৩ দিনের সফরে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

20
এমএনএ রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অষ্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সামিট অন ওমেন’ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৩ দিনের সরকারি সফরে অষ্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন।
এই সফরেই প্রধানমন্ত্রী মর্যাদাপূর্ণ ‘গ্লোবাল ওমেন’স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮’ তে ভূষিত হবেন।
৬ থেকে ২৮ এপ্রিল সিডনিতে থাকবেন শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে থাই এয়ারওয়জের একটি বিমানে করে অষ্ট্রেলিয়ার সিডনির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং ব্যাংককে যাত্রাবিরতির পর বিমানটির স্থানীয় সময় ২৭ এপ্রিল সকালে সিডনি পৌঁছার কথা রয়েছে।
সফরের প্রথম দিন সকালেই অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়াও ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ত্রান দাই কুয়াংয়ের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হবে।
ওইদিন সন্ধ্যায় সিডনির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হবে।
গ্লোবাল ওমেন সামিট বিশ্বব্যাপী নারী নেতৃবৃন্দের ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক বিষয়াবলী সংক্রান্ত একটি বাৎসরিক সম্মেলন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) একটি সূত্র জানায়, এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় নারীদের সম্পৃক্তকরণে তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরবেন।
সেখানে তিনি নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নে তাদের মূলধারায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তার সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে বক্তব্য দেবেন।
বাংলাদেশসহ এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নারী শিক্ষা ও ব্যবসায়িক উদ্যোগের বিষয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গ্লোবাল সামিট অব উইমেন এই পুরস্কার দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তার এই সফরকালে ২৮ এপ্রিল অষ্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সিডনিতে অষ্ট্রেলীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
শেখ হাসিনা ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন এবং ২৮ এপ্রিল হোটেল সোফিটেল-এ একটি পাবলিক ফাংশনে যোগ দেবেন।
পরে সন্ধ্যায় সিডনির সোফেটেল হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।
তিনি আগামী ২৯ এপ্রিল দেশের উদ্দেশ্যে অষ্ট্রেলিয়া ত্যাগ করবেন এবং পরদিন দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বলেছেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় শিক্ষা, ক্রীড়া, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, কৃষি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রাধান্য পাবে।