গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলোর অপরিহার্য ভূমিকা

মীর মোশাররেফ হোসেন পাকবীর : সকল দলের অংশগ্রহণে একটি মুক্ত ও ন্যায্য নির্বাচন গণতান্ত্রিক সরকারের একটি প্রধান পূর্বশর্ত। এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন পক্ষের কিছু মৌলিক ভূমিকা পালন করতে হয় যার মাধ্যমে জনগণ যেনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তাদের ভোটের অধিকার সঠিকভাবে প্রয়োগ করার মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে সেটা নিশ্চিত হয়।
এই সকল পক্ষ বা অংশীদারদের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে অবশ্যই একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হয়। কারণ তারাই ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের সামনে প্রার্থী প্রদান করে এবং এর সাথে সাথে জনগণের অধিকার বজায়ে সরকার যেন তাদের দায়িত্ব আশানুরূপভাবে পালন করে সেটাও তারা নিশ্চিত করে।
আমরা জনগণ হিসেবে আমাদের ভবিষ্যত গড়ার আশা নিয়ে এই দলগুলো ও নেতাদের দিকে তাকিয়ে থাকি। তাই এই রাজনৈতিক দলগুলোর স্বীয় দায়িত্ব সততার সাথে পালন করা অতীব জরুরী।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে চল্লিশটির উপরে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসহ আরো অনেকগুলো অনিবন্ধিত দল সক্রিয় আছে। বেশ কিছু দল আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নিবন্ধন প্রার্থণা করে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে।
এদতসত্ত্বেও বাংলাদেশের রাজনীতি দ্বিমেরু বিশিষ্ট। ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং যদিও বর্তমান সংসদের অংশ নয়, কিন্তু দেশের সর্ববৃহৎ বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদ্যমান দুই মেরুর কর্ণধার।
অন্য অনেক রাজনৈতিক দল দেশের নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করার বিভিন্ন সময়ে প্রচেষ্টা চালিয়েছে কিন্তু, তাদের সেই অগ্রযাত্রা সফল হয়নি। সংসদের বর্তমান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবং মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামীর অতীতে জনগণের উপর কিছুটা প্রভাব ছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে সেটা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।
আওয়ামী লীগের নেতৃস্থানীয় ১৪-দলীয় জোট ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটে বেশ কিছু ছোট ছোট দল রয়েছে যাদের আসলে বাংলাদেশের জনগণের উপরে প্রভাব খুবই ক্ষুদ্র। এর ফলে বাংলাদেশের রাজনীতি বাস্তবে একটি দুই দলীয় রাজনৈতিক ক্ষেত্রে রূপ নিয়েছে।
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে মুক্ত, ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে এবং আমাদের সংবিধানেও এর উপর প্রচুর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বাস্তবতা এর থেকে যোজন যোজন দূর।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান লক্ষ্য বর্তমানে গণতন্ত্রের ধারণাকে পুঁজি করে ক্ষমতায় টিকে থাকা অথবা ক্ষমতা লাভ করা। গত কয়েক দশক ধরে জনগণের ভালোমন্দের বিষয়গুলো ও নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তারা প্রায় ভুলেই গিয়েছে।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলাদেশে ১৯৭৩-এর নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ধারণাকে প্রতিষ্ঠা করেন। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রায় প্রতিদ্বন্ধিতাবিহীনভাবে বিপুল বিজয় লাভ করে যা সম্পূর্ণই আশানুরূপ ছিল। এটি প্রধানত বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্ব ও পাহাড়সম জনপ্রিয়তার কারণেই সম্ভব হয়েছিল। ১৯৭৫-এ তাঁর বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার গণতান্ত্রিক অবস্থান হারায় এবং এর পরে ১৫ বছর ধরে স্বৈরতান্ত্রিক সামরিক সরকার দ্বারা বাংলাদেশ পরিচালিত হয়।
১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির যৌথ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সর্বশেষ স্বৈরচারী রাজস্বের অবসান হয় এবং বিএনপি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করে। এর মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তী ছয়টি জাতীয় নির্বাচনেও সেই ধারাই অব্যহত আছে। যদিও কয়েকবারই সঠিক গণতান্ত্রিক চর্চার বেশকিছু বৈশিষ্ট্য এই নির্বাচনগুলোতে অনুপস্থিত ছিল। সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলগুলোই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে এবং এখন গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় জনগণের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতকরণে তাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হওয়া। এটি সকল দলের জন্য বাধ্যতামূলক। এই নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় তাদেরকে তাদের নিজ নিজ দলের সংবিধান, নির্বাচনী ইশতেহার, দলীয় বিধিমালা, দলের প্রতীক ও পতাকা, দলের তহবিলের উৎসসহ আরো বেশ কিছু তথ্য জমা দিতে হবে।
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলগুলোকে তাদের সংবিধান ও ইশতেহার জমা দেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক দর্শন প্রকাশ করা। আমরা বাংলাদেশে কোনো চরমপন্থী দর্শনধারী দলকে রাজনীতি করার অনুমতি দিতে পারি না। বাংলাদেশের সংবিধান ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কাজ করছে এমন কোনো দল নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হওয়া উচিৎ নয়।
নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য দলের তহবিল ও অর্থের উৎস প্রকাশ করতে হয় যেটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিরীক্ষণ করা উচিৎ। সতর্কতার সাথে এই তথ্যগুলোকে যাচাই করা হলে রাজনৈতিক দলগুলোর দুর্নীতির দলিল প্রকাশিত করা সম্ভব। চরমপন্থী দলগুলোর বিদেশী অর্থায়ন ও পৃষ্টপোষকতার তথ্য এর মাধ্যমে বের হয়ে আসতে পারে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভালো দলগুলোকে সামনে আনতে নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের ভিতরে সমন্বয়ের মাধ্যমে দরকারি তথ্যগুলি বের করে নিয়ে আসা প্রয়োজন।
অনেক রাজনৈতিক দল কোনো নিবন্ধন ছাড়াই বহু বছর ধরে রাজনীতি করে আসছে। কিছু নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে কিন্তু এখনো নিবন্ধন পায়নি আর অন্যরা আবেদনই করেনি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট উভয়টিতেই বেশ কিছু অনিবন্ধিত দল অন্তর্ভূক্ত আছে। এটি সম্পূর্ণরূপে অপ্রত্যাশিত কারণ এই দুটি জোটই এই দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণে মূল ভুমিকা পালন করছে। এই দলের জোটের অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনের কাছে এদের কার্যক্রমের কোনো তথ্যই নেই। এই সকল উদাসীনতার কারণে চরমপন্থী  ও স্বাধীনতা বিরোধী আদর্শ জনগণের মধ্যে প্রচার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
জনগণের সম্ভাব্য প্রতিনিধি হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোকে অবশ্যই ভালো প্রার্থী মনোনীত করতে হবে। এর মাধ্যমে জনগণ সেই সকল সাংসদ নির্বাচন করতে পারবে যারা তাদের অধিকার রক্ষায় কাজ করবে। কিন্তু বাংলাদেশে এমনটি হচ্ছে না।
একজন প্রার্থীর রাজনৈতিক পটভূমির থেকেও মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে তার পেশি শক্তি ও তার অর্থনৈতিক অবস্থাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। বড় দলগুলো থেকে মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশাল ব্যবসায়ীক প্রেক্ষাপট বিদ্যমান। আমরা প্রায়শই দেখি ব্যবসায়ীরা ও সন্ত্রাসীরা বড় দলগুলো থেকে মনোনয়ন পায়। এ ধরণের প্রার্থীরা কখনোই জনগণের ভালোমন্দের চিন্তা করবে না বরং তারা তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলে জনগণকে অনৈতিকভাবে লক্ষ্য অর্জনে ব্যবহার করবে।
সংসদীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা রাজনৈতিক দলগুলোর আরেকটি প্রধান দায়িত্ব। সংসদীয় সংলাপ আজকাল অবলুপ্তপ্রায়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি যখন বিরোধী দলে ছিল তখন লাগাতার তারা সংসদ অধিবেশন বর্জন করেছেন। তারা বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা তৈরির প্রচেষ্টায় রাজপথেই বেশি সক্রিয় ছিল।
রাজনৈতিক দলগুলোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বাংলাদেশে অবহেলিত দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের অধিকার ও কল্যাণ সুনিশ্চিত করা। কিন্তু সরকার বা বিরোধী দল কেউই নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায় কোনো আওয়াজ করে না।
সাধারণত মানবাধিকার ও কল্যাণ বিষয়ক সমস্যায় বিরোধী দল সবসময় সরব থাকে। কিন্তু আমাদের বিরোধী দল শুধুমাত্র গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের নামে ক্ষমতা দখলের খেলায় লিপ্ত থাকে। অর্থাৎ তারা শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত।
গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলগুলো আরো অনেক কাজ করে থাকে। যেমন, সংসদীয় সরকারকে সচল রাখা, সরকারতন্ত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করা, গণনীতি নির্ধারণ  করা, জনমত প্রচার করা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নেতৃত্ব সংগ্রহে সহায়তা করা ইত্যাদি। এ সকল কাজ করার জন্য প্রথমে একটি শক্ত দুর্নীতিমুক্ত এবং অদম্য রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি প্রয়োজন।
বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলের জন্য জাতীয়তাবাদী আদর্শ ধারণ করা অত্যাবশ্যক হওয়া উচিৎ। কোনো রাজনৈতিক দল, যার আদর্শ জাতীয় স্বার্থকে রক্ষা করে না, সেই দল বাংলাদেশে রাজনীতি করার অনুমতি পাবে না।
কোনো অনিবন্ধিত দলকে ৫ বছরের বেশি তাদের কার্যক্রম চালাতে দেওয়া উচিৎ নয়। এটি আমাদেরকে এ সকল দলের লক্ষ্যের উপরে নিয়ন্ত্রণ প্রদান করবে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এই ধরণের দলগুলো জঙ্গিবাদ, চরমপন্থী কার্যক্রম ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকতে পারে এবং অনিবন্ধিত থাকলে তা সহসা কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে না।
কর্তৃপক্ষকে এ সকল অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রমের উপর কড়া নজরদারি রাখতে হবে। যদি পাঁচ বছরের মধ্যে তারা নিবন্ধিত না হয় তবে তাদের নিষিদ্ধ করা উচিৎ। দেশব্যাপী নিজেদের কার্যক্রম ও সংগঠনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য পাঁচ বছর সময়ই যথেষ্ট।
রাজনৈতিক দলগুলোকে মনোনয়ন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত ভাবে পরিচালনা করতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কাজে জড়িত থাকা ব্যক্তি যাদের যথাযথ শিক্ষা রয়েছে ও কোনো দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকার প্রমাণ নেই, শুধুমাত্র সেই প্রার্থী হতে পারবে। রাজনৈতিক দলগুলোর বাংলাদেশের নাগরিকদের উন্নততর ভবিষ্যত নিশ্চিতে যে দায়িত্ব, সেটা অনুধাবন করা উচিৎ। আর এর জন্য প্রার্থীর পেশীশক্তি ও টাকাকে বিবেচনা না করে শুধুমাত্র যোগ্য নেতাদেরকেই সামনের কাতারে নিয়ে আসা আবশ্যক।
শুধুমাত্র জাতীয় রাজনীতিতেই নয়, রাজনৈতিক দলগুলোর ভিতরেও গণতন্ত্র থাকা প্রয়োজন। দলগুলোকে তাদের কর্মীদের চিন্তাভাবনাকে প্রাধান্য দেওয়ার মাধ্যমে এমন সুযোগ তৈরি করতে হবে যেন মাঠ পর্যায় থেকেও ভালো নেতা উপরে উঠে আসতে পারে।
আমাদের দেশে বেশির ভাগ দলই তাদের গঠনে একটি স্বৈরাচারী ধারা অনুসরণ করে। যার ফলে মাঠ পর্যায় থেকে উপরে উঠে আসার সুযোগ খুব কম থাকে। কিন্তু এ দলগুলোর সংবিধান ও গঠনতন্ত্র এমনভাবে তৈরি করতে হবে যেনো দলের ভিতরেও গণতান্ত্রিক চর্চা গড়ে উঠে। গণতান্ত্রিক পন্থায় নেতৃত্ব নির্বাচন করার জন্য এই দলগুলোর মুক্ত, ন্যায্য এবং গ্রহণযোগ্য কাউন্সিল নিয়মিত হওয়া আবশ্যক।
সকল রাজনৈতিক দলের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিৎ জনগণের কল্যান। যদি তারা নির্বাচনে জনগণের সমর্থণ চায়, তবে তাদেরকে জনগণের প্রতিটি সমস্যা নিয়ে কাজ করতে হবে। যদি তারা জনগণের স্বার্থরক্ষায় কাজ না করে তবে জনগণ তাদেরকে শুধুমাত্র সরকারের ক্ষমতায় আনার জন্য ভোট দিবে না।
গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের গণতান্ত্রিক সমালোচনা করা রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব। শুধুমাত্র যদি তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তাহলে বাংলাদেশে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
তাই, আমরা জনগণ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলো যেনো তাদের দায়িত্বগুলো অনুধাবন করে এবং সততা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণের কল্যানে কাজ করে সেটাই আশা করি। টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বাংলাদেশ স্বপ্নের সোনার বাংলা হয়ে উঠবে এটাই আমাদের বিশ্বাস।
লেখক : প্রধান সম্পাদক, মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এমএনএ)
এবং ভাইস চেয়ারম্যান, ডেমোক্রেসী রিসার্চ সেন্টার (ডিআরসি)
x

Check Also

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ওরা ১১ জন

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ২০১০ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গিয়েছিলেন রুশনারা ...

Scroll Up