৪৮ বছরেও বীর মুক্তিযোদ্ধা পাননি চলাচলের রাস্তা

এমএনএ জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে যিনি জীবনের মায়া ত্যাগ করে একটি লাল সবুজের পতাকার জন্য যুদ্ধ করে ছিলেন। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও চলাচলের জন্য মিলেনি একটি রাস্তা।

অত্যন্ত কষ্টের সহিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘দেশ যখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে ঠিক তখনি আমার একটি দুঃখ আমার বাবা মায়ের মৃত্যুর পর লাশগুলো নেওয়ার জন্য কোন রাস্তা না থাকায় নিজ বাড়িতে তাদেরকে কবর দিয়েছি।’

‘একটি রাস্তার জন্য আমার আশে পাশের চল্লিশটি পরিবারের বাচ্চাদের নব্বই শতাংশই নিরক্ষর। কেউ আাত্মীয়তা করতে আগ্রহী হয়না এই রাস্তাটির জন্য। অসুস্থ হলে কোন হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে কাধেঁ করে নিতে হয়। কোন চিকিৎসক আসতে রাজি হয়না।’

‘স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছি কিন্তু কোন প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে যেতে হলে জুতা গুলো খুলে হাতে নিয়ে পানি ও কাদা দিয়ে হেটে যেতে হয়। শেষ বয়সে এসে এত কষ্ট আর সহ্য হয়না।’

‘তাই শুধু একটা শেষ ইচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের জোয়ারে, গ্রাম হবে শহর এই শ্লোগানে সংযুক্ত করতে মাননীয় সাংসদ এবাদুল করিম বুলবুল সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি যাতে করে যোগাযোগের জন্য একটা রাস্তা নির্মান করে দিয়ে আমাকে অন্তত পক্ষে ছোট খাটো একটি যানবাহন দিয়ে বাড়ি হতে বাহির হওয়ার সুযোগ করে দেন।’

‘আর যেন কারো লাশ ফসিল জমির উপর দিয়ে নিয়ে যেতে না হয়। কোন মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা না যায়। যোগাযোগ ব্যাবস্থার জন্য কেউ যেন শিক্ষার আলো হতে বঞ্চিত না হয়। আত্মীয়তা করতে কেউ যেন রাস্তার অজুহাতে পিছিয়ে না যায়।’

x

Check Also

সংকটের মুখে পদত্যাগ করলেন অনিল আম্বানি

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস লিমিটেড (আরকম) ভারতের অন্যতম শীর্ষ সেলফোন অপারেটর। তবে দেশটির ...

Scroll Up