চাল চোরদের ক্ষমা নেই : ওবায়দুল কাদের

এমএনএ রিপোর্ট : করোনা ভাইরাস সংকটে সরকারি ত্রাণ কার্যক্রমে অনিয়মে জড়িতদের আবারও সর্তক করলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, যারা ত্রাণ নিয়ে অনিয়ম করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তাদের কোনোভাবেই ক্ষমা করা হবে না। চাল চোরদের ক্ষমা নেই।

মঙ্গলবার সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবনে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় শেখ হাসিনার সাহসী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। তার নির্দেশে তৃণমূল পর্যন্ত ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। কিন্তু ত্রাণ বিতরণের নামে কোনো বৈষম্য করা চলবে না। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত ও প্রাপ্যতা অনুযায়ী অসহায় মানুষের তালিকা করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল পর্যায়ে ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। দলীয় প্রধানের নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক ত্রাণ কমিটি করতে হবে। ত্রাণ সুবিধা পাওয়ার উপযোগীদের মধ্য থেকে দল-মত নির্বিশেষে যার যা প্রাপ্য, ঠিক সে অনুযায়ী দ্রুততার সঙ্গে তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। এই তালিকা অনুযায়ী প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ত্রাণকাজ পরিচালনা করতে হবে।

‘বিএনপির ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, কে বাধা দিয়েছে, কোথায় বাধা দিয়েছে? সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দিন। এমন অমানবিক কাজ কেউ করে থাকলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এটা নিঃসন্দেহে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আসলে বিএনপির এই অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন, এর কোনো তথ্যপ্রমাণও নেই। বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য সরকারের প্রয়োজন নেই। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। নিজেদের নেতিবাচক রাজনীতির জন্যই আজ তাদের এই পরিণতি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস জনিত সংকট মোকাবিলা এবং এর সংক্রমণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মূহুর্ত নিরলসভাবে মনিটর করছেন, নির্দেশনা দিচ্ছেন। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ করোনা যুদ্ধের ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কাররা নিরলসভাবে দিবারাত্রি কাজ করে যাচ্ছেন। জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাব সবাই শেখ হাসিনার নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, এই রোগ প্রতিরোধে দেশের সক্ষমতাও পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। করোনার পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, টেস্টিং ক্যাপাসিটিও প্রতিদিনই বাড়ছে। যদিও এই সমস্যা আজ সারা দুনিয়াব্যাপী এবং সারাবিশ্বেই টেস্টিং ক্যাপাসিটি ও পিপিই সংকট রয়েছে। তারপরও বাংলাদেশ তার সীমাবদ্ধতার মধ্যেই প্রতিদিনই টেস্টিং ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে চলেছে।

x

Check Also

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

এমএনএ ফিচার রিপোর্টঃ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম অ-ইউরোপীয় ও বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম মৃত্যুবার্ষিকী ...

Scroll Up
%d bloggers like this: