কক্সবাজার সৈকতে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার

এমএনএ রিপোর্ট : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে ভেসে আসা একটি মাছ ধরার ট্রলার থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্ট থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই জেলে। তবে তাদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। ট্রলারের আরও ছয় জেলে নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের এএসপি ফখরুল করিম জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে ভাঙাচোরা একটি মাছ ধরার ট্রলার ভেসে আসার খবর পাওয়া যায়। পরে টুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে ট্রলারটির আশপাশে চারটি মরদেহ ভাসমান অবস্থায় এবং আরও দু’টি মরদেহ ট্রলারের পাটাতনের ভেতর পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি। এটি বাংলাদেশের না মিয়ানমারের সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় অনেকেই ধারণা করছেন, এটি মিয়ানমারের ট্রলার হতে পারে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন, মরদেহগুলো এখন জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। ডুবন্ত ট্রলারটিতে একটি মাছ ধরার জাল পাওয়া গেছে। আমরা আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। যে দুজনকে জীবিত পাওয়া গেছে, তাদের অবস্থাও ভালো নয়। তারা বলেছে, ট্রলারে তারা মোট ১৪ জন ছিল। বাকি ছয়জনের খোঁজ এখনও আমরা পাইনি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুইজনের নাম মোহাম্মদ রাসেল ও মোহাম্মদ জুয়েল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম জানা যায়নি।

জীবিত দুজনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার শিকার ট্রলারটির মালিক ভোলার চরফ্যাশন এলাকার মিন্টু নামের এক ব্যক্তি।

সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারটি বিরূপ আবহাওয়ার কবলে পড়ে। পরে সেটি ভাঙাচোরা অবস্থায় জোয়ারের ধাক্কায় ভেসে কক্সবাজার উপকূলে পৌঁছায় বলে পুলিশের ধারণা।

x

Check Also

১১৭ দেশের মধ্যে ক্ষুধার সূচকে বাংলাদেশ ৮৮তম

এমএনএ রিপোর্ট : বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১১৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান গত বছরের চেয়ে দুই ...

Scroll Up