ইথিওপিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৫৭ আরোহী নিহত

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : আদ্দিস আবাবা থেকে নাইরোবি যাওয়ার পথে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৩৩ দেশের ১৫৭ জন আরোহী সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটিতে ১৪৯ যাত্রী ও ৮ ক্রু ছিলেন। এয়ারলাইন্সটির এক কর্মকর্তার বরাতে এ খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এয়ারলাইন্সটির ওই কর্মকর্তার বরাতে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম ইথিওপিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশন জানিয়েছে, ‘ইটি৩০২’ ফ্লাইটের কোনো আরোহী বেঁচে নেই। বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স৮ প্লেনটিতে ৩৩ দেশের নাগরিক ছিলো।

তবে কি কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা জানাতে পারেনি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। গত বছরের নভেম্বরে চতুর্থ প্রজন্মের এয়ারক্রাফটি সরবরাহ করেছিলো মার্কিন উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বোয়িং। বিশ্বব্যাপী নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রী পরিবহনে এ ধরনের এয়ারক্রাফটের বেশ চাহিদা ও সুনাম রয়েছে।

এদিকে ফ্লাইটে থাকা আরোহীদের বেশ কয়েকজনের জাতীয়তা জানা গেছে। যার মধ্যে ৩২ জন কেনিয়ান, ১৭ জন ইথিওপিয়ান বলে জানিয়েছেন এয়ারলাইন্সের এক মুখপাত্র। এছাড়া ‘দুর্ভাগা’ ওই এয়ারলাইন্সের ৮ আরোহী চীনা নাগরিক ছিলেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।

আজ রবিবার (১০ মার্চ) সকালে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার বোলে বিমান বন্দর থেকে ফ্লাইট ‘ইটি৩০২’ উড়াল দেওয়ার ৬ মিনিটের মধ্যেই ৮টা ৪৪ মিনিটের দিকে বিধ্বস্ত হয়। জোমো কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে অবতরণের সম্ভাব্য সময় ছিলো।

গত বছরের অক্টোবরে ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত লায়ন এয়ারের বিমানটিও একই মডেলের ছিলো। ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮৯ আরোহীর মৃত্যু হয়।

এক বিবৃতিতে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স জানায়, আদ্দিস আবাবা থেকে ৬২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বিশওফতু শহরের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিলো ইটি-এভিজে।

এ ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাৎক্ষণিক এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিমান দুর্ঘটনায় যেসব পরিবার তাদের স্বজন ও আপনজন হারিয়েছে, তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

x

Check Also

বিএনপির মনোনয়ন পেলেন রুমিন ফারহানা

এমএনএ রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে দলের সহআন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ...

Scroll Up