স্থিতিশীলতার আভাসে ক্রয় প্রবণতা বৃদ্ধি

41

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্ক : পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার আভাস ফের মিলছে। কারণ, গত বুধ ও বৃহস্পতিবার প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় পুঁজি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রয়ের চেয়ে ক্রয়ের প্রবণতা বেশি ছিল। আবারো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারমুখী হচ্ছেন।

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট মহলের নেয়া নমনীয় সিদ্ধান্তের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ধীরে ধীরে স্বস্থি ফিরতে শুরু করেছে। এরই ধারবাহিকতায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারমুখী হয়েছেন।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার ক্রয়ের ঝোঁক সপ্তাহের শেষের দিকে লক্ষা করা যায়। তাই শেষ দিকে গত বৃহস্পতিবার বাজারে ক্রয় চাপ বেড়ে যায় এবং সূচকে উত্থান ঘটে। একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এমন মন্তব্য করেন।

বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ডিএসইর সাবেক সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, পুঁজিবাজার স্বাভাবিক গতিতে চলতে শুরু করছে। মুদ্রানীতি ঘোষণার পর বিনিয়োগকারীদের মাঝে এক ধরণের আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। যে কারণে বিক্রির চাপে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এখন সেটা কেটে গেছ। ফের চাঙ্গাভাবে ফিরেছে। আগামীতেও বাজারে তেজিভাব থাকবে বলেই মনে হচ্ছে।

কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলো ভালো। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল। সরকারের মনোভাবও ইতিবাচক। সবকিছু মিলিয়েই বাজার ভালোর দিকে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয়। তাদের সক্রিয়তার কারণে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার লেনদেন বাড়ছে। এটা বাজারের জন্য ভাল দিক।

এম সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী নুরুল আজম বলেন, দেশের অর্থনীতি সহ পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি ইতিবাচক। সুতরাং বাজার সামনের দিকে আরো ভাল হবে। তাছাড়া এখন পুঁজিবাজারের জন্য একটি আদর্শ অবস্থা বিরাজ করছে। সব ঠিক থাকলে বাজার ভবিষ্যতে ভাল হওয়ার কথা।

তিনি বলেন, এখন দরকার বাজারে ভালো কোম্পানি আইপিও। এ ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভেবে দেখা উচিৎ।

তিনি আরো বলেন, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে পুঁজিবাজারের নীতি নির্ধারকদের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। হুটহাট সিদ্ধান্ত নিলে বাজারের জন্য ক্ষতি বয়ে আনে।