নির্ধারিত তারিখেই এফবিসিসিআই নির্বাচন

42

এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত তারিখেই হচ্ছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচন।

বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি (এফবিসিসিআই) হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে যে আপিল করেছিল, তার শুনানি করে প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

এফবিসিসিআইয়ের আপিল মঞ্জুর করে ভোট স্থগিতের আদেশ বাতিল করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।

আর যার আবেদনে ভোট স্থগিতের আদেশ এসেছিল, সেই ময়মনসিংহ চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীমকে ৩০ মের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে অর্ন্তভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

আদেশের পর এফবিসিসিআইয়ের আইনজীবী ব্যরিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এই আদেশের ফলে আগামী ১৪ মে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না।

আপিল বিভাগে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এফবিসিসিআই’র পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শেখ ফজল নূর তাপস ও ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম। আর রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত তফসিলে এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগ্রহীদের ১০ এপ্রিলের মধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে বলা হয়। ১৪ মে ভোটের পর নির্বাচিত পরিচালকদের বৈঠকে ১৬ মে সভাপতি, প্রথম সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচনের কথা বলা হয় সেখানে।

কিন্তু ময়মনসিংহ চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীম ভোট স্থগিতের আবেদন নিয়ে গত ২২ মার্চ হাইকোর্টে যান।

তার আবেদনে বলা হয়, নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক বিভাগ থেকে এফবিসিসিআই এর পরিচালক মনোনয়ন করতে হবে। ২০১৫ সালে ময়মনসিংহ বিভাগ হয়। ২০১৬ সালে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স তাদের অন্তর্ভুক্তির জন্য দরখাস্ত করে। কিন্তু গত এক বছরেও তা হয়নি।

ওই আবেদনের শুনানি করে এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচন দুই মাসের জন্য স্থগিত করে দেয় হাইকোর্ট।

ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিনুল হক শামীমের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেন।

এ আদেশ স্থগিত চেয়ে এফবিসিসিআই গত ২৩ মার্চ আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করে।

ওইদিন চেম্বার বিচারপতি সংগঠনটির নির্বাচনী কার্যক্রম চলমান থাকবে উল্লেখ করে আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান।

এর বিরুদ্ধে এফবিসিসিআই চেম্বার আদালতে গেলে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিষয়টি শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগে ওঠে এবং হাই কোর্টের স্থগিতাদেশ বাতিল হয়ে যায়।