আবারও বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটার যুক্তরাষ্ট্রে

এমএনএ সাইটেক ডেস্ক : দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চীনের কাছে পিছিয়ে থাকার পর আবারও বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির কম্পিউটারের জায়গা দখল করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

অবশেষে আবারও বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের মুকুট দখল করে নিল যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি সুপারকম্পিউটার ‘সামিট’। কয়েক বছর ধরে চীনের কাছে পিছিয়ে থাকার পর আবারও এই খেতাব পুনরুদ্ধার করল যুক্তরাষ্ট্র।

গতকাল শুক্রবার দেশটির ডিপার্টমেন্ট অফ এনার্জি ‘সামিট’ নামের নতুন এই মেশিন উন্মোচন করে। এই সুপারকম্পিউটার বানাতে তারা কম্পিউটার নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান আইবিএম আর চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া’র সঙ্গে মিলে কাজ করেছে।

গতকাল শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে আইবিএম প্রধান নির্বাহী জিনি রমেটি বলেন, আইবিএম এই সুপারকম্পিউটার বানিয়েছে। তিনি বলেন, “এটি আসলেই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। এটি দ্রুততম, দ্রুততম সুপারকম্পিউটার।” একে আইবিএম-এর কম্পিউটার সিস্টেম ওয়াটসন-র ‘নাতি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

সামিট সেকেন্ডে সর্বোচ্চ দুই লাখ ট্রিলিয়ন হিসাব করার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে আমেরিকার সবচেয়ে ক্ষমতাধর সুপারকম্পিউটার টাইটান-এর চেয়ে এটি আটগুণ বেশি ক্ষমতাধর। এটি বানাতে চার বছর লেগেছে বলে জানিয়েছেন রমেটি।

রমেটি বলেন, গবেষকদের জন্য “যে পরীক্ষা করতে ২৭ বছর থেকে ১৩ হাজার বছরের সময় লাগতে পারত, তা তারা এর মাধ্যমে একদিনেই করতে পারবেন।” এমনকি এটি ব্যবহারের মাধ্যমে “ক্যান্সারের নতুন চিকিৎসা” উদ্ভাবন করা যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সামিট আসার আগে বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের মালিক দেশগুলোর তালিকায় পঞ্চম স্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন তা আবার এক নম্বরে চলে আসবে বলে জানান মার্কিন এনার্জি সেক্রেটাই রিক পেরি। এর আগে বিশ্বের তালিকার শীর্ষ দুই কম্পিউটারের মালিক চীনকে আবারও শীর্ষস্থান দখলে নিতে কষ্ট করতে হবে বলেও মন্তব্য তার।

সামিটকে সামনের “রোমাঞ্চকর” অগ্রগতির মাত্র শুরু হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এনভিডিয়া প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং।

Scroll Up