ঘূর্ণিঝড়ে উড়ে গেছে টোঙ্গার পার্লামেন্ট ভবন

23
এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ক্যাটাগরি ৪ মাত্রার সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় গীতার আঘাতে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গা তছনছ হয়ে গেছে। এতে দেশটির বিভিন্ন অংশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ঘণ্টায় প্রায় ২শ’ কিলোমিটার বেগে ঝড়টি আঘাত হানে।
ঝড়ের আঘাতে টোঙ্গার পার্লামেন্ট ভবনসহ গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি ও বাড়িঘর ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।
এদিকে শক্তি বাড়িয়ে গতকাল মঙ্গলবার আরেক ফিজি দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় গীতা।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ফিজির উপকূলে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে প্রশান্ত মহাসাগর৷ জারি হয়েছে বিশেষ সতর্কতা৷ ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১৯০ কিলোমিটার৷
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপরাষ্ট্রে পর পর আছড়ে পড়ছে গীতা৷ এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টোঙ্গা৷ ফিজির প্রায় ৬৫০ কিমি দক্ষিণ-পূর্ব এবং নিউজিল্যান্ডের প্রায় এক হাজার ৮৫০ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত দ্বীপ। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত আন্তর্জাতিক মহল৷ নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া থেকে পাঠানো হয়েছে ত্রাণ৷
জানা গেছে, গত সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে টোঙ্গায় আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় গীতা। গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি, বাড়িঘরসহ ধূলিসাৎ হয়ে যায় টোঙ্গার পার্লামেন্টও। রাজধানী নুকুআলোফাতেই প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ি গুঁড়িয়ে গেছে। এতে অন্তত পাঁচ হাজার ৭০০ মানুষকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে দ্বীপে জরুরি অবস্থা জারি করেন কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী সেমিসি সিকা। চলছে দুর্গতদের উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ বিতরণের কাজ।
ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ সহায়তা দেয়ার কথা বললেও প্রধানমন্ত্রী সেমিসি সিকা বলেন, এতে দেশের বাইরের সাহায্য চাওয়ার কোন কারণ নেই।
তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টির আঘাত হানা শেষ হলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাবো। আমরা পরিকল্পনা করছি। আগামীকাল নাগাদ সবকিছু শেষ হলে আমরা ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করবো।