শহীদ দিবসে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

এমএনএ রিপোর্ট : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ ডক্টর সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জামাল আহমেদ এর নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুদ্দিন চৌধুরী ফেরদৌস, কেন্দ্রীয় সহ সম্পাদক প্রকৌ.মো. মাসুম জাহিদ মাসুদ, সহ সম্পাদক সাংবাদিক ফেরদৌস রহমান রুপক, সহ সম্পাদক আল মামুন টিটু, সহ-সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, সহ-সম্পাদক তুষার আব্দুল্লাহ, কেন্দ্রীয় নেতা কৃষিবিদ হাসান রুহি, কৃষিবিদ ইয়াসিন আলি, ঢাকা বিভাগের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম সহ ঢাকা বিভাগ, ঢাকা মহানগর এবং ঢাকা জেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
এর আগে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একুশের প্রথম প্রহরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা জানানোর পর ১২টা ১৮ মিনিটে সর্বসাধরণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় শহীদ মিনার।
প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্টপতির ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করে একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ও সিন্ডিকেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে ওয়াকার্স পার্টি, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আসিফ ত্বাসীন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান নয়নের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, দিলীপ বড়ুয়ার নেতৃত্বে জাতীয় সম্যবাদী দল।
শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর লক্ষ্যে শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশের প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে পলাশী পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মহান ভাষা আন্দোলনে শহীদদের প্রতি হৃদয় নিংরানো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের লক্ষ্যে শহীদ মিনারের দিকে ধীরলয়ে এগিয়ে আসছে। এতে শামিল হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৫২ সালের এদিন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন দামাল ছেলেরা। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা পেয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি।
এরপর থেকে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়ে আসছে দিনটি। পরবর্তীতে ২১শে ফেব্রুয়ারি পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার দিবসের স্বীকৃতি।
১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) ২১শে ফেব্রুয়ারিকে এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়। পরের বছর অর্থাৎ ২০০০ সাল থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে একযোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে দিবসটি।