লাইফ সাপোর্টে চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন

এমএনএ রিপোর্ট : লাইফ সাপোর্টে আছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন। গতকাল রবিবার সকালে ব্রেনস্ট্রোক করলে দ্রুতই তাকে রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি এখন লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

গতকাল রোববার (১৮ নভেম্বর) সকালে ব্রেন স্ট্রোক করার পর আমজাদ হোসেনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই হাসপাতালে ডা. শহীদুল্লাহ সবুজের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে আমজাদ হোসেনের।

তার ছেলে নির্মাতা ও অভিনেতা সোহেল আরমান বলেন, সকালে আমি যখন বুঝতে পারি আব্বা হাত পা নাড়তে পারছেন না, তখনই তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসক জানান আব্বা ব্রেনস্ট্রোক করেছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো না। যে কারণে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

সোহেল আরমান তার বাবার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থা বিশেষ ভালো নয়। তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন।

চলতি বছরই অসুস্থ হয়ে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিয়েছিলেন আমজাদ হোসেন। সেখানে তার ক্ষুদ্রান্ত্রে দু’টি অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসেন তিনি।

৭৬ বছর বয়সী আমজাদ হোসেন একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, গল্পকার, অভিনেতা, গীতিকার ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।

১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট, জামালপুরে আমজাদ হোসেনের জন্ম। পঞ্চাশের দশকে ঢাকায় এসে সাহিত্য ও নাট্যচর্চার সঙ্গে জড়িত হন তিনি।

আমজাদ হোসেন ১৯৬১ সালে হারানো দিন ছবিতে অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন করেন। পরে তিনি চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন। ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র হচ্ছে আগুন নিয়ে খেলা। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি ‘ভাত দে’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’র মতো কালজয়ী অনেক সিনেমা নির্মাণ করেন। ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

x

Check Also

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন রুমিন ফারহানা

এমএনএ রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে দলের সহআন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ...

Scroll Up