জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের

এমএনএ রিপোর্ট : জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ছোট ভাই জি এম কাদেরের নাম  ঘোষণা করেছেন দলটির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

গতকাল শনিবার (৪ মে) রাত ১১টার এরশাদ তার বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কে বাসভবনে সাংবাদিকদের সামনে এক সাংগঠনিক নির্দেশে এ ঘোষণা দেন। এ সময় জি এম কাদেরও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সাংগঠনিক নির্দেশনায় এরশাদ বলেন, আমি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এই মর্মে ঘোষণা করছি যে, আমার অবর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব আমার ছোট ভাই গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বর্তমান কো-চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টি, পালন করবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য আমি জাতীয় পার্টির সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি ও নির্দেশ প্রদান করছি।

ওই সাংগঠনিক নির্দেশনায় তিনি আরও বলেন, বর্তমানে শারীরিকভাবে অসুস্থতার কারণে চেয়ারম্যানের নিয়মিত কার্যাবলী পালনে বিঘ্ন ঘটছে সে কারণে আমি এ দায়িত্বসমূহ পালনের জন্য এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপিকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিলাম।

নির্দেশে বলা হয়, গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক ধারা মোতাবেক এ নিয়োগ প্রদান করা হলো। অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

এ সময় পার্টির যুগ্ম-মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়সহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল শনিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন এরশাদ।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৩ মার্চ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতার পদ থেকে জি এম কাদেরকে বাদ দেন তার ভাই ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার স্থলে বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে রওশনকে দায়িত্ব দেয়ার জন্য স্পিকারের কাছে চিঠিও দেন তিনি।

পরে ২৫ মার্চ রওশন এরশাদকে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় সংসদ।

এরও আগে ২২ মার্চ রাতে এক সাংগঠনিক নির্দেশে জি এম কাদেরকে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। ওই নির্দেশে তাকে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল।

সেই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, ‘কাদের পার্টি পরিচালনা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন, পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে এবং তিনি পার্টির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন। পার্টির সিনিয়র নেতারাও তার নেতৃত্বে সংগঠন করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। এমনতাবস্থায় সংগঠনের স্বার্থে পার্টির সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং কো-চেয়াম্যানের পদ থেকে গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে অব্যাহতি দেয়া হলো। তবে তিনি পার্টির প্রেসিডিয়াম পদে বহাল থাকবেন।’

x

Check Also

নিজামুদ্দিনে যোগ দেয়া ৬৪৭ জন করোনায় আক্রান্ত

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ভারতের দিল্লির নিজামুদ্দিনে তাবলিগ জামাতের সমাবেশে যোগদানকারীদের ৬৫০ জন করোনা ভাইরাসে ...

Scroll Up