প্রাথমিকে ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর বৃত্তি লাভ

38

এমএনএ ক্যাম্পাস রিপোর্ট : প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধা কোটায় বৃত্তি পেয়েছে ৩৩ হাজার আর সাধারণ কোটায় বৃত্তি পেয়েছে ৪৯ হাজার ৫০০।

আজ সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৬-এর ভিত্তিতে এ বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ উজ জামান উপস্থিত ছিলেন।

এবার মেধা কোটা (ট্যালেন্টপুল) ও সাধারণ কোটায় মোট ৮২ হাজার ৫শ’ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

এ সময় সাংবাদিকেরা জানতে চান, যেহেতু শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়েছে, তাহলে পঞ্চম শ্রেণি শেষে সমাপনী পরীক্ষা কত দিন চলবে?

জবাবে মন্ত্রী বলেন, যত দিন পর্যন্ত মন্ত্রিসভা বিষয়টি অনুমোদন না দেয়, তত দিন পর্যন্ত চলবে। যেহেতু মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা বলেছে, সুতরাং তাঁরা আশা করছেন—ওই সময়ের মধ্যে এটি হবে। মন্ত্রী বলেন, তাঁরা এটি বাস্তবায়নের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ২০১৫ সাল থেকে মেধাবৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। এরআগে মেধা কোটা ও সাধারণ কোটায় মোট ৫৫ হাজার শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হতো। এর মধ্যে মেধা কোটায় ২২ হাজার ও সাধারণ কোটায় ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী পেতো।

তিনি বলেন, বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি গত বছর থেকে বৃত্তির অর্থও বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে ট্যালেন্টপুলে ২শ’ ও সাধারণ কোটায় ১৫০ টাকা করে বৃত্তি দেয়া হতো। গত বছর থেকে শেখ হাসিনার সরকার ট্যালেন্টপুলে ৩শ’ ও সাধারণ কোটায় ২২৫ টাকা করে দিচ্ছে।

এ বছরও একই হারে বৃত্তি প্রদান করা হবে উল্লেখ করে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রাথমিকের এ শিক্ষার্থীরা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বৃত্তির এ সুবিধা পাবে।

সাধারণ কোটার বৃত্তি বন্টনের হিসেব উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের ৭ হাজার ৯৪৬টি ইউনিয়ন/পৌরসভার ওয়ার্ডের প্রতিটিতে ৬ জন (৩ জন ছাত্র ও ৩ জন ছাত্রী) করে মোট ৪৭ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থীকে সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১ হাজার ৮২৪টি বৃত্তি থেকে প্রতিটি উপজেলা/থানায় ৩ জন (১ জন ছাত্র, ১ জন ছাত্রী ও ১ জন উপজেলা মেধার ভিত্তিতে) করে মোট ৫০৯টি উপজেলা/থানায় ১ হাজার ৫২৭ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। সাধারণ বৃত্তির কোটা পূরণ করতে আবার প্রতিটি জেলায় আরো ৪ জন (২ ছাত্র ও ২ জন ছাত্রী) করে ৬৪ জেলায় আরো ২৫৬ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

বৃত্তির এ ফলাফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।