এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আগামীকাল সোমবার

এমএনএ রিপোর্ট : উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার (১ এপ্রিল)। এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৫৮০টি।

এবার দেশের ২ হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ জন।

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৭ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮১২ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৫ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১ লাখ ২০ হাজার জন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। মোট পরীক্ষার বিষয় ৫১টি ও পত্র ১০১টি। এবার বাংলা ভার্সনের জন্য সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্ন, বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য মোট ৯৫০টি প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে। ইংলিশ ভার্সনের জন্য সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্ন, বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য মোট ৮৯২টি প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন বোর্ডের জন্যে ১৪টি বিষয়ের ২৭টি পত্রের জন্য সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্ন, বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য মোট ২ হাজার ১০০টি প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। প্রথমে হবে বহুনির্বাচনী অংশের পরীক্ষা। এরপর সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে।

সকালের পরীক্ষা ১০টা থেকে বেলা ১টা ও বিকেলের পরীক্ষা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত হবে।

এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এবং নকলমুক্ত পরিবেশে এবং প্রশ্নফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেশ কিছু কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্রের প্যাকেটে গতানুগতিক কাগজের খামের পরিবর্তে অধিকতর নিরাপত্তা বিশিষ্ট অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল খাম ব্যবহার করা হয়েছে।

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে আবশ্যিকভাবে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী এরপর পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলে রেজিস্ট্রারে নাম, ক্রমিক নং ও দেরিতে আসার কারণ উল্লেখ করতে হবে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে।

কোনো মোবাইল নম্বরে একাধিকবার একই অঙ্কের টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্টকে নিকটস্থ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।

এছাড়া পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ১ এপ্রিল থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

x

Check Also

ভোজন রসিকদের পছন্দ ইলিশ খিচুড়ি

এমএনএ ফিচার ডেস্ক : ইলিশ খিচুড়ি কার না পছন্দ। বিশেষ করে ভোজন রসিকদের কাছে পছন্দের ...

Scroll Up