নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭০তম জন্মদিন আজ

51
এমএনএ রিপোর্ট :  বাংলা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ, নন্দিত কথাসাহিত্যিক, জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ৭০তম জন্মদিন আজ সোমবার। শুভ জন্মদিন হুমায়ূন আহমেদ। ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকেনা জেলার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
বাংলা সাহিত্যের নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ। বিংশ শতাব্দীর বাঙালির জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম, তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়। যিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার, নাট্যকার, নাট্য পরিচালক, গীতিকার ও চলচ্চিত্রকার।
বাংলা সাহিত্যিক কিংবদন্তি প্রবাদ পুরুষ, নন্দিত কথাসাহিত্যিক, নির্মাণের মহান কারিগর হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত বর্তমান নেত্রকোনা জেলার (তৎকালীন মহকুমার) কেন্দুয়া উপজেলার কতুবপুর গ্রামের মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম কাজল। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি।
বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, আর মা ছিলেন গৃহিণী। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক জাফর ইকবাল তার ছোট ভাই। সবার ছোট ভাই আহসান হাবীব নামকরা কার্টুনিস্ট ও রম্যলেখক।
তার পিতার নাম ফয়েজুর রহমান। মা আয়েশা ফয়েজ। স্কুল জীবনে হুমায়ূন আহমেদকে পিতার চাকরিস্থলে কুমিল্লা, সিলেট, বগুড়া, পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন জেলায় বসবাস করতে হয়।
তার পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পিরোজপুর মহকুমায় কর্তব্যরত অবস্থায় শহীদ হন। তার বাবা পত্রপত্রিকায় লেখালেখি করতেন। বগুড়ায় চাকরিরত অবস্থায় তিনি একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন যার নাম ‘দ্বীপ নেভা যায়’। তার মার লেখালেখির অভ্যাস না থাকলেও তিনি একটি আত্মজীবনী গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যার নাম ‘জীবন যে রকম’।
পিতার সরকারি চাকরিসূত্রে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেছেন বিধায় হুমায়ূন আহমেদ দেশের বিভিন্ন স্কুলে লেখাপড়া করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি কৈশোর ও শৈশব অন্য আট দশজন সাধারণ বালকের মতো করেই উপভোগ করেছেন তার শৈশবকে। তার নিজের লেখা ‘কিছু শৈশব’ গ্রন্থ থেকে এর আঁচ করা যায়।
তিনি বগুড়া জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন এবং রাজশাহী বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি পরে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন বিজ্ঞান বিভাগে সেখানে ও তিনি কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নশাস্ত্রে অধ্যয়ন করেন এবং প্রথম শ্রেণীতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। পরে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পলিমার রসায়ন বিষয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
শিক্ষকতায় ছিলেন দীর্ঘদিন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ‘তোমাদের জন্য ভালোবাসা’ রচনা করেন। ছাত্র জীবনেই তার লেখালেখি শুরু।
১৯৭২ সালে তার প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশ পায়। তখন তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। এ বছরই প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘শঙ্খনীল কারাগার’। এই দুটি বই প্রকাশের পর হুমায়ূন আহমেদ একজন শক্তিশালী কথাশিল্পী হিসেবে পাঠকমহলে সমাদৃত হয়ে ওঠেন।
সেই থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার দুই শতাধিক বই প্রকাশিত হয়। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশক তিনি লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
লেখালেখিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় একসময় তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে দেন। শিক্ষক হিসেবে ছাত্রছাত্রীদের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন এই অধ্যাপক। শিল্প-সংস্কৃতির প্রসারে হুমায়ূন আহমেদ গাজিপুরে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ নুহাশ পল্লী ।’ এই প্রতিষ্ঠানই ছিল তার সকল কাজের আঙ্গিণা।
তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য টেলিভিশন ধারাবাহিক এবং টেলিফিল্ম রচনা শুরু করেন। এ সময়ে নির্মাণকৃত নাটকগুলো তাকে রাতারাতি দর্শকপ্রিয় করে তোলে।
সরকারি-বেসরকারি প্রায় সকল চ্যানেলের জন্য তিনি নাটক নির্মাণ করে গেছেন আজীবন। তার নাটকগুলো আজো দর্শকের হৃদয়ে দাগ কাটে।
১৯৯০-এর গোড়ার দিকে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তার পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র আগুনের পরশমনির মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। তারপর একে একে অনেক উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করে গেছেন। যা হলবিমুখ দর্শক তার ছবি দেখার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে। তার নির্মিত ছবিগুলোতে নিজের লেখা গানের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
তার লেখায় বাঙালি সমাজ ও জীবনধারার গল্পমালা ভিন্ন আঙ্গিকে এবং রসাত্বক ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। গল্প বলায় ভাষার ব্যবহারে নিজস্ব একটা কৌশল এবং বর্ণনায় লোকজধারাকে প্রাধান্য দেন। বাস্তবতা থেকেই উঠে এসেছে তার প্রতিটি সৃষ্টিকর্ম।
মানুষের মানচিত্রও উঠে এসেছে। বাংলা সাহিত্যের কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যে তাকে পথিকৃৎ বলেছেন সমোলোচকরা। তিনি উপন্যাস, গল্প, জীবনী, নাটক, চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার লেখা বেশ কয়েকটি উপন্যাস, কয়েকটি নাটক, কয়েকটি চলচ্চিত্র কালজয়ী কর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত দশকের একজন সৃষ্টিশীল ও জনপ্রিয় লেখক হচ্ছেন হুমায়ূন আহমেদ।
তিনি যে সকল উপন্যাস রচনা করেছেন তার মধ্যে সেই সময় কার তরুণ তরুণীর মনে ঠাঁই করে নিয়েছিল হিমু-রুপা আর মিসির আলীর মত চরিত্রগুলো।
তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বই হচ্ছে- হোটেল গ্রেভারইন, দেবী, কোথাও কেউ নেই, আগুনের পরশমনি, মধ্যাহ্ন, আমার আছে জল, লীলাবতী, হরতন ইস্কাপনসহ হিমুকে নিয়ে লেখা সিরিজ, মিসির আলী সিরিজ।
তার নির্মিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে শঙ্খনীল কারাগার, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, চন্দ্রকথা, নয় নম্বর বিপদ সংকেত, শ্যামল ছায়া।
হিমু-রুপা আর মিসির আলী চরিত্র ছাড়াও তিনি শুভ্র, শুভ্রা, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, আত্মজীবনী, প্রভৃতি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিচরণের সুবাদে পেয়েছেন বিভন্ন ধরনের জাতীয় ও সামাজিক সংগঠনের নানা পুরস্কার।
তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাংলা একাডেমি পুরস্কার, শিশু একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার, জয়নুল আবেদীন স্বর্ণপদক প্রভৃতি। এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিনের যৌথ উদ্যোগে হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
২০১১-এর সেপ্টেম্বর মাসে সিঙ্গাপুরে ডাক্তারি চিকিৎসার সময় তার দেহে মলাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়ে। শেষ মুহূর্তে শরীরের অজ্ঞাত ভাইরাস আক্রমণ করায় তার অবস্থা দ্রুত অবনতির দিকে চলে যায়। অতঃপর আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। সেখানে কৃত্রিম লাইভ সাপোর্টে রাখার পর ১৯ জুলাই ২০১২ সালে বাংলা সাহিত্যের এই সৃষ্টিশীল ও জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের লাখো কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে ।
তাকে তার গাজিপুরের প্রিয় নুহাশ পল্লীর লিচু তলায় দাফন করা হয়। তার মৃত্যুর ফলে বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে এক শূন্যতার সৃষ্টি হয় ।
চ্যানেল আই-এর আয়োজনে ‘হুমায়ূন মেলা’ : কথার জাদুকর হিসেবে তিনি ছিলেন কিংবদন্তী। বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে ধ্রুবতারা। তার বইয়ের ভাষায় মোহিত হননি এমন বাঙালি পাঠক পাওয়া যাবে না। তিনি সবার প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ। কিন্তু তাকে ছাড়াই আজ আরও একবার পালিত হবে তার জন্মদিন।
জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতা তেমন পছন্দ ছিল না হুমায়ূন আহমেদের। তবুও রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রিয়জনদের নিয়ে কাটতেন জন্মদিনের কেক। সকাল হলে ভক্তরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতেন প্রিয় লেখককে। এছাড়া দিনব্যাপী নানা আয়োজন তো থাকতই।
হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে আজ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। নুহাশ পল্লীতেও থাকছে বিশেষ অনুষ্ঠান। চ্যানেল আইয়ের আয়োজনে এসিআই পিওর সল্টের পৃষ্ঠপোষকতায় আজ চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘হুমায়ূন মেলা’।
আজ সোমবার বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে চ্যানেল আই চত্বরে দেশের বিভিন্ন অঙ্গণের বিশিষ্টজনেরা এ মেলার উদ্বোধন করবেন।
বিকেল ৩টায় তেজগাঁওস্থ চ্যানেল আই চত্বরে হুমায়ূন মেলা’র উদ্বোধন পর্বে উপস্থিত থাকবেন- নাট্যব্যক্তিত্ব, কবি-সাহিত্যিকসহ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা, চ্যানেল আই পরিচালকবৃন্দ, জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক ও হুমায়ূন আহমেদ পরিবারের সদস্যরা।
মেলায় থাকবে হুমায়ূন আহমেদের বই, চলচ্চিত্র, নাটকসহ তার কর্মজীবনের নানা সামগ্রীর স্টল। মেলা চলবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। মেলা প্রাঙ্গণ মঞ্চে পরিবেশিত হবে হুমায়ূন আহমেদের লেখা গান, নাচ, আবৃত্তি, স্মৃতিচারণ পর্ব ইত্যাদি।
মেলা সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই ও রেডিও ভূমি। চ্যানেল আই-এর দর্শকনন্দিত রিয়েলিটি শো সেরা কণ্ঠের শিল্পী রাফসান মান্নান, চম্পা বণিক ও বাংলার গানের শিল্পী শারমিন গাইবেন নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘গানে গানে সকাল শুরু’।
হুমায়ূন আহমেদের লেখা গানের এ অনুষ্ঠান চ্যানেল আই স্টুডিও থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রকাশকদের আয়োজনে বিকাল সাড়ে ৩টায় পাবলিক লাইব্রেরিতে শুরু হবে হুমায়ূন আহমেদের বই নিয়ে সাত দিনব্যাপী একক বইমেলা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
বিশেষ অতিথি থাকবেন হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও লেখকের অনুজ কার্টুনিস্ট লেখক আহসান হাবীব। এছাড়া বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলেও অনুষ্ঠিত হবে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনের নানা আয়োজন।
নুহাশ পল্লীতে নানা কর্মসূচি : গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, হুমায়ূন আহমেদের নিজ হাতে গড়া গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালিতে অবস্থিত স্বপ্নের নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের ৭০তম জন্মদিন পালন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রাত ১২টা ১ মিনিটে কেক কাটা, পুরো নুহাশ পল্লীকে আলোকসজ্জায় সজ্জিতকরণ ও মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ।
নুহাশ পল্লীর ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে নুহাশ পল্লীর পক্ষ থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হবে।
আজ সকালে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন তার ছেলে নিষাদ ও নিনিতকে নিয়ে নুহাশ পল্লীতে মরহুমের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
হুমায়ূন আহমেদের ভক্তদের সংগঠন হিমু পরিবহনের উদ্যোগে গাজীপুরে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
সকালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক ৩০ জনের একটি সাইকেল শোভাযাত্রা জেলা শহর থেকে নুহাশ পল্লীতে যাবে। পথে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে। সংগঠনের ১৫ সদস্যের অপর একটি দল ঢাকা থেকে খালি পায়ে হেঁটে নুহাশ পল্লীতে যাবে।