কুমিল্লায় বিএনপির প্রার্থী মনিরুল এগিয়ে

58

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এখন চলছে ভোট গণনা। ১০৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্য ১০১টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বিএনপির মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু এগিয়ে আছেন।

ধানের শীষ প্রতীকে মনিরুল হক ৬৮ হাজার ৭৯০ ভোট পেয়েছেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মেয়র প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২৬১ ভোট।

প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে জয়-পরাজয় মোটামুটি সুনিশ্চিত হয়ে গেছে। এখন শুধু অপেক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র হিসাবে ঘোষণা করার।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২ হাজার ৪৪৭ জন আর নারী ১ লাখ ৫ হাজার ১১৯ জন। এই ভোটারদের মধ্যে অন্তত ৩৮ হাজার সংখ্যালঘু ও ৩০ হাজার নতুন ভোটার।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ওয়ার্ড ২৭টি। ১০৩টি ভোটকেন্দ্রের ৬২৮টি বুথে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ করা হয়। জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে ২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মোট ভোটার ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ২ হাজার ৪৪৭ জন আর নারী ১ লাখ ৫ হাজার ১১৯ জন। এই ভোটারদের মধ্যে অন্তত ৩৮ হাজার সংখ্যালঘু ও ৩০ হাজার নতুন ভোটার।

নির্বাচনে ৭৬০ জন প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। ১ হাজার ৬৭৮ জন পুলিশ, ১ হাজার ২৩৬ জন আনসার, র‍্যাবের ৩৩৮ ও বিজিবির ৬০০ জন সদস্য, ২৭টি ওয়ার্ডে ৩৬ জন নির্বাহী হাকিম ও বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করেন।

১৪ দলের প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা কুমিল্লার আওয়ামী লীগ নেতা আফজল খানের মেয়ে। ২০১২ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আফজল খান বিএনপির প্রার্থীর কাছে হেরে যান। এবারও বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক। এর বাইরে মেয়র পদে শিরিন আক্তার (জেএসডি) ও মামুনুর রশীদ (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হয়েছেন। সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৫৪ জন।