টানা সপ্তম সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা

49

এমএনএ স্পোর্টস ডেস্রিক : স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডকে শেষ ওয়ানডেতে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা সপ্তম ওয়ানডে সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউজিল্যান্ডের দেয়া ১৫০ রানের টার্গেট ৩২ দশমিক ২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে টপকে যায় প্রোটিয়ারা।

এ জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পঞ্চম ওয়ানডে শেষে প্রোটিয়ারা সিরিজ জিতেছে ৩-২ এর ব্যবধানে।

এই সিরিজ জয়ের মধ্যদিয়ে টানা সাতটি দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ জিতলো দক্ষিণ আফ্রিকা। হোম সিরিজে ৫টি আর অ্যাওয়েতে আরও দুটি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে। বর্তমান ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে প্রোটিয়ারা।

হ্যামিলটনে প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছিল। ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় কিউইরা। ৬ রানের জয় তুলে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় স্বাগতিকরা। ওয়েলিংটনে তৃতীয় ওয়ানডেতে প্রোটিয়ারা ১৫৯ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে ২-১ এ লিড নেয়। আর চতুর্থ ওয়ানডেতে হ্যামিলটনে সিরিজে ফিরতে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড। ফলে, পঞ্চম ও শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়ায় সিরিজ নির্ধারণী ফাইনাল।

অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আগে ব্যাট করে কিউইরা ৪১.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে তোলে মাত্র ১৪৯ রান। জবাবে, ব্যাটিংয়ে নেমে ৩২.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে প্রোটিয়ারা জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ১০৬ বল বাকি থাকতেই।

ব্যাটিংয়ে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নিউজিল্যান্ড। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন কলিন ডি গ্রান্ডহোম। মার্টিন গাপটিল, কেন উইলিয়ামসন, রস টেইলর আর লুক রঞ্চি দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। ২৪ রান আসে তিন ব্যাটসম্যানের থেকে। ওপেনার ডিন ব্রাউনলি, জেমস নিশাম আর মিচেল স্যান্টনার প্রত্যেকে ২৪ রান করেন।

প্রোটিয়াদের হয়ে কেগিসো রাবাদা তিনটি উইকেট দখল করেন। দুটি করে উইকেট নেন ইমরান তাহির আর ফেলুকায়ো। তাহির দক্ষিণ আফ্রিকান স্পিনার হিসেবে ১০ ওভারে সবচেয়ে কম রান খরচ করে রেকর্ড গড়েন। ১০ ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচ করেন তিনি। এর আগে ১৯৯৭ সালে প্যাট সিমকক্স অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৮ রান খরচ করেছিলেন। আর ২০০৮ সালে জোহান বোথা কেনিয়ার বিপক্ষে ১৯ রান দিয়েছিলেন।

১৫০ রানের টার্গেটে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দলীয় ৬ রানের মাথায় ওপেনার কুইন্টন ডি কক (৬) বিদায় নেন। আরেক ওপেনার হাশিম আমলা ব্যক্তিগত ৮ রানে বিদায় নেন। জেপি ডুমিনি ৩ রানে সাজঘরে ফেরেন। এবিডি ভিলিয়ার্স করেন ২৩ রান।

এরপর জুটি গড়েন ফাফ ডু প্লেসিস এবং ডেভিড মিলার। এই জুটি ৬২ রানে অবিচ্ছিন্ন থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। প্লেসিসের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৫১ রান আর মিলার ৩৫ বলে ৬টি চার আর দুটি ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৪৫ রানের ইনিংস।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে জিতান প্যাটেল দুটি উইকেট তুলে নেন। একটি করে উইকেট পান গ্রান্ডহোম আর নিশাম।