রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ ভয়াবহ!

এমএনএ রিপোর্ট : রাজধানীতে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। গত বছরের তুলনায় রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ এবার ভয়াবহ। গত বছরের তুলনায় শুধু জুন মাসে ৫ গুণেরও বেশি ডেঙ্গু আক্রমণ করেছে। ইতোমধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিন জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে একজন চিকিৎসকও রয়েছেন।

গত ৩ জুলাই, বুধবার সকালে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ডা. নিগার নাহিদ। মাত্র দুই দিনের জ্বরেই তার মৃত্যু হয়। ডা. নিগার নাহিদ কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ডেঙ্গুর প্রকোপ এবার গত তিন বছরের তুলনায় অনেক গুণে বেশি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এবার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। ডেঙ্গুর বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত রোগ। এই রোগ এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। সাধারণত এপ্রিল–জুন মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরে। এরপর কমতে থাকে ডেঙ্গুর আক্রমণ।

গত ১ জুলাই থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৭৪৬ জন অর্থাৎ বর্তমানে গড়ে প্রতি ঘণ্টায় পাঁচজনের বেশি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

চলতি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিগার নাহিদ দিপু (৪২) নামে এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়। মাত্র দু’দিনের জ্বরে একজন চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় ডেঙ্গু নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ২ হাজার ৬৬৪ জন। এরমধ্যে জানুয়ারিতে ৩৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মে মাসে ১৯৩, জুন ১ হাজার ৭২১ এবং সর্বশেষ ৬ জুলাই পর্যন্ত ৭৪৬ জন আক্রান্ত হন। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এপ্রিলে দু’জন ও জুলাই মাসে একজনসহ মোট তিনজনের মৃত্যু হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০৮ জন। মোট আক্রান্ত রোগীর মধ্যে বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৩৬০ জন।

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। চলতি বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও বাড়তে পারে- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে জ্বর আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি ডেঙ্গু মশার প্রজনন স্থল বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় মাইকিং করে এবং এলাকায় মসজিদে জুমার নামাজে ইমামদের মাধ্যমে এডিস মশার কবল থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের ব্যাপারে অবহিত করার কর্মসূচি চলছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক সানিয়া তাহমিনা বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচতে হলে ডেঙ্গু মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করতে হবে। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে অধিক সচেতন হতে হবে।’

তিনি জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বর্ষা মৌসুমের আগে গত মার্চ মাসে রাজধানীর ১০০টি ওয়ার্ডে মশক জরিপ পরিচালনা করে। সেখানে দেখা গেছে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরে জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বালতি, অব্যবহৃত টায়ার, প্লাস্টিক ড্রাম, পানির ট্যাংক, পানির মিটারের গর্ত, চিত্রাঙ্কনের জন্য ব্যবহৃত পাত্র এডিস মশার উৎকৃষ্ট প্রজনন স্থল। বেখেয়ালে এ সব পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা বংশ বিস্তার করে। নগরবাসীর যদি নিজ বাড়ি ও বাসার সামনে এ ধরনের পাত্রে পানি জমতে না দেয় তবে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ হবে।

তিনি আরও জানান, ‘জরিপে তারা দেখেছেন ঢাকায় বাসাবাড়িতে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার জীবাণুবাহী এডিস মশা জন্মের হার বাড়ছে এবং এর ফলে এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ আগের চেয়ে বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা বছরে তিনবার এই জরিপ করি; একটা বর্ষা শুরু হবার আগে, একটি বর্ষা মৌসুমে এবং আরেকটি বর্ষার পরে। মার্চে যে প্রি-মনসুন (বর্ষার আগে) জরিপ চালিয়েছি তাতে দেখা গেছে, এডিস মশার লার্ভার ঘনত্বের সূচক ঢাকায় এখন ২২ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘এই সূচকের মানে হলো, এডিস মশার প্রতি একশটি প্রজনন উৎসের মধ্যে কতটিতে এডিস মশার লার্ভা রয়েছে। এখন যদি ২০টিতে মশার লার্ভা পাওয়া যায় তাহলে সেটাকে বিপজ্জনক বলে ধরা হয়। জরিপে সেটা ২২ শতাংশ, মানে এটা এখন বিপজ্জনক সীমারও বেশি। আর যেহেতু এই জরিপ বর্ষা শুরুর আগে, ফলে বর্ষা শুরু হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার খুবই আশংকা রয়েছে।’

ডেঙ্গু এবার আলোচিত বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘সেজন্য সিটি করপোরেশনকে চার ভাগে ভাগ করে প্রত্যেক ভাগে সাতজন করে মোট ২৮ জন কমিউনিটি অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দিয়েছি। যাদের কাজ হবে কোন কোন এলাকায় মশার উপদ্রব বাড়ছে, কোথায় ওষুধ ছিটানো লাগবে, এসব চিহ্নিত করা। সেসব এলাকায় মশক নিধনকর্মী পাঠানো। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন ও খালগুলো নিয়মিত পরিষ্কারকরণ এবং মশক নিধনে কার্যকর পদেক্ষেপ গ্রহণ বিষয়ক এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ‘দক্ষিণের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। তারপরও ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে ১৫০টি মেডিকেল টিমও গঠন করেছি। ১৫ জুলাই থেকে তারা কাজ শুরু করবেন। এরা রোগীর বাড়িতে-বাড়িতে যাবেন। বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবেন। প্রয়োজনে হাসপাতালে পাঠাবেন। সিটি করেপারেশন হাসপাতালের সব খরচও বহন করবে।’

সাঈদ খোকন আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু এবার আলোচিত বিষয়। উপদ্রবও বেড়েছে। এ কারণে আমরা রুটিং ওয়ার্কের বাইরেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ কার্যক্রম চালু করেছি। আমরা মনে করি, কার্যক্রম এবং উদ্যোগের সঙ্গে জনসচেতনতা এক করতে পারি, তাহলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সহজ। এ ব্যাপারে হটলাইন চালু করা হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘হটলাইনের মাধ্যমে ডেঙ্গুর খবর পেলে সেখানে চিকিৎসক পাঠানো হবে।’

ডেঙ্গুর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি দাবি করে মেয়র বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না। ক্ল্যাসিক্যাল ডেঙ্গু হলে ৭-১০ দিনে সুস্থ হওয়া যায়। ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ২১শ। এর মধ্যে ১৮৭৫ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। মাত্র ৩শ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মারা গেছেন মাত্র ২ জন।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ চ্যালেঞ্জ। জনগণকে সম্পৃক্ত করে মশা নিধন করব। প্রতি ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে, মহল্লায়-মহল্লায় মশক নিধনকর্মীর মোবাইল নম্বরসহ চটি বই বিতরণ করব। ওয়েবসাইটেও মশক নিধনকর্মীদের তথ্য দেওয়া থাকবে।’

উত্তর সিটি করপোরেশনে মশার ওষুধ সরবরাহকারী দি লিমিট এগ্রো প্রোডাক্টকে কালোতালিকাভুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিন বার পরীক্ষা করে প্রমাণিত হয়েছে তাদের ওষুধ ভালো না। তারা আর টেন্ডারে অংশ নিতে পারবে না। আগামীতে ডব্লিউএইচও অনুমোদিত ওষুধ কিনব।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাপসাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। কীভাবে চিকিৎসা দিতে হবে তার দিকনির্দেশাও (গাইডলাইন) দেওয়া আছে। ডেঙ্গুর বিষয়ে সবার সতর্ক থাকতে হবে। জ্বর না কমলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, ডেঙ্গু জ্বর থেকে রক্ষা পেতে হলে এডিস মশা নিধনের কোনো বিকল্প নেই। ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। যাদের একাধিকবার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে তাদের ঝুঁকি বেশি। জ্বর আসলে শুধু প্যারাসিটামল ওষুধ খেতে হবে। ডেঙ্গুর জীবাণু এডিস মশা দ্বারা বাহিত হয়। এ জাতীয় মশা সাধারণত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থির এবং স্বল্প গভীর জলাধারে বংশবিস্তার করে। এ ছাড়া বাসাবাড়ি ও আঙিনায় জমে থাকা পরিষ্কার পানি, যেমন ফুলের টব, এয়ারকুলার বা ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি, ফেলে দেওয়া ডাব বা নারিকেলের খোসা, টিনের কনটেইনার, গাড়ির টায়ার ইত্যাদির মধ্যে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। মশাটি শুধু দিনের বেলায় গোধূলিলগ্নেই কামড়ে থাকে। এটি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। একমাত্র সংক্রমিত মশা কামড়ালেই রোগটি হয়।’

ডেঙ্গু জ্বর কখন হয়, কীভাবে হয়?

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে। এ সময়ে জ্বর বা গায়ে ব্যথা হলে ডেঙ্গুর কথা মাথায় রাখতে হবে। সাধারণ ডেঙ্গু জ্বর তেমন মারাত্মক রোগ নয়। এ থেকে মৃত্যুহার ১ শতাংশেরও কম। তবে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার ও ডেঙ্গু শক সিনড্রোম প্রাণঘাতী হতে পারে বলে জানান তারা।

সাধারণ ডেঙ্গু জ্বরের রোগীর যখন বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ রক্তপাতের প্রমাণ মেলে (যেমন মাড়ি বা নাক থেকে রক্তক্ষরণ, মলের সঙ্গে রক্তক্ষরণ ইত্যাদি) তখন একে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বলা হয়। অধিক রক্তক্ষরণের ফলে শরীরের জলীয় উপাদান কমে যায়। এতে রক্তচাপ কমে। এটাই ডেঙ্গু শক সিনড্রোম।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, একবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে আর ডেঙ্গু হয় না—এমন ধারণাটা ঠিক নয়। ডেঙ্গু পরবর্তী সংক্রমণ সাধারণত আগের তুলনায় তীব্র হয়। শুরু থেকে সতর্ক থাকলে শক সিনড্রোমও প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ডেঙ্গু হলে প্রতিকার পাবেন যেভাবে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু আক্রান্তদের সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে। এ ছাড়া যথেষ্ট পরিমাণে পানি, শরবত ও অন্যান্য তরল খাবার খেতে হবে। জ্বর কমানোর জন্য শুধু প্যারাসিটামল জাতীয় ব্যথার ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। তবে অ্যাসপিরিন বা ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ব্যথার ওষুধ খাওয়া যাবে না। এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

x

Check Also

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস আজ

এমএনএ রিপোর্ট : আজ মঙ্গলবার যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। ১৯৯৯ সালের ১৯ ...

Scroll Up