খুলনায় ২০০ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে নৌকা

9
এমএনএ রিপোর্ট : খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২০০টি কেন্দ্র থেকে পাওয়া ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক এগিয়ে রয়েছেন।
তিনি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১,২২,৮৫৪ ভোট। আর তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৪,৬৬১ ভোট।
আজ মঙ্গলবার বিকালে সোনাডাঙ্গা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কিছু সময় পর পর এখানে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ফলাফল আসছে।
এর আগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা দুটি কেন্দ্রের ফলাফলেও আওয়ামী লীগ প্রার্থী এগিয়ে থাকেন। এ দুই কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক পান ৭৭৭ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পান ৭১০ ভোট।
কেসিসির পিটিআই কেন্দ্রে পুরুষ ভোটাররা এবং সোনাপোতা কেন্দ্রে নারী ভোটাররা ইভিএমে ভোট দেন।
পিটিআই কেন্দ্রটি ছিল পুরুষ ভোটারদের জন্য। এখানে মোট ভোটার ছিল ১৮৭৯ জন। এর মধ্যে ধানের শীষ নিয়ে মঞ্জু পেয়েছেন ৫১১ ভোট, দ্বিতীয় অবস্থানে নৌকা প্রতীক নিয়ে তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন ৫০৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী পাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৩ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ ভোট এবং সিপিবির প্রার্থী কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ৭ ভোট।
অন্যদিকে, সোনাপোতা ইভিএম কেন্দ্রটি ছিল নারী ভোটারদের জন্য। এই কেন্দ্রে তালুকদার আবদুল খালেক নৌকা প্রতীকে ২৭২ ও নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে ১৯৯ ভোট পেয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় খুলনা মহানগরীর ভোটকেন্দ্রগুলোয় একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষ করার পরপরই ভোট গণনা শুরু হয়।
উল্লেখ্য, খুলনা সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে যে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তারা হলেন- আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক (নৌকা), বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির এসএম শফিকুর রহমান (লাঙল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যক্ষ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে)।
৪৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ নগরীতে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২৮৯টি ও ভোটকক্ষ এক হাজার ৫৬১টি। নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন, যার মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।