বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির বাংলাদেশে

এমএনএ রিপোর্ট : কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবির এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির। এর আগে ১ নম্বর অবস্থানে ছিলো কেনিয়ার দাবাব শরণার্থী শিবির। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রেপটিম’র এক র‌্যাংকিংয়ে এ কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে বর্তমানে ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৮ জন শরণার্থী অবস্থান করছে। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মুসলিম জনগোষ্ঠি। রাখাইনে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন তারা। ২০১৭ সালের আগস্টে সেনা বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ শুরু করলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।’

তালিকায় ২য় অবস্থানে রাখা হয়েছে উগান্ডার বিডি বিডি শরণার্থী শিবিরকে। এ শিবিরে অবস্থান করছে দক্ষিণ সুদানের গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা ২ লাখ ৮৫ হাজার শরণার্থী। ২০১৩ সাল থেকে শুরু হওয়া ওই গৃহযুদ্ধ এখনও চলছে।

৩ নম্বরে রয়েছে কেনিয়ার দাবাব শরণার্থী শিবির। ২ লাখ ৩৫ হাজার শরণার্থী ধারণ করছে শিবিরটি। সোমালিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে তারা পালিয়ে এসেছেন এখানে। কেনিয়ার কাকুমা এবং তানজানিয়ার নায়ারুগুসু রয়েছে ৪র্থ ও ৫ম অবস্থানে।

ফিলিস্তিনের গাজায় ১৯৪৮ সালে চালু হওয়া জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরটি সবচেয়ে পুরনো। আকারের দিক থেকে এটি বিশ্বে ৬ষ্ঠ।

এছাড়া আশির দশকে আফগান-সেভিয়েত যুদ্ধের সময় চালু হওয়া পাকিস্তানের পানিয়ান শরণার্থী শিবিরটি এখনও সচল। তালিকার ১১ নম্বরে থাকা শিবিরটিতে রয়েছে ৬২ হাজার শরণার্থী।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কুতুপালং অস্থায়ী শিবির এবং ঘুমদুম, বালুখালী, থংখালী এলাকার আশেপাশের শিবিরগুলি দ্রুতগতিতে জনাকীর্ণ হয়ে ওঠে এবং শরণার্থীতে ভরতে থাকে। ২৫ আগস্ট ২০১৭ থেকে আনুমানিক ৭,০০,০০০ রোহিঙ্গা মুসলমান মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে, যখন মায়ানমারের সামরিক বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই শরণার্থী শিবিরটি ১৯৯১ সালে অস্থায়ীভাবে যাত্রা শুরু করেছিল, যখন বার্মার সামরিক বাহিনী কর্তৃক অপারেশন পী থায়ার (অপারেশন ক্লিন আপ এন্ড বিউটিফুল ন্যাশন) শিকার হয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী পালিয়ে এসেছিল।

x

Check Also

পরাজয় বরণ করে মোদিকে রাহুলের অভিনন্দন বার্তা

এমএনএ ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে বিজয় অর্জন করায় নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ...

Scroll Up