খালেদা জিয়ার জামিন নিষ্পত্তির নির্দেশ

এমএনএ রিপোর্ট : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যান পোড়ানোর অভিযোগে অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন ৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ বুধবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়া পক্ষে শুনানি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী, তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি বিচারিক আদালতে নিষ্পত্তি করা নির্দেশ দেন।

গত ২০ ডিসেম্বর বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ওই দিন আবেদনটি করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করা হলে এর আগে চারবার বিভিন্ন অজুহাতে পিছিয়ে দিয়েছেন নিম্ন আদালত। এখন ৪ ফেব্রুয়ারি সময় নির্ধারণ করা আছে। ওইদিনই আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে হবে।

কুমিল্লার আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন শুনানিতে অযাচিত বিলম্বের অভিযোগ তুলে গত ২০ জানুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। সে আবেদনের শুনানি নিয়েই বুধবার আদেশ দেন হাইকোর্ট।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ২০-দলীয় জোটের অবরোধ চলাকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে আইকন পরিবহনের একটি বাসে পেট্রলবোমা ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এতে আট যাত্রী দগ্ধ হয়ে মারা যান, আহত হন ২০ জন। এ ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দু’টি মামলা হয়।

এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে ৭৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় খালেদা জিয়াসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় ছয় নেতাকে হুকুমের আসামি করা হয়। ৭৭ আসামির মধ্যে তিনজন মারা যান, পাঁচজনকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়। খালেদা জিয়াসহ অপর ৬৯ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক ফিরোজ হোসেন চার্জশিট দাখিল করেন।

x

Check Also

আবারও আটকে গেল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম

এমএনএ রিপোর্ট : বাংলাদেশের পক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরও রোহিঙ্গারা যেতে রাজি ...

Scroll Up