সোনামণিদের জন্য শীতের বাহারি পোশাক

এমএনএ ডেস্ক রিপোর্ট : একাধারে বয়ে চলা হিমেল হাওয়াতে বড়রা পর্যন্ত কাবু হয়ে যান। এমন পরিবেশে ছোটরা হয়ে যায় আরও বেশি শীতকাতর। এতে অবশ্য সোনামণিদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কিন্তু বাচ্চার সর্দি, জ্বর, কাশিসহ নানা ধরনের ঠাণ্ডা জনিত সমস্যায় অস্থির থাকেন বাবা-মা। সেজন্য তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা চাই আগেভাগেই। শীতের তীব্রতা রুখে দিতে আগেই কিনে রাখা চাই শীতের বাহারি সব পোশাক। বাজারে এরই মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে নানান রং, ডিজাইন ও মোটিফে সাজানো শিশুদের শীতের পোশাক।

এ বিশেষ  প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন- মোসাম্মৎ সেলিনা হোসেন

শহরে কম হলেও গ্রামে এরই মধ্যে বেশ শীত পড়ছে। তাই এ সময় থেকেই শিশুদের পোশাক নির্বাচনে অবশ্যই শীতের প্রাধান্য দিতে হবে। প্রতিবছরের মতো এবারও শিশুদের শীতের পোশাকে আনা হয়েছে নতুনত্ব। পোশাকে শৈল্পিক ভাবের উদয় হয়েছে ফুল, লতাপাতা, প্রাণিজগত ও তারার মোটিফে। এসব সোয়েটার, জ্যাকেট বা জিন্স যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। নবজাতক শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের শিশুর শীতপোশাকেই আনন্দের ছোঁয়া আনার চেষ্টা করা হয়েছে।

শিশুরা একটু রঙিন পোশাক বেশি পছন্দ করে। তাই ডেনিমের প্যান্টগুলোয় এবার লাল রঙ যোগ করা হয়েছে। নবজাতক শিশুদের জন্য রয়েছে বেবিকিপার, যা পায়ের তালু থেকে মাথা পর্যন্ত উষ্ণ রাখবে শিশুকে।

শীতের পোশাকগুলো সাধারণত ভেতরের জামা-কাপড়কে ঢেকে দেয়। তাই সোয়েটার হতে হবে রঙিন। কিছু সোয়েটার বাচ্চাদের পোশাকের স্টাইলেই তৈরি করা হয়। এগুলো পরলে শিশুদের অনেক সুন্দর দেখায়।

এ দিকটি মাথায় রেখে শীতের পোশাকে যোগ করা হয়েছে বিভিন্ন রঙ। মেয়েদের ফতুয়া ও ফ্রকে যোগ করা হয়েছে হুডি আর থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের বদলে ফুলপ্যান্ট। ছেলে বাচ্চাদের জন্যও আছে পাতলা বা পুরু হুডি, ডেনিম বা গ্যাবার্ডিনের ফুল প্যান্ট এবং টুপি।

শিশুদের শীতের পোশাকের কাপড় সুতি হলে পরতে আরামদায়ক হয়। তাই শিশুদের বেশির ভাগ শীতের পোশাক করা হয়েছে সুতি কাপড় দিয়ে। মনকাড়া ডিজাইনে উলের সোয়েটারও পাবেন পর্যাপ্ত। এ ছাড়া চামড়ার জ্যাকেট কিনতে পারেন। শিশুদের উল ও চামড়ার শীতের পোশাক কিনতে চলে যেতে পারেন বিভিন্ন শপিং মলে। শিশুদের জ্যাকেট, ওভারকোট, কার্ডিগান এবং উল ও ক্যাশমেয়ার সোয়েটার বেশ চলছে। এ ছাড়া জিন্সের প্যান্ট, সুতির প্যান্টও কিনছেন অনেকে। লাল, নীল, হলুদ, গোলাপি রঙের পাশাপাশি সাদা রঙের সোয়েটারও শিশুরা পছন্দ করছে। শিশুদের শীতের কাপড় কিনতে চলে যেতে পারেন দেশীয় ফ্যাশন হাউস ছাড়াও নগরের বিভিন্ন শপিং মল, নিউমার্কেট, গাউসিয়া এবং গুলশান, বনানীর বিভিন্ন দোকানে।

বাজারদর

দেশীয় উলে বোনা ও সুতি কাপড়ের হাত ও পা-মোজার দাম পড়বে ৪০ থেকে ১০০ টাকা। মোজা সেটের দাম পড়বে ১২০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। সুতি কাপড়, ফ্লানেল বা উলের টুপির দাম পড়বে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা। ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে দামের তারতম্য। নবজাতকের ব্যবহার উপযোগী কম্বলও পাওয়া যায়। এসব কম্বলের দাম পড়বে ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। নবজাতক মেয়ে হলে ফ্লানেলের ফ্রক ও ট্রাউজার কিনতে পারেন। ছেলে হলে ফ্লানেলের শার্ট ও ট্রাউজার কিনতে পারেন। এ ছাড়া উলের পোশাকের সেটও পাওয়া যায়। এসব পোশাকের দাম পড়বে ৮০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। আপনি চাইলে আলাদাভাবেও কিনতে পারবেন।

লেখিকা পরিচিতি : মোসাম্মৎ সেলিনা হোসেন, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, ঢাকা।

x

Check Also

ত্বক বুঝে বেছে নিন পছন্দের কাপড়

এমএনএ ফিচার ডেস্ক : একেক জনের ত্বক একেক রকম। সবার ত্বক সমান হয় না। এটাই ...

Scroll Up