ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সিন্ডিকেট প্রার্থীরাই

মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এমএনএ) : শেষ পর্যন্ত ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বে আসছেন ‘লিয়াকত সিন্ডিকেট’র প্রার্থীরাই। সভাপতি পদে পরিবেশ সম্পাদক সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে সদ্য বিলুপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শাহেদকে প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতারা গতকাল শনিবার একাধিক বৈঠক করে তাদের দায়িত্ব দেয়ার ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন।

এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের অভিভাবক সংগঠন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডেরও ‘সবুজ সংকেত’ মিলেছে বলে দাবি সিন্ডিকেটের সংশ্লিষ্টদের। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ তাদের একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচনের মাধ্যমে জিতিয়ে আনা হবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে লিয়াকত সিন্ডিকেটবিরোধীরা গতকাল শনিবার রাত পর্যন্ত নানা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছিলেন। এমনকি তারা এদিন বিকালে গণভবনে যান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গতকাল শনিবার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব এবং বয়সসীমা ২৯ বছর থাকার কথা নিশ্চিত করেন। এরপর বিকালে তার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা বৈঠকে বসেন। এ বৈঠকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন বয়স শিথিলতার প্রসঙ্গ তোলেন। তারা দাবি জানান, যেদিন থেকে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হয়েছে, সেদিন থেকেই বয়স গণনা করা হোক।

তখন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কাদের বলেন, সম্মেলনের দিন থেকেই বয়স গণনা করা হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাইনুদ্দিন চৌধুরী, বাহাদুর বেপারি, লিয়াকত শিকদার, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সোহেল রানা টিপু, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক গোলাম সরোয়ার কবীর প্রমুখ।

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে বয়সের পাশাপাশি নুতন নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। সেখানে সভাপতি পদে সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক পদে শাহেদকে নির্বাচন করতে বৈঠকে উপস্থিত বেশির ভাগ নেতাই একমত পোষণ করেন। এছাড়া সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির উপ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক পদে উপছাত্র বৃত্তি সম্পাদক ইমতিয়াজ বুলবুল বাপ্পি এবং সদ্য বিলুপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা জাকির হোসেনের নাম কেউ কেউ উত্থাপন করেন। তবে সেটি খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি।

এরপর আরও একটি বৈঠকের খবর পাওয়া যায়। সেটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ধানমণ্ডির একটি বাসায়। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপনের নেতৃত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শামসুল কবীর রাহাত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন তার অনুসারীদের নিয়ে সেখান থেকে গণভবনে যান।

আজ রবিবার সকাল ১০টায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হবে। সেখানে একাধিক প্যানেল ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হবে। তবে, এটি শুধুই একটি নিয়মরক্ষার নির্বাচন হবে বলে দাবি করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এবং সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ছাড়া কাউন্সিলর তালিকা সম্বন্ধে কেউ কিছু জানেন না। এ সুযোগে একটি পছন্দের কাউন্সিলর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কেননা নির্বাচন কমিশনাররা যেমন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের লোক তেমনি জেলা থেকেও সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পছন্দের লোকদের নাম রেখে কাউন্সিলর তালিকা পাঠানো হয়েছে।

আরেকটি সূত্র জানায়, সিন্ডিকেট সভাপতি পদে সাইফুর রহমান সোহাগের বিষয়ে একমত হলেও সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে এখনও কিছুটা সংশয় রয়ে গেছে। কারণ, সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক সহিদুল ইসলাম শাহেদের ব্যাপারে তীব্র আপত্তি আছে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের। তার (নাজমুল) সমর্থিত প্রার্থী জাকির হোসেন মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড হওয়ায় আপত্তি আছে অধিকাংশের।

গতকাল শনিবার সম্মেলন স্থলেই সাবেক এক নেতা বলেন, মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড হওয়ার কারণেই জাকিরকে সাধারণ সম্পাদক বানানো যাচ্ছে না। তার পরিবর্তে শাহেদের বিষয়ে সিন্ডিকেটের বেশিরভাগ নেতা একমত হলেও দু-একজন আবার বাপ্পিকেই সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চান বলে সূত্র জানায়।

এদিকে আজ সকালে কাউন্সিল অধিবেশনের আগেই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক চূড়ান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সংশ্লিষ্ট সূত্র। তারা জানান, প্রয়োজনে গতকাল শনিবার রাতেই অথবা আজ রবিবার সকালে সিন্ডিকেট নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে প্রার্থী চূড়ান্ত করে কাউন্সিলরদের জানিয়ে দেবে। এরপর কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হবে। স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার না করলে নানা মেকানিজমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তবে, সিন্ডিকেটের প্রার্থীর বাইরে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে অন্তত আরও একজন করে প্রার্থী রেখে নির্বাচন শুরু করা হবে।

এবারের ছাত্রলীগের সম্মেলনে সারা দেশে ১০১টি ইউনিটে কাউন্সিলরের সংখ্যা ২ হাজার ৫২৫। তবে, বিদেশের ৯টি ইউনিট থেকে কতজন কাউন্সিলর এসেছেন সে বিষয়ে জানাতে পারেননি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জয়দেব নন্দী।

ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে আসতে এবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ২৪১ জন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ৭৮ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৬৩ জন ফরম কিনেছেন। তবে, সভাপতি পদে ১৭টি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ২১টি মনোনয়ন ফরম বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। সে হিসাবে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসাবে সভাপতি পদে রয়ে গেছেন ৬১ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৪২ জন।

এবার সম্মেলনের অনেক আগে থেকেই সিন্ডিকেট নির্বাচন চেয়ে আসছিল। সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদারের নেতৃত্বাধীন এ সিন্ডিকেটে রয়েছেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ কয়েকজন নেতা। আর সিন্ডিকেটের বিরোধী হলেন সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারি, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুর রহমান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন।

সম্ভাব্য ৫ নতুন নেতার পরিচিতি

সাইফুর রহমান সোহাগ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়েই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগে মাস্টার্সে পড়ছেন। ২০০৫-০৬ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে জিয়া হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক। বাড়ি মাদারীপুর সদর থানায়। মাদারীপুর ইউআই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও সরকারি নাজিম উদ্দিন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। বাবা এইচএম আবদুর রহমান স্কুল শিক্ষক, মা মর্জিনা খানম পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (অবসরপ্রাপ্ত)। ভাই আরিফ হোসেন সুমন, সহসভাপতি, সুইডেন ছাত্রলীগ, মাহবুবুর রহমান সোহেল, কর্মী, সুইডেন ছাত্রলীগ। ১/১১ সরকারের বিরুদ্ধে কালো পতাকা প্রদর্শন, ২০০৭-০৮ আগস্টে সেনা-সমর্থিত সরকারবিরোধী আন্দোলন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। এ ছাড়া পরিবেশ সম্পাদক থাকাকালীন সারা দেশে ৮০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন।

জাকির হোসেন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেন। বর্তমানে রাষ্ট্রবিজ্ঞানেই এমফিল করছেন। ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়ে জিয়া হল ছাত্রলীগের সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ। তিনি উত্তর গোয়ালবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত, হাজী ইমজাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণী, ৭ম ও ৮ম নারায়ণগঞ্জ ইব্রাহীম আলম চাঁন উচ্চ বিদ্যালয় এবং নরসিংদী থেকে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক পাস করেন। উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে। বাবা আবদুল জলিল স্কুল শিক্ষক, মা আমিনা বেগম গৃহিণী। ৫ ভাইয়ের চার ভাই প্রবাসী এবং বাকি চার বোন বিবাহিত। তিনি ২০০৮ সালে শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলন, ২০১৩ সালের হেফাজত বিরোধী আন্দোলন ও গণজাগরণ মঞ্চের যুদ্ধাপরাধীবিরোধী সংগ্রাম ও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন পূর্ববর্তী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

শাহিদুল ইসলাম শাহেদ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ ল’ কলেজ থেকে প্রথম অধ্যায় শেষ করে দ্বিতীয় অধ্যায়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ২০০৬-০৭ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের বাড়ি পাবনার চাটমোহর উপজেলায়। বাবা লুৎফর রহমান স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মা বেবি পারভিন গৃহিণী। দুই ভাই এক বোন। নাটোরে নানা বাড়ির ধারাবারিষা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও গুরুদাসপুরের বিল চলন শহীদ শামসুজ্জোহা ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। সেনা সমর্থিত সরকারবিরোধী আন্দোলন, ২০০৮ সালের শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। ২০১২ সালে মল চত্বরে ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষে তার নামে মামলা হয়।

ইমতিয়াজ বাপ্পি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে মার্কেটিং বিভাগে এমবিএ করছেন। ২০০৫-০৬ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে মুহসিন হলের সহসভাপতি ও বর্তমানে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপছাত্র বৃত্তিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সিরাজগঞ্জ বিএল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। বাবা মো. বেলাল হোসেন সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও মা বুলবুল নাহার স্কুল শিক্ষিকা (অবসরপ্রাপ্ত)। তারা দুই ভাই। আগস্টের ছাত্র আন্দোলন ও শেখ হাসিনার কারামুক্ত আন্দোলনে অংশগ্রহণ ছিল তার।

গোলাম রাব্বানী : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি নেন। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধীনে ব্রিটিশ ল’-এ দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন। ২০০৭-০৮ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ও বর্তমানে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপআন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। বাবা এমএ রশিদ আজাদ সরকারি কর্মকর্তা, মা তাসলিমা আজাদ গৃহিণী, নানা শামসুদ্দিন আহমেদ মাদারীপুরের রাজৈর থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন, ছোট ভাই গোলাম রুহানী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য। তিনি চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পরবর্তী সহিংসতাকালে ককটেলবাজদের ধরে ডিএমপি থেকে পুরস্কার পান এবং বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করায় তুহিন মালিকের বিরুদ্ধে ৩টি মামলার বাদী।

x

Check Also

আবারও আটকে গেল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম

এমএনএ রিপোর্ট : বাংলাদেশের পক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরও রোহিঙ্গারা যেতে রাজি ...

Scroll Up