চীনে শীঘ্রই চালু হচ্ছে অ্যাপলের ডেটা সেন্টার

39
এমএনএ সাইটেক ডেস্ক : চীনা গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্যের নিশ্চিত নিরাপত্তা দিতে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি চালু হচ্ছে চীনে অ্যাপলের প্রথম ডেটা সেন্টার।
দেশটিতে প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই ডেটা সেন্টারটি চালু করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে চীনে অ্যাপলের বন্ধ সেবাগুলোও পুনরায় চালু করার প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি, বলা হয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আইএএনএস-এর প্রতিবেদনে।
আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে ডেটা সেন্টারটি চালু করার তারিখ ঘোষণা করেছে অ্যাপল। এটি চালু হলে দেশটির অ্যাপল গ্রাহকরা আইক্লাউড অ্যাকাউন্টে ছবি, ডকুমেন্টস বা ব্যক্তিগত তথ্য আপলোড করলে তা দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের গুইঝৌ অঞ্চলের ডেটা সেন্টারেই জমা থাকবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আজ বুধবার থেকে চীনা আইক্লাউড গ্রাহকদের বিষয়টি জানাতে শুরু করবে অ্যাপল। চীনা গ্রাহকদের ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তর করে নতুন ডেটাবেইজে আপলোড করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এতে দেশটির গ্রাহকরা আরও নিরাপদ ও দ্রুতগতির সেবা পাবেন।
আগের বছর জুলাইতে চীনে ডেটা সেন্টারটি তৈরির ঘোষণা দেয় অ্যাপল। এতে বিনিয়োগের পরিমাণ বলা হয় একশ’ কোটি মার্কিন ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপলই প্রথম কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান, যারা চীনে নতুন বিধিমালা প্রণীত হওয়ার পর ডেটা সেন্টার তৈরির ঘোষণা দিয়েছে।
গত এপ্রিলে চীন নতুন একটি আইনের ঘোষণা দেয়। এতে বলা হয়, চীনের বাইরে ১ টেরাবাইটের বেশি ডেটা পাঠাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বার্ষিক নিরাপত্তা পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানবিষয়ক ডেটা রপ্তানির ক্ষেত্রে বাধাও পেতে হবে। অ্যাপল বলছে, তারা তাদের সিস্টেমে কোনো ব্যাকডোর রাখবে না। চীনে ইতিমধ্যেই মাইক্রোসফট ও আমাজনের ডেটা সেন্টার রয়েছে।
চীনে ডেটা সেন্টার চালু করতে একই ধরনের চুক্তি করেছে অ্যামাজন, মাইক্রোসফটসহ অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।
এছাড়াও ডেনমার্কে ৬০০ কোটি ড্যানিশ ক্রোন এবং আয়ারল্যান্ডে শতকোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে আরও দুটি ডেটা সেন্টার নিয়ে কাজ শুরু করছে অ্যাপল। এ দুটো ডেটা সেন্টার তৈরি হলে সারা ইউরোপে অ্যাপল তাদের গ্রাহকদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দিতে পারবে।