ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন আজ ’পহেলা ফাল্গুন’

105
এমএনএ রিপোর্ট : আজ মঙ্গলবার। বিপুল ঐশ্বর্যের ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। পহেলা ফাল্গুন। প্রকৃতি সাজবে তার নতুর রূপে। গাছে গাছে ফুল ফুটুক আর নাই-বা ফুটুক, বসন্ত তার নিজ রূপ মেলে ধরবেই। ফাগুনের আগুনে, মন রাঙিয়ে বাঙালি তার দীপ্ত চেতনায় উজ্জীবিত হবে।
শীতকে বিদায় জানানোর মধ্যদিয়েই বসন্ত বরণে চলবে ধুম আয়োজন। শীত চলে যায় রিক্ত হস্তে, আর বসন্ত আসে ফুলের ডালা সাজিয়ে। বাসন্তী ফুলের পরশ আর সৌরভে কেটে যাবে শীতের জরা-জীর্ণতা।
শীতের রিক্ততা মুছে প্রকৃতিজুড়ে সাজ সাজ রব এখন। বিবর্ণ প্রকৃতিতে জেগে উঠেছে নতুন জীবনের ঢেউ। নীল আকাশের সোনাঝরা আলোর মতোই আন্দোলিত হৃদয়। আপ্লুত। আহা! কী আনন্দ আকাশে বাতাসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, ‘আহা, আজি এ বসন্তে/কত ফুল ফোটে, কত বাঁশি বাজে/কত পাখি গায়।’ বছর ঘুরে আবার এলো সেই ফুল ফোটার দিন।
‘দখিন সমীরণের শিহরণ’ জাগানোর মাহেন্দ্র দিন এলো। মাতাল হাওয়ায় কুসুম বনের বুকের কাঁপনে, নিরাভরণ বৃক্ষে কচি কিশলয় জেগে উঠবার আভাসে, পল্লব মর্মরে আর বনতলে কোকিলের কুহুতান জানান দিচ্ছে : ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে..।
বনের মতো মনেও অদ্ভুত এক শিহরণ জাগানিয়া দিন এখন। রূপ লাবণ্যে জেগে উঠেছে প্রকৃতি, রঙিন চারপাশ। বৃক্ষের নবীন পাতায় আলোর নাচন! গোলাপ, জবা, পারুল, পলাশ, পারিজাতের হাসি। সেই প্রাচীন প্রাকৃত পেঙ্গলের দিকে তাকালে আমরা দেখবো বসন্তরাজের করতলে ভালোবাসার নৈবেদ্য তুলে দিতে কেমন ব্যস্ত কবিরা। বসন্তের বন্দনা করে একটি পংক্তিও লেখেননি, এমন বাঙালি কবি খুঁজে পাওয়া যাবে না।
আজকের পূর্ব আকাশের নবীন ঊষা, প্রভাতের নবীন ঊষা বাংলার প্রকৃতিতে নিয়ে এসেছে ঋতুরাজের দোলা। খুলে গেছে দখিনা দুয়ার। মানব-মানবীর হৃদয়ের বেদি আর প্রজাপতির রঙিন পাখা, মৌমাছির গুনগুনানি, বৃক্ষ-লতা-গুল্ম, ফুলে-ফলে, পত্র-পল্লবে, শাখায় শাখায়, ঘাসে ঘাসে, নদীর কিনারে, কুঞ্জ-বীথিকা আর অরণ্য-পর্বতে নবযৌবনের বান ডেকেছে। প্রকৃতির এই রূপতরঙ্গে দুলে উঠে কবিগুরু গেয়ে ওঠেন- ‘ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে।’ শীতের স্পর্শে ঘুমিয়ে পড়া, বিবর্ণ জারুল-পারুল, মাধবী-মালতী-রজনীগন্ধা, পলাশ-জবা, কৃষ্ণচূড়া-দোপাটি, কনকচাঁপার গুচ্ছ আন্দোলিত হচ্ছে দখিনা বাতাসে নবজীবনের স্পন্দনে। আড়মোড়া ভেঙে বাতাসে হিল্লোর তুলছে আম-কাঁঠালের বাগান। বসন্ত-বন্দনা করতে গিয়ে কবি নির্মলেন্দু গুণ লিখেছিলেন- ‘হয়তো ফোটেনি ফুল রবীন্দ্রসঙ্গীতে যতো আছে/হয়তো গাহেনি পাখি, অন্তর উদাস করা সুরে/…তবুও ফুটেছে জবা, দুরন্ত শিমুল গাছে গাছে/তার তলে ভালোবেসে বসে আছে বসন্ত পথিক।’
গণমানুষের কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় প্রকৃতির চোখে চোখ রেখে বলেছিলেন- ‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক/আজ বসন্ত।’ শীতের রিক্ততা মুছে দিয়ে প্রকৃতিজুড়ে আজ সাজসাজ রব। হিমেল পরশে বিবর্ণ প্রকৃতিতে জেগে উঠছে নবীন জীবনের ঢেউ। নীল আকাশ সোনাঝরা আলোর মতই হৃদয় আন্দোলিত। আহা! কী আনন্দ আকাশে-বাতাসে…। ‘আহা, আজি এ বসন্তে/কত ফুল ফোটে, কত বাঁশি বাজে/ কত পাখি গায়..।’ নব পুষ্পপত্র-পল্লবে, প্রকৃতি নতুন সাজে সেজে উঠেছে।
বসন্তকে বলা হয় প্রেমের ঋতু। মাতাল করা নানা ফুলের সৌরভে মানব হৃদয়ে পূর্ণতা পায় প্রেমের অনুভূতি। বসন্ত যেন সব বাধা ভেঙে দিয়ে প্রিয়তমার হাত ধরে বলতে চায়- ‘ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান/আমার আপনহারা প্রাণ/আমার বাঁধনছেঁড়া প্রাণ/তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান/তোমাকে অশোকে-কিংশুকে/অলক্ষ্যে রঙ লাগল আমার অকারণে সুখ…।’ কিংবা শচীন-কর্তার মতো করে গেয়ে উঠবে- ‘শোন গো দখিনা হাওয়া/প্রেমে পড়েছি আমি।’ অথবা প্রেমের দেবতা কিউপিটের ছোড়া তীরে বিদ্ধ প্রেমিক জুটি সূর্যের মুখে তাকিয়ে বলবে- ‘মৃত্যুর মুখে দাঁড়ায়ে জানিব/তুমি আছো, আমি আছি।’
শুধু প্রাণের দুরন্ত আবেগ আর প্রেমে নয়, এ ঋতুতে বাংলার মানুষ জেগে ওঠে দ্রোহে-প্রতিবাদে। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের মতো বার্তা ছড়ায়, ‘এলো খুনমাখা তূণ নিয়ে/খুনেরা ফাগুন…।’ মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার চেয়ে বাংলার তরুণরা রক্ত ঝরিয়েছে এ ঋতুতে। আবার সামরিক-স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়েও রক্ত ঝরিয়েছে এই বসন্তে। তাই দোসরা ফাল্কগ্দুন ‘সামরিক-স্বৈরাচারবিরোধী গণতন্ত্র দিবস’!
সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শনেও বসন্ত ঠাঁই পেয়েছে নানা অনুপ্রাস, উপমা, উেপ্রক্ষায় নানাভাবে। হালে শহরের যান্ত্রিকার আবেগহীন সময়ে বসন্ত যেন কেবল বৃক্ষেরই, মানুষের আবেগে নাড়া দেয় কমই। কবির ভাষায়-মানুষের হৃদয় আজ আনন্দে ভরে উঠুক/দুঃখগুলি সব ঝরে যাক/মানুষের মন হোক অনন্ত,/আজ যে বসন্ত..।
বছর ঘুরে আবারও ফাগুন এলো। ষড়ঋতুর বাংলায় বসন্তের রাজত্ব একেবারে প্রকৃত সিদ্ধ। ঋতুরাজ বসন্তের বর্ণনা কোনো রঙতুলির আঁচড়ে শেষ হয় না। কোনো কবি-সাহিত্যিক বসন্তের রূপের বর্ণনায় নিজেকে তৃপ্ত করতে পারেন না। তবুও বসন্ত বন্দনায় প্রকৃতি-প্রেমীদের চেষ্টার যেন অন্ত থাকে না।
‘ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান–
তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান–
আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ॥’
প্রকৃতি প্রেমে সিদ্ধকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ফাগুনবন্দনা করে লেখা বিখ্যাত গান। আজ ফাগুনের উদাস হাওয়ায় বাঁধন ছিঁড়েছে প্রাণ। বাঁধন ছেঁড়া প্রাণ তাই উড়ু উড়ু। ফাগুনের অগ্নিধারায় আপনকেও হারালো মন। হারানো মন ঘুরছে ফাগুন রাঙা যেন বনে বনে।
বাঙালির ইতিহাস আবেগের। এ আবেগ যেমন মানুষে মানুষে ভালোবাসার, তেমনি মানুষের সঙ্গে প্রকৃতিরও বটে। দিন-ক্ষণ গুণে গুণে বসন্ত বরণের অপেক্ষায় থাকে বাঙালি। কালের পরিক্রমায় বসন্ত বরণ আজ বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব। আবাল-বৃদ্ধা, তরুণ-তরুণী বসন্ত উম্মাদায় আজকে মেতে উঠবে।
বসন্তকে সামনে রেখে গ্রাম বাংলায় মেলা, সার্কাসসহ বাঙালির নানা আয়োজনের সমারোহ থাকবে। ভালোবাসার মানুষেরা মন রাঙাবে বাসন্তী রঙ্গেই। শীতের সঙ্গে তুলনা করে চলে বসন্তকালের পিঠা উৎসবও।
বসন্তের প্রকৃত রূপ দেখা যায় গ্রামে; শহরে তেমন নয়। ষড়ঋতুর দেশে আবহমান গ্রামবাংলার প্রকৃতিতেই মূলত বসন্ত জানান দেয় তার আগমনী বারতা। গ্রামের মেঠো পথ, নদীর পাড়, বৃক্ষরাজি, মাঠভরা ফসলের ক্ষেত বসন্তে রঙিন হয়ে ওঠে। নিসর্গের বর্ণচ্ছটায় প্রকৃতি হয়ে ওঠে বাঙ্ময়। কচি পাতায় আলোর নাচনের মতোই তখন বাঙালির মনে দোলা লাগে, হৃদয় উচাটন হয়।
তরুণীরা বাসন্তী রঙয়ের শাড়ি পরে প্রকৃতির কোলে নিজেকে সপে দিতে চাইবে। আর বসন্তের উদাস হাওয়ায় তরুণেরা নিজেকে প্রকাশ করবে প্রেমে প্রেমে। বসন্ত যেন মানবমন আর প্রকৃতির রূপ প্রকাশের লীলা-খেলা।
বসন্ত উৎসব আজ গ্রামীণ আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। শহুরে মানুষের কাছেও বসন্তের আবেদন ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে শহরের তরুণ-তরুণীরা বসন্ত বরণে দিনভর ব্যস্ত থাকে। ফুলে ফুলে ভরে যাবে তরুণীর চুলের খোপা। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে বসবে খাবারের মেলা।
এদিন দর্শনীয় স্থানগুলো মানুষের পদচারণায় যেন তিল ধরার ঠাঁই থাকে না। বসন্তের আগমনে নব উদ্যমে জেগে উঠুক বাঙালি, জেগে উঠুক বাঙালির প্রাণ।
বসন্তের সাজে আজ মানুষ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়বে, প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হবে। প্রীতির বন্ধনে আপন মহিমায় খুঁজে নেবে বসন্তকে। সেই মিলনের তাগিদে আজ সারা দিন দেশের নানা প্রান্তে বসন্তবরণে মেতে উঠবে জাতি।
বসন্তের প্রথম দিনে আজ নানা আয়োজনে আলোড়িত হবে রাজধানী ঢাকা। তরুণ-তরুণীরা বইমেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, চারুকলার বকুলতলা মাতিয়ে রাখবে সারা দিন। নগরীর বিভিন্ন উদ্যান, খাবারের দোকানগুলো মুখর থাকবে।
ফুলের মঞ্জরিতে মালা গাঁথার দিন বসন্ত কেবল প্রকৃতিকেই রঙিন করেনি, রঙিন করেছে আবহমান কাল ধরে বাঙালি তরুণ-তরুণীর প্রাণ। তাই আজ পহেলা ফাল্কগ্দুনের এ দোলা জাগানো দিনে তরুণীরা খোঁপায় গাঁদা-পলাশ ফুলের মালা গুঁজে বাসন্তী রঙ শাড়ি পরে, তরুণরা পাঞ্জাবি-পাজামা কিংবা ফতুয়ায় খুঁজে নেয় শাশ্বত বাঙালিয়ানা। আজ তাই উৎসবের হাওয়ায় তরুণ-তরুণীদের ভাসতে দেখা যাচ্ছে শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ, টিএসসি আর অমর একুশে গ্রন্থমেলাসহ নগরের নানা স্থানে। এমনকি দূর মফস্বলেও ছড়িয়ে পড়েছে তারুণ্যের এই যাত্রা। ফোনে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে চলছে বসন্তের শুভেচ্ছা বিনিময়।
অমর একুশে গ্রন্থমেলায়ও এর দোলা লাগবে। আজ মেলায় থাকবে বাসন্তী রঙের উৎসব। তরুণীরা এ রংয়ের পোশাক আর গাঁদা ফুলে নিজেদের সাজিয়ে মেলায় আসবেন। তরুণরা পরবেন বাসন্তী রংয়ের পাঞ্জাবি-ফতুয়া। আর ফাল্গুনের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ বুধবার মেলায় থাকবে ভালোবাসার পরশ। কারণ, দিনটি ভালোবাসার মানে ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’। প্রেমিকযুগল হাতে হাত ধরে শহরে নানা জায়গায় ঘোরাঘুরি শেষে আসবেন বইমেলায়। মনের মানুষটিকে লাল গোলাপের সঙ্গে উপহার দেবেন প্রিয় লেখকের বই। এদিন মেলা রাঙাবে লাল রংয়ে। দু’দিনই মেলায় থাকবে উৎসবের আমেজ।
আজ পহেলা ফাল্গুন হলেও মেলায় বসন্তের আমেজ শুরু হয়ে গেছে সোমবার থেকেই। শীতের শেষ বেলায় মেলায় আসা বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের পোশাক সাজসজ্জায় ছিল বসন্তের আবহ। বাসন্তী রংয়ের শাড়ি পরে ঘুরছিল একদল তরুণী। কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করতেই বলল, তারা সবাই একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। এসেছেন ধানমণ্ডি ও মোহাম্মদপুর থেকে। সাবরিনা মমতাজ নামে একজনকে বসন্তের আগেই বাসন্তী সাজের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, প্রকৃতির মতো আমাদের মনে বসন্ত আরও আগেই চলে এসেছে।
রাজধানীতে পহেলা ফাল্গুনের কর্মসূচি :
বসন্তকে স্বাগত জানাতে ‘এসো মিলি প্রাণের উৎসবে’- এ প্রতিপাদ্যে আজ রাজধানীর চারটি মঞ্চে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করেছে জাতীয় বসন্ত উদযাপন পরিষদ। যার মূল আয়োজনটি হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায়। ভোর ৭টায় গিটারে দীপন সরকারের ‘বসন্ত বাহার’ যন্ত্রসঙ্গীতের সুর মূর্ছনা দিয়ে শুরু হবে এ উৎসব।উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে থাকবে বসন্ত কথন পর্ব, আবির বিনিময়, রাখিবন্ধন, ধ্রুপদি, দলীয় নৃত্য ও দলীয় সংগীত। বরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে একক আবৃত্তি ও একক সংগীত পরিবেশন। এ পর্ব শেষ হবে সকাল ১০টায়।
এরপর আবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত একযোগে অনুষ্ঠান চলবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলা, পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক, ধানমণ্ডির রবীন্দ্রসরোবর এবং উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের রবীন্দ্রসরণির উন্মুক্ত মঞ্চে। শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে তিন দিনের বসন্ত উৎসব। আজ সকাল ১০টায় এ উৎসব শুরু হবে নন্দন মঞ্চে।
রাজধানীর লালমাটিয়ার বেঙ্গল বই-এ আয়োজন করা হবে পহেলা ফাল্কগ্দুনের অনুষ্ঠান। থাকছে সানিডেল স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় কবিতা, সঙ্গীত ও নৃত্য। আরও থাকছে ঝিনাইদহের দিশারী নাট্যগোষ্ঠীর পরিবেশনায় যাত্রাপালা ‘অনুসন্ধান’।