পরবর্তী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২০ সালে

68

এমএনএ স্পোর্টস ডেস্ক : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসর আগামী বছর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। পিছিয়ে যাচ্ছে আরও দু’বছর। শীর্ষ দলগুলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ব্যস্ত থাকায় সপ্তম আসর ২০১৮ সালের পরিবর্তে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হবে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরবর্তী আসর ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মকর্তা ভারতীয় বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা সত্যি যে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০১৮ আসর আমরা বাদ দিচ্ছি। দেখুন, কোনো ভেন্যুর বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রথম কারণ হচ্ছে সদস্য দেশগুলো অনেক দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ব্যস্ত থাকবে। ২০১৮ সালে এ টুর্নামেন্ট আয়োজন সম্ভব নয়।’

সূত্রটি জানায়, ‘হ্যাঁ, ২০২০ সালে টুর্নামেন্ট মাঠে ফিরবে। ২০২০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের জন্য এখনও কোনো ভেন্যু ঠিক না হলেও সবচেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা দক্ষিণ আফ্রিকা অথবা অস্ট্রেলিয়ায়। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ছাড়াও আইসিসি’র বেশকিছু ইভেন্ট রয়েছে সেই সময়ে। সদস্য দেশগুলোও টুর্নামেন্ট পিছানোর পক্ষে।’

দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০০৭ সালে বসেছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসর। এরপর ইংল্যান্ড (২০০৯), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০১০), শ্রীলংকা (২০১২) এবং বাংলাদেশ (২০১৪) এবং ভারত (২০১৬) পরবর্তী আসরগুলো আয়োজন করেছিল। এবার এই ধারা থেকে সরে যাওয়ার পেছনে দুটো কারণ কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। এটা অত্যন্ত পরিষ্কার যে প্রায় সকল বোর্ডেরই নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লীগ রয়েছে। দলগুলো এই লীগকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চায় না। অপর কারণটি হচ্ছে বোর্ডগুলোর রাজস্ব আয়ের অধিকাংশ আসে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের প্রচার স্বত্ব থেকে। ফলে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কমাতেও সদস্য দেশগুলো রাজি থাকে না।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত না হলে সেটা আইসিসি’র জন্য একটা বিপর্যয় হবে কিনা- প্রশ্নের জবাবে সূত্র জানায়, ‘আদৌ তা নয়। বিশ্বে অনেক টি-টোয়েন্টি লীগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং ভক্তরা অনেক খেলা দেখতে পাবে।