ভারতকে গুঁড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

92

এমএনএ স্পোর্টস ডেস্ক : চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারতকে গুঁড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের ফেবারিটরা অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে। পাকিস্তানের কাছে ১৮০ রানের রেকর্ড ব্যবধান হেরেছে ভারত। প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতে নিল পাকিস্তান। এই জয়ে ট্রেবল পূর্ণ হলো তাদের।

এর আগে ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপ, ২০০৯ সালে ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি জিতেছিল তারা। এবার জিতল আইসিসের আরেকটি টুর্নামেন্ট। আইসিসির তিন টুর্নামেন্টের সব কটি জেতার কীর্তি ছিল কেবল ভারত ও শ্রীলঙ্কার।

টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান ৩৩৮ রানের পাহাড় গড়ার পর আলোচনায় চলে আসে ২০০৩ বিশ্বকাপের স্মৃতি। সেবার দুর্দান্ত খেলে ফাইনালে আসা ভারতের বিপক্ষে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৫৯ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপরই ভারতের বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইন হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে অজিদের সামনে।

১৪ বছর পর আইসিসির ইভেন্টের আরেকটি ফাইনালে একই পরিণতি বরণ করতে হলো টিম ইন্ডিয়াকে। এবার প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া নয়; পাকিস্তান। আজ রবিবার লন্ডনে হাইভোল্টেজ ফাইনালে ভারতকে ১৮০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জয় করে পাকিস্তান।

লন্ডনের কেনিংটন ওভালে টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বিরাট কোহলি। ফখর জামান ও আজহার আলির মধ্যকার সেঞ্চুরি জুটির ওপর ভর করে মজবুত ভিত পায় সরফরাজের দল। এরপর অন্যান্যদের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৩৮ রানের পাহাড় গড়ে পাকিস্তান।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মোহাম্মদ আমিরের বোলিং তোপে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনের কোমড় ভেঙে যায়। সেখান থেকে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। ৩০.৩ ওভারে ১৫৮ রানেই গুটিয়ে যায় বিরাট কোহলির দল।

২০০৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১২৫ রানে হেরেছিল ভারত। তবে এবার ব্যবধানটা আরো বেশি। বলতে গেলে ভারতকে নিয়ে ছেলেখেলাই করেছে টিম পাকিস্তান। বলে রাখা ভালো, আইসিসির ইভেন্টের কোনো ফাইনালে এটাই কোনো দলের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের লজ্জার রেকর্ড। পেছনে পড়ে যায় ২০০৩ বিশ্বকাপের ফাইনাল।

ভারতের হয়ে যা একটু লড়াই করেন হার্দিক পান্ডিয়া। সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৩ বলে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কায় সাহায্যে ৭৬ রানের দর্শনীয় ইনিংস খেলেন এই স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান। শিখর ধাওয়ান ২১ এবং যুবরাজ সিং ২২ রান করে আউট হন। রোহিত শর্মা (০), বিরাট কোহলি (৫), এমএস ধোনি (৪), কেদার যাদবরা (৯) ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থ হন।

পাকিস্তানের হয়ে আমির ও হাসান আলি তিনটি করে উইকেট নেন। এছাড়া শাদাব খান দুটি ও জুনায়েদ খান নেন একটি উইকেট।

৩৩৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় ভারত। মোহাম্মদ আমিরের করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে দারুণ ইনসুইংয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন রোহিত। সঙ্গী শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে পরামর্শ করে রিভিউ না নিয়েই সাজঘরের দিকে হাঁটা দেন ভারতীয় ওপেনার।

প্রথম ওভারে রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ভারত তাকিয়ে ছিল রান তাড়ায় ‘মাস্টার’ কোহলির দিকে। কিন্তু দলকে চরম হতাশ করেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক। আমিরের করা তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আজহার আলির ‘বদান্যতায়’ বেঁচে যান কোহলি। কিন্তু পরের বলেই পয়েন্টে শাদাব খানের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে দলকে বিপদে ফেলে সাজঘরে ফেরেন কোহলি।

শুরুতেই ২ উইকেট হারানোর পর ধাওয়ান ও যুবরাজের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল ভারত। কিন্তু সেই স্বপ্নে হানা দেন আমির। এই পাকিস্তানি পেসারের করা নবম ওভারের শেষ বলে ধাওয়ানের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটের পেছনে সরফরাজের হাতে বল জমা পড়লে ব্যাকফুটে চলে যায় টিম ইন্ডিয়া।

এরপর যুবরাজ ও ধোনি মিলে ইনিংস মেরামতে মনোযোগী হয়ে উঠেন। তবে শাদাবের করা ১৩তম ওভারের শেষ বলে যুবরাজ ফিরে গেলে বড় ধরনের ধাক্কা খায় ভারত। আম্পায়ার প্রথমে লেগ বিফোরের আবেদনে সাড়া না দিলে শাদাব সঙ্গে সঙ্গেই সরফরাজকে রিভিউ নেয়ার জন্য তাড়া দেন। রিভিউতে লেগ বিফোরের সিদ্ধান্ত আসলে কোণঠাসা হয়ে টিম ইন্ডিয়া।

ভারতের শেষ আশা-ভরসা হয়ে টিকে ছিলেন ধোনি। তবে পরের ওভারে তিনিও পথ ধরেন সাজঘরের। হাসান আলির করা ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে ইমাদ ওয়াসিমের দুর্দান্ত ক্যাচের শিকার হয়ে দলকে চরম বিপদে ফেলে সাজঘরের পথ ধরেন ধোনি। আর তাতেই ম্যাচের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্তান। এরপর দলীয় ৭২ রানের মাথায় শাদাবের করা ১৭তম ওভারের শেষ বলে কেদার যাদব আকাশে বল তুলে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরলে চরম লজ্জার মুখে পড়ে ভারত।

সপ্তম উইকেটে দারুণ প্রতিরোধ গড়েছিলেন পান্ডিয়া ও জাদেজা। এই দুজন ৫৭ বলে ৮০ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন। কিন্তু দলীয় ১৫২ রানের মাথায় জাদেজার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে পান্ডিয়া রানআউট হয়ে ফিরে গেলে ভারতের প্রতিরোধ ভেঙে যায়। এরপর দলীয় ১৫৬ রানের মাথায় পরপর জাদেজা ও অশ্বিন আউট হয়ে ফিরে গেলে ভারতের বড় হার সময়ের ব্যাপারে পরিণত হয়। হাসানের করা ৩১তম ওভারের তৃতীয় বলে জসপ্রিত বুমরাহ ক্যাচ তুলে দিয়ে বিজয়োৎসবে মেতে ওঠে পাকিস্তান।

আজও ম্যাচ নিয়ে কিছুটা আগ্রহ জন্মাচ্ছিলেন পান্ডিয়া। ম্যাচের ফল নিয়ে নয়, ব্যবধান কত কমিয়ে আনতে পারেন কিংবা দ্রুততম সেঞ্চুরির ভারতীয় রেকর্ড গড়তে পারেন কি না, তা নিয়ে! ৩৩৯ রানের লক্ষ্যে যে কোমর ভেঙে পড়েছিল ভারতের বিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপ। পান্ডিয়া উইকেটে আসার আগেই যে ভারতের স্কোর ৫ উইকেটে ৫৪! ইনিংসের তখন সবে ১৪ ওভার চলছে!

ইনিংসের তৃতীয় বলে রোহিত শর্মাকে এলবিডব্লিউ করলেন আমির। লেগ স্টাম্পে পড়া বলটি কখন যে তাঁর প্যাডে আঘাত হানল টেরই পেলেন না রোহিত। শূন্য রানেই প্রথম উইকেট হারাল ভারত। পরের ওভারেই আউট বিরাট কোহলি। ওভারের দ্বিতীয় বলে দুর্দান্ত এক ইনসুইঙ্গার। পরের বলটি উল্টো দিকে যাওয়ায়, কোহলির ব্যাটের কানা ছুঁয়ে গেল। সে ক্যাচ ফেলে দিলেন আজহার আলী! রাগে দুঃখে গজরাতে গজরাতে আরেকটি আগুনের গোলা আমিরের।

আবারও ব্যাটের কানা লেগে বল ছুটল পয়েন্টে। শাদাব খানের হাতে জমা পড়ল সে বল। আর আগুন ঝরানো সে স্পেল পূর্ণতা পেল নবম ওভারে। পাল্টা আক্রমণ করতে থাকা ধাওয়ানকে দারুণ এক আউট সুইঙ্গারে অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের ক্যাচ বানালেন। আর ঠিক ৫৪ রানেই ফিরেছেন যুবরাজ সিং ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। ইনিংসের এক-তৃতীয়াংশ পেরোনোর আগে থেকেই ক্ষণগণনা শুরু হলো ভারতের হারের!

৭২ রানে কেদার যাদব আউট হওয়ার পর দর্শকেরা আনন্দের খোরাক পেলেন। পান্ডিয়ার ধুন্ধুমার ব্যাটিং এনে দিয়েছিলে সে উপলক্ষ। রবীন্দ্র জাদেজাকে নিয়ে ৯.৩ ওভারেই ৮০ রানের জুটিতে অসম্ভব এক স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছিলেন পান্ডিয়া। একের পর এক ছক্কায় গ্যালারি মাতাচ্ছিলেন আর একটু করে দীর্ঘশ্বাস ছড়াচ্ছিলেন, যদি এটা শুরুতে কেউ দেখাতে পারতেন! কিন্তু সেটাও খুব বেশিক্ষণ উপভোগ করা যায়নি, জাদেজার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট পান্ডিয়া। ঠিক ২০০৩ সালের শেবাগের মতোই! ৪৩ বলে চার চার ও ছয় ছক্কার ইনিংসটি থেমে গেল ৭৬ রানে। দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হয়ে।

১৫২ রানে পান্ডিয়া ফেরার পর দীর্ঘ হয়নি ভারতের ইনিংস। ৬ রানে শেষ ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানেই অলআউট ভারত। চার দশকের বেশি সময়ে পাকিস্তানের কাছে সর্বোচ্চ ১৫৯ রানে হারার রেকর্ড ছিল ভারতের। সে রেকর্ডকে নতুন করে লেখার জন্য বড় ভুল দিনই বেছে নিয়েছিল ভারত!

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ২৬৪ রানের বেশি তাড়া করার রেকর্ডই ছিল না। নতুন ইতিহাসের কীর্তি গড়ার ধারেকাছেও গেল না ভারত। বরং বরণ করে নিতে চাইল লজ্জার এক রেকর্ড!

এর আগে টপ ও মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় ৩৩৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে পাকিস্তান। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ম্যাচে প্রথম সেঞ্চুরি করা ফখর ১০৬ বলে ১২টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১১৪ রানের ঝলমলে ইনিংস উপহার দেন। তার ওপেনিংয়ের সঙ্গী আজহার রানআউট হওয়ার আগে ৭১ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৫৯ রান করেন। এছাড়া বাবর আজম ৫২ বলে ৪৬ এবং হাফিজ ৩৭ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে করেন ৫৭ রান।

ভারতের হয়ে একটি করে উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, হার্দিক পান্ডিয়া ও কেদার যাদব।

উদ্বোধনী জুটিতে ফখর ও আজহার মিলে পাকিস্তানকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন। দলীয় ১২৮ রানের মাথায় ফখরের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন আজহার আলি।

তবে আজহার ফেরার পরই যেন আরো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেন ফখর। একসময় ৭৮ বলে মাত্র ৬১ রান ছিল এই পাকিস্তানি ওপেনারের। এরপরই যেন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন ফখর। দুর্দান্ত সব শটস খেলে ৯২ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

সেঞ্চুরির কিছুক্ষণ পর দলীয় ২০০ রানের মাথায় ফখর আউট হওয়ার পরও দমে যায়নি পাকিস্তান। তৃতীয় উইকেটে শোয়েব মালিক-বাবর মিলে ৪৭ রানের দায়িত্বশীল জুটি গড়ে দলকে কক্ষপথেই রাখেন।

তবে দলীয় ২৪৭ রানের মাথায় মালিক এবং দলীয় ২৬৭ রানের মাথায় বাবরকে আউট করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। তবে পঞ্চম উইকেটে ইমাদ-হাফিজ মিলে ৪৫ বলে ৭১ রানের অবিচ্ছিন্ন দারুণ এক জুটি গড়ে পাকিস্তানকে ঠিকই রানের পাহাড় এনে দেন।

প্রথম ইনিংস শেষে পরিসংখ্যান নিয়ে অনেকেই মাতামাতি করেছে। যা বিশ্লেষন করলে দেখা যায় ভারতের বিপক্ষে এর আগে সর্বোচ্চ ৩২৯ রান করেও হেরেছিল পাকিস্তান। ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ম্যাচে ঢাকায় পাকিস্তানের ৩২৯ রান তাড়া করে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। অবশ্য এর আগে ২০০৪ সালে ভারতে বিপক্ষে ৩২৯ রান করে শেষ হাসি হেসেছে পাকিস্তানই।

আজকের দিনটি যে শুধুই পাকিস্তানের তা ওভালের ইতিহাসও সাক্ষী দেয়। কেনিংটন ওভালে সর্বোচ্চ ৩২২ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড রয়েছে। চলমান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে ৩২২ রান তাড়া করে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। ওভালে ৩০০ প্লাস রান তাড়া করে জয়ের আর মাত্র তিনটি উদাহরণ রয়েছে। তবে কোনো দলই ৩২২ রানের বেশি তাড়া করে জিততে পারেনি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কোনো দল সর্বোচ্চ ৩২২ রান তাড়া করে জিতেছিল (ভারতের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা)। তাই আজ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানকে হারাতে হলে আরেকটি নতুন ইতিহাসই গড়তে হতো কোহলির দলকে। যা পরিসংখ্যানের ভাষায় ছিল অত্যন্ত দূরহ এবং অসম্ভব। খেলা শেষে ইতিহাস আর পরিসংখ্যানের জয় হয়েছে।

ভারতীয় একাদশ: রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, এমএস ধোনি, কেদার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ভুবনেশ্বর কুমার ও জসপ্রিত বুমরাহ।

পাকিস্তান একাদশ: আজহার আলি, ফখর জামান, বাবর আজম, মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, সরফরাজ আহমেদ, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ আমির, শাদাব খান, হাসান আলি ও জুনায়েদ খান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

পাকিস্তান : ৫০ ওভারে ৩৩৮/৪ (আজহার ৫৯, জামান ১১৪, বাবর ৪৬, মালিক ১২, হাফিজ ৫৭*, ওয়াসিম ২৫*; ভুবনেশ্বর ১/৪৪, বুমরাহ ০/৬৮, অশ্বিন ০/৭০, পান্ডিয়া ১/৫৩, জাদেজা ০/৬৭, কেদার ১/২৭)

ভারত : ৩০.৩ ওভারে ১৫৮ (রোহিত ০, ধাওয়ান ২১, কোহলি ৫, যুবরাজ ২২, ধোনি ৪, কেদার ৯, পান্ডিয়া ৭৬, জাদেজা ১৫, অশ্বিন ১, ভুবনেশ্বর ১*, বুমরাহ ১; আমির ৩/১৬, জুনায়েদ ১/২০, হাফিজ ০/১৩, হাসান ৩/১৯, শাদাব ২/৬০, ওয়াসিম ০/৩, জামান ০/২৫)

এক নজরে ভারতের ব্যাটিং পরিসংখ্যান
রান বল
রোহিত এলবিডব্লু ব আমির
ধাওয়ান ক সরফরাজ ব আমির ২১ ২২
কোহলি ক শাদাব ব আমির
যুবরাজ এলবিডব্লু ব শাদাব ২২ ৩১
ধোনি ক ইমাদ ব হাসান ১৬
কেদার ক সরফরাজ ব শাদাব ১৩
পান্ডিয়া রানআউট ৭৬ ৪৩
জাদেজা ক আজম ব জুনাইদ ১৫ ২৬
অশ্বিন ক সরফরাজ ব হাসান
ভুবনেশ্বর অপরাজিত
বুমরা ক সরফরাজ ব হাসান
অতিরিক্ত (লেবা ২, ও ১)
মোট (৩০.৩ ওভারে অলআউট) ১৫৮
উইকেট পতন : ১-০ (রোহিত, ০.৩), ২-৬ (কোহলি, ২.৪), ৩-৩৩ (ধাওয়ান, ৮.৬), ৪-৫৪ (যুবরাজ, ১২.৬), ৫-৫৪ (ধোনি, ১৩.৩), ৬-৭২ (কেদার, ১৬.৬), ৭-১৫২ (পান্ডিয়া, ২৬.৩), ৮-১৫৬ (জাদেজা, ২৭.৩), ৯-১৫৬ (অশ্বিন, ২৮.১), ১০-১৫৮ (বুমরা, ৩০.৩)।
বোলিং: আমির ৬-২-১৬-৩, জুনাইদ ৬-১-২০-১ (ও ১), হাফিজ ১-০-১৩-০, হাসান ৬.৩-১-১৯-৩, শাদাব ৭-০-৬০-২, ওয়াসিম ০.৩-০-৩-০, জামান ৩.৩-০-২৫-০।
ফল : পাকিস্তান ১৮০ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : ফখর জামান।
ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট : হাসান আলী (৫ ম্যাচে ৪৪.৩ ওভার বোলিং করে ১৯১ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ১৩ উইকেট নিয়েছেন এই পাকিস্তানি পেসার। ওভারপ্রতি ৪.২৯ রান দিয়ে ১৪.৬৯ গড়ে উইকেটগুলো নেন হাসান।)।