও ওমরাহ পালন করা যাবে। আমরা সৌদি সরকারকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হজ্জ্ব ও উমরাহ পালনকারীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে দেখেছি। কিন্তু এই পরিবর্ধন সম্পন্ন হওয়ার পরে এই নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই কমে যাবে।
মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুটি মসজিদের নির্মাণ ও পরিবর্ধন কাজ শেষ হয়ে গেলে অধিক থেকে অধিকতর সংখ্যক মুসলমানকে পবিত্র হজ্জ্ব ও ওমরাহর সময়ে ধারণ করা যাবে। বৃহত্তর সংখ্যক মুসলমানদের জন্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালনের সুযোগ তৈরি হবে।
এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে বিশাল সংখ্যক মুসলমান প্রতিবছর হজ্জ্ব পালনের পরিকল্পনা করেন কিন্তু সীমিত ধারণ ক্ষমতার জন্য বিশেষত কাবায় সীমাবদ্ধতার জন্য তারা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে না। সে সময়ে প্রচন্ড ভিড় হয় এবং সৌদি সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও হজ্জ্ব ও উমরাহ পালনকারীদের হজ্জ্ব ও উমরাহের বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান পালনে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়।
এই দুটি পবিত্রস্থানের তত্ত্বাবধায়ক হওয়ার দরুন সৌদি সরকার হজ্জ্ব ও উমরাহ পালনকারীদের ভোগান্তি বুঝতে পেরেই হয়তো মসজিদ-আল-হারাম ও মসজিদ-আল-নববীর এলাকা ও আয়তন বৃদ্ধির জন্য বিশাল প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
আমরা এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, বর্তমান পরিবর্ধন কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর হজ্জ্ব ও উমরাহ পালনকারীদের অভিজ্ঞতা আরও অনেক আরামদায়ক ও শান্তিপূর্ণ হবে। মক্কা ও মদীনাহ এই দুটি পবিত্র স্থানে গমন করা প্রতিটি মুসলমানের জন্যই একটি স্বপ্ন। আমরা সেজন্য সৌদি সরকারের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। এবং আশা করি তাদের সকল প্রচেষ্টা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি মুসলমানের জন্য কাবা শরীফ প্রদক্ষিণের ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর- রওজা মুবারক জিয়ারত করার এক বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করবে।
লেখক: প্রধান সম্পাদক, মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এমএনএ) এবং ভাইস-চেয়ারম্যান, ডেমোক্রেসী রিসার্চ সেন্টার (ডিআরসি)