শীতকালীন ফুল চাষ সহজ ও লাভজনক

এমএনএ ফিচার ডেস্ক : শীতকালীন ফুলের বীজ, চারা, কলম বা কন্দ রোপণের উপযুক্ত সময় হলো- অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস। উঁচু দোআঁশ মাটি ফুল চাষের জন্য বেশি উপযোগী। জমির পরিমাণ বেশি হলে বিভিন্ন জাতের ফুলের জন্য আলাদা আলাদা জায়গা ভাগ করে পরিকল্পনামাফিক চারা রোপণ করতে হবে। শীত মৌসুমে অনেক রকম ফুলের চাষ করা হয়। তার মধ্যে ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, গাঁদা, কসমস, ক্যালেন্ডোলা, সালভিয়া, এস্টার, ডায়েন্থাস, পপি, হোলিহক প্রধান। লিখেছেন- কৃষিবিদ নিতাই চন্দ্র রায়

চাহিদা ও উৎপাদন বর্তমানে দেশের ১৯ জেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ হচ্ছে। ১৯৯৫ সালের দিকে চাষ হতো মাত্র ৩০০ হেক্টর জমিতে। চাহিদা ও লাভ বেশি বলে ফুল চাষের জমি বাড়ছে। বছরে আনুমানিক ৩০ কোটি টাকার ফুল বেচাকেনা হচ্ছে। নব্বইয়ের দশকের আগে ফুল আমদানি করে দেশের চাহিদা পূরণ হতো। এখন দেশের উৎপাদিত ফুল দিয়ে ৭০ শতাংশ চাহিদা পূরণ হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি চাষ হয় যশোরের ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলায়। এখানে ২ লাখ লোক ফুল চাষে জড়িত।

প্রতি বছর দেশে ফুল চাষের এলাকা বেড়েই চলেছে। ঢাকার সাভারে ১৭০ হেক্টর জমিতে গোলাপ, গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধা, গাঁদা, অর্কিডের চাষ হচ্ছে। ময়মনসিংহে ১১০ একর জমিতে অর্কিড চাষ হচ্ছে। নতুন এলাকা কক্সবাজারে ১২০ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পে ৭৩টি হর্টিকালচার সেন্টারে ফুলের চারা, কলম ও চাষাবাদ কলাকৌশল সম্পর্কে চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

দেশে শতাধিক পাইকারি ও প্রায় এক হাজার খুচরা ফুলের দোকান রয়েছে। বিভিন্ন দিবস ও অনুষ্ঠানের সময় ব্যাপক চাহিদা থাকায় ফুলের ঘাটতি পড়ে। এ সময় ফুলের দামও বেশি থাকে। ফুলের বীজ ও চারা প্রাপ্তির স্থান হচ্ছে সব জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসির হর্টিকালচার সেন্টার ও বেসরকারি নার্সারী। খরচ কম লাভ বেশি যে কোনো ফসলের চেয়ে ফুল চাষ করলে খরচ কম লাভ বেশি। চাষ, পরিচর্যা, সার, সেচ ইত্যাদি অন্য ফসলের চেয়ে কম লাগে। রোগবালাই তেমন হয় না। ঝুঁকি নেই। উৎপাদনে সময় লাগে মাত্র ৬০-৭০ দিন। অর্থাৎ ধান বা অন্য ফসল একবার উৎপাদনের সময়ে ফুল দুবার উৎপাদন করা যায়। অন্য যে কোনো ফসলের চেয়ে অর্ধেক উৎপাদন খরচ কিন্তু দাম বেশি।

১ বিঘা জমিতে গাঁদা ফুল চাষে আয়-ব্যয়ের হিসাব এখানে দেয়া হলো : জমি চাষ ১০০০, সেচ ৩০০০, চারা কেনা ৩০০০, সার ও বালাইনাশক ৭০০০, শ্রমিক খরচ ৩০০০, পরিবহন ২০০০, অন্যান্য ৩০০০= মোট ২২ হাজার টাকা। সম্ভাব্য আয় সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ১ বিঘা জমি থেকে ফুল আসবে কমপক্ষে ১ হাজার ৫০০ ঝোঁপা। প্রতি ঝোঁপা ফুল যদি গড়ে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় তাহলে মোট আয় হবে ১৫০০x৪০=৬০ হাজার টাকা। সুতরাং সম্ভাব্য নিট লাভ হবে ৬০,০০০-২৭,০০০= ৩৮ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, ধান চাষ করলে ১ বিঘায় খরচ হয় প্রায় ১৩ হাজার টাকা, ধান বিক্রি করা যায় ২০ মন ৭০০ টাকা হিসেবে ১৪ হাজার টাকা। লাভ হয় মাত্র ১ হাজার টাকা।

গ্ল্যাডিওলাসের আয়-ব্যয়ের হিসাব : একটি স্টিক উৎপাদনে খরচ হয় ৫-৬ টাকা। বিক্রি হয় ৭-৮ টাকা। প্রতি স্টিকে লাভ হয় ২ টাকা। ১ বিঘা জমিতে ৩৫ হাজার স্টিক উৎপাদন হয়। লাভ হয় ৭০ হাজার টাকা।

রজনীগন্ধার আয়-ব্যয় হিসাব : একটি স্টিক উৎপাদনে খরচ হয় ২-৩ টাকা। বিক্রি হয় ৪-৫ টাকা। প্রতি স্টিকে লাভ হয় ১ থেকে ২ টাকা। ১ বিঘা জমিতে ৩০ হাজার স্টিক উৎপাদন হয়। লাভ হয় ৩০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।

শীতকালীন মৌসুমি ফুল সংখ্যায় যেমন অধিক, আকার ও বর্ণেও তেমন বিচিত্র। এ কারণে শীত মৌসুমের ফুল বাগানকে বেশি সৌন্দর্যমন্ডিৰত এবং আকর্ষণীয় করে তোলে। বাংলাদেশে শীত মৌসুমে অনেক রকম ফুলের চাষ করা হয়। তার মধ্যে গাঁদা, গ্ল্যাডিওলাস, সূর্যমুখী, রজনীগন্ধা, ডালিয়া, কসমস, চন্দ্রমল্লিকা, জিনিয়া, এস্টার, সালভিয়া, এলিসাম, ক্যালেন্ডুলা, কার্নেশান, কনফ্লাওয়ার, ডেইজি, ডায়ানথাস, লার্কস্পার, হালিহক, ন্যাস্টারসিয়াম, লুপিন, পপি, ভারবেনা, প্যাশি, এন্টিরিনাম, সুইটপি, ফক্স ইত্যাদি। সাধারণত অক্টোবর-নভেম্বর মাস হলো শীতকালীন ফুলের জন্য বীজতলায় চারা উৎপাদনের উপযুক্ত সময়।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি নার্সারিতে শীতকালীন ফুলের বিভিন্ন জাতের চারা পাওয়া যায়। যে জমিতে সারা দিন প্রচুর রোদ পড়ে সে ধরনের জমি শীতকালীন ফুলবাগানের জন্য নির্বাচন করা উচিত। অধিকাংশ শীতকালীন ফুলের বীজ, চারা, কলম বা কন্দ রোপণের উপযুক্ত সময় হলো- অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস। উঁচু দোআঁশ মাটি ফুল চাষের জন্য বেশি উপযোগী। জমির পরিমাণ বেশি হলে বিভিন্ন জাতের ফুলে জন্য আলাদা আলাদা জায়গা ভাগ করে পরিকল্পনামাফিক চারা রোপণ করতে হবে। কন্দ, চারা বা কলম রোপণের ২০-২৫ দিন আগে জমি ভালোভাবে কুপিয়ে উপযুক্ত ও পরিমিত সার যেমন পচা গোবর, টিএসপি, হাড়ের গুঁড়া, এমপি, ইউরিয়া, খৈল, চাপাতির উচ্ছিষ্টাংশ ও ছাই ইত্যাদি মিশিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। সার প্রয়োগে জৈব সারের প্রাধান্য দেয়া উচিত।

ডালিয়া : এ ফুলের সিঙ্গেল ও ডাবল নামে দুটি জাত আছে। সিঙ্গেল জাতগুলো আকারে ছোট এবং সেগুলোতে এক সারি পাপড়ি থাকে। ডাবল জাতগুলোতে পাপড়ি সারিতে না থেকে অধিকসংখ্যক পাপড়ি ঘন অবস্থায় সন্নিবেশিত থাকে। ডাবল জাতগুলো হচ্ছেÑ পম্পন, ক্যাকটাস, ডেকোরেটিভ ইত্যাদি।

বংশ বিস্তার : বীজ, কন্দমূল ও কাটিংয়ের সাহায্যে বংশ বিস্তার করা হয়। বীজ থেকে উৎপাদিত গাছের ফুল সাধারণত ছোট আকৃতির হয়। বড় আকারের ফুলের জন্য কাটিং বা কন্দ মূল থেকে চারা তৈরি করা উচিত।

চাষ পদ্ধতি : ডালিয়ার সিঙ্গেল জাত বীজ দিয়ে ও ডাবল জাত কন্দ মূল বা কাটিং দিয়ে চাষাবাদ করা হয়। ডালিয়া চাষের জন্য ৮ ভাগ দোআঁশ মাটি, ৪ ভাগ পাতাপচা সার, ৮ ভাগ গোবর সার, ২০ চা চামচ হাড়ের গুঁড়া বা টিএসপি, ৬ চা চামচ এমপি এবং ২ চা চামচ চুন একত্রে মিশিয়ে সার মাটি তৈরি করতে হবে। অক্টোবরের  মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ডালিয়ার চারা লাগানো যায়। চারা ৬০-৯০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে লাগানো উচিত।

পরিচর্যা : অনেক ফুল পেতে চাইলে ডালিয়ার চারা বড় হলে মাথা কেটে দিতে হবে। এতে অনেক পার্শ্ব শাখা বের হবে এবং অনেক ফুলও পাওয়া যাবে। বড় ফুল পেতে হলে  মাথা না কেটে ফুলের কুঁড়ি বের হলে একটি কুঁড়ি রেখে বাকিগুলো ভেঙে দিতে হবে। গাছে কুঁড়ি আসার পর বাড়তি সার হিসেবে একমুঠো খৈল প্রতিটি গাছে প্রয়োগ করতে হবে। প্রতি সপ্তাহে একবার সেচ দিতে হবে। ফুলের ভারে গাছ যেন নুয়ে না পড়ে সেজন্য ঠেকনা দিতে হবে। গাছ লাগানোর দেড় থেকে ২ মাস পর ফুল পাওয়া যাবে।

চন্দ্রমল্লিকা : এ ফুলের আদিবাস চীন দেশে। এখন এ দেশেও এ ফুলের চাষ হয়। চন্দ্রমল্লিকার আধুনিক জাতগুলো হলো ডেকোরেটিড, ইনকার্ভড ও রিফ্লেক্সড ইত্যাদি।

বংশবিস্তার : শাখা কলম, চারা ও বীজ দিয়ে চন্দ্রমল্লিকার বংশ বিস্তার করা হয়।

চাষ পদ্ধতি : ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে গাছে ফুল ধরা শেষ হলে মাটির ১৫-২০ সে.মি. উপরে কা- কেটে দিতে হবে। এতে কিছুদিন পর দেখা যাবে, গাছের গোড়া থেকে নতুন চারা বের হচ্ছে। এসব ছোট চারার শিকড় বের হলে ছোট ছোট টবে স্থানান্তর করতে হবে। চারাগুলো দুই মাস বড় টবে প্রয়োজনবোধে আর একবার বড় টবে স্থানান্তর করতে হবে। সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে স্থায়ীভাবে জমিতে বা টবে এসব চারা ফুল উৎপাদনের জন্য লাগাতে হবে। জমিতে চারা ৩০ সে.মি. দূরে দূরে লাগাতে হবে।

সার প্রয়োগ : তিন ভাগ দোআঁশ মাটি, তিন ভাগ পাতাপচা সার, চার ভাগ গোবর, ৬ চা চামচ টিএসপি, তিন চা চামচ এমপি, এক মুঠো হাড়ের গুঁড়া, আধা কেজি খৈল মিশিয়ে সার মাটি তৈরি করতে হবে। এ মাটি ব্যবহার করেই চন্দ্রমল্লিকার চাষ করতে হবে।

ছাঁটাইকরণ : ডালিয়ার মতো কান্ডের আগা কেটে দিয়ে বেশি ফুল পাওয়ার ব্যবস্থা ও প্রতি শাখায় একটি কুঁড়ি রেখে বাকিগুলো ছিঁড়ে ফেলে বড় ফুল পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

পরিচর্যা : বেশি ফুল পাওয়ার জন্য মাঝে-মধ্যে ২-১ বার খৈল পচা পানি গাছের গোড়ায় বা টবে প্রয়োগ করতে হবে। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে ফুল পাওয়া যায়। রাতের দৈর্ঘ্য গড়ে ৯ ঘণ্টার উপরে এলেই ফুল আসা শুরু করে।

ক্যালেন্ডুলা : শীতের অন্যান্য মৌসুমি ফুলের মতো এটি বাগানের কেয়ারিতে বা যে কোনো জায়গায় চাষ করা যেতে পারে। ক্যালেন্ডুলা ফুলের রঙ প্রধানত হলুদ বা কমলা হয়। ফুল সিঙ্গেল অথবা ডাবল হতে পারে। ডাবল ফুলই দেখতে সুন্দর। রঙ মিলিয়ে নানা রকমের ক্যালেন্ডুলা লাগাতে পারলে বাগানের শোভা বৃদ্ধি পায়। বীজের মাধ্যমে এ ফুলের বংশ বিস্তার করা হয়। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বীজতলায় চারা তৈরি করে অথবা সরাসরি জমিতে বীজ বুনে এ ফুলের চাষ করা যায়। বীজ দেরিতে বুনলে গরমের প্রথমেও ফুল পাওয়া যায়। সারিতে ২০-৩০ সে.মি. দূরে দূরে চারা রোপণ করতে হবে। উর্বর ও রোদ পায় এ ধরনের মাটি ক্যালেন্ডুলা চাষের জন্য উপযোগী। নিয়মিত পানি সেচ ও ফুলের কুঁড়ি আসার সময় সামান্য পরিমাণ তরল সার দিতে পারলে প্রচুর ফুল পাওয়া যায়। ফুল চাষে প্রাথমিক অবস্থায় পচা গোবর সার ও পাতা পচা সার প্রয়োগ করতে হবে। কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে এ ফুল ব্যবহার উপযোগী।

গাদা :  বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় গাদা ফুলের ব্যাপক চাষ হচ্ছে। গ্রীষ্ম ও শীত উভয় মৌসুমেই গাদা ফুলের চাষ করা যায়। এঁটেল দোআঁশ থেকে বেলে দোআঁশসহ প্রায় সব ধরনের মাটিতে এ ফুলের চাষ করা যায়। তবে ছায়াচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধ জমি এ ফুল চাষের জন্য উপযোগী নয়। এই ফুল সাধারণত উজ্জ্বল হলুদ ও কমলা হলুদ হয়ে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের হাইব্রিড গাদার জাত আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব গাদার গাছ বেঁটে অথচ বড় বড় হলুদ রঙের ফুল হয়ে থাকে। এছাড়া কমলা, সাদা, বাসন্তী ইত্যাদি রঙের গাদার জাতও আবিষ্কার হয়েছে।

ব্যবহার : বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এ ফুল ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়ে থাকে।

গাদার জাত : গাদার কয়েকটি জনপ্রিয় জাত হলো- সাহারা মিক্সড, ইনকা এফ-১, পারফেকশন এফ-১, ভ্যানিলা এফ-১, মার্বেল মিক্সড এফ-১, নিউচ্যাম্পিয়ন, রেড চেরি, রেড জেম, গোল্ডেন জেম ইত্যাদি।

উৎপাদন মৌসুম : সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বীজ রোপণ করে বা কাটিং থেকে চারা তৈরি করা যায়। চারার বয়স এক মাস হলে তা ৩০ থেকে ৪৫ সে.মি. দূরত্বে রোপণ করতে হবে।

এ ফুল ছোট ও গোলাকার। দেখতে অনেকটা নক্ষত্রের মতো। সাদা, লাল, গোলাপি, নীল, প্রভৃতি নানা বর্ণের এস্টার ফুল দেখা যায়। এ ফুলের বোঁটা লম্বা এবং অনেক দিন প্রস্ফুটিত অবস্থায় থাকে বলে কাট ফ্লাওয়ার হিসেবে খুব উপযোগী। একসঙ্গে অনেক ফুল গাছে ধরে বিধায় দেখতে বেশ সুন্দর দেখায়। এস্টারের  সিঙ্গেল ও ডাবল উভয় জাতই বিদ্যমান। বীজের মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা হয়। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়। তিন/চার পাতা হলে চারা স্থায়ীভাবে টবে বা জমিতে লাগানো হয়। চারা অবস্থায় গাছকে প্রখর রোদ থেকে বাঁচানোর জন্য আচ্ছাদনের ব্যবস্থা করতে হবে। গোয়ালের আবর্জনা, পাতা পচা সার ও তরল সার এ ফুল গাছের জন্য বেশি উপযোগী। ভালো ফুলের জন্য প্রয়োজনমতো সেচ দিতে হবে।

কসমস : কসমস ফুল দেখতে খুব সুন্দর। সাদা, বেগুনি, গোলাপি, নীল প্রভৃতি নানা রঙের কসমস পাওয়া যায়। বীজের মাধ্যমে কসমসের বংশ বিস্তার করা হয়। শীত ও গ্রীষ্ম উভয় মৌসুমেই এই ফুল চাষ করা যায়। শীতকালে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে এবং গ্রীষ্মে মার্চ-এপ্রিল মাসে বীজতলায় বীজ বুনে অথবা চারা করে এ ফুল জন্মানো হয়। রাস্তা ও কেয়ারির কিনারায় সারিবদ্ধভাবে এবং ছোট ছোট কেয়ারিতে সমবেতভাবে এর চাষাবাদ করলে বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

x

Check Also

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ পাকিস্তান

এমএনএ স্পোর্টস ডেস্ক : চলতি বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে মাঠে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান। ...

Scroll Up