প্রবর্তন হচ্ছে শেখ হাসিনা ফেলোশিপ

এমএনএ রিপোর্ট : দেশে প্রথমবারের মতো প্রবর্তন করা হচ্ছে ‘শেখ হাসিনা ফেলোশিপ’। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে এ উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
এ ফেলোশিপের আওতায় ১২৫ কর্মকর্তা পিএইচডি, ২৫০ জন মাস্টার্স অর্জনের সুযোগ পাবেন। এছাড়া পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা বা পেশা সংশ্লিষ্ট কোর্স ৬৭ জন, দেশের বাইরে সংক্ষিপ্ত কোর্স ১৬০ জন এবং দেশে সংক্ষিপ্ত কোর্সের সুযোগ পাবেন ৭২০ জন সরকারি কর্মকর্তা।
এজন্য ৪১০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়াকরণ শেষে আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় গভর্নেন্স ইনভেশন ইউনিট। অন্যদিকে প্রকল্পের আওতায় উচ্চ শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য গবেষণা প্রস্তাব মূল্যায়নের জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নির্বাচন কমিটি গঠনের তাগিদ দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।
এ বিষয়ে একনেকের জন্য তৈরি করা সার-সংক্ষেপ মতামত দিতে গিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রকল্পটি ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির অভীষ্ট সমূহ অর্জনে সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক ও কর্মচারী পর্যায়ে এসডিজির ১৭টি বিশেষায়িত অভীষ্টের বিষয়ে জ্ঞানভিত্তিক ও অবকাঠামোভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।
তাছাড়া চলমান সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে নাগরিকবান্ধব ও কার্যকর জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে পরিকল্পনা কমিশন মনে করে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকল্পের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, রূপকল্প ২০২১ এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে নাগরিকবান্ধব ও কার্যকর জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সরকার কার্যকর সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সিভিল সার্ভিস সংক্রান্ত কৌশলপত্রে যোগ্যতা, পারফরম্যান্স এবং জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠনের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের দক্ষতা ব্যবস্থাপনার আওতায় প্রবর্তিত বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি যা ২০১৩-২০১৪ অর্থবছর থেকে চলমান রয়েছে। এটি কৌশলপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এছাড়া জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি ঘোষণার পর সরকারের সব সেক্টরের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জগুলোর বহুমাত্রিকতা বেড়েছে। অভীষ্টগুলোর অর্জন টেকসই করতে অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পর্কের ওপর জোর দেয়া হয়।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে জ্ঞানভিত্তিক ও অবকাঠামোভিত্তিক সক্ষমতার ঘাটতি। এই ঘাটতি চিহ্নিতকরণ এবং প্রয়োজন নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি।
x

Check Also

আজিজ আহমেদ সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নিলেন

এমএনএ রিপোর্ট : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিজিবিএম, ...

Scroll Up