Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / আজ বিশ্ব বাবা দিবস
দিবস

আজ বিশ্ব বাবা দিবস

এমএনএ ফিচার ডেস্কঃ বাবা মানেই আপনজন, বাবা মানেই নির্ভরতা, বাবা মানেই প্রচেষ্টা, বাবা মানেই প্রখর রোদে শীতল ছায়া দেওয়া বটবৃক্ষ, বাবা মানেই অন্ধকারে পথের দিশা। বাবার বুক পরম নির্ভরতার, যেখানে এক নিমিষেই পৃথিবীর সব ভয় জয় করে নিতে পারে সন্তান। অনেক কিছুই বদলে যায়, বদলায় না শুধু বাবার ভালোবাসা।

বাবা শাশ্বত, চির আপন। ভাষা ভেদে হয়তো শব্দ বদলায়, স্থান ভেদে বদলায় উচ্চারণও। কিন্তু বদলায় না রক্তের টান। আমেরিকায় যিনি ‘ড্যাড’ বাংলায় তিনি ‘বাবা-আব্বা’।

বাবার কাঁধটা কি অন্য সবার চেয়ে বেশী চওড়া? তা না হলে কী করে সমাজ সংসারের এত দায়ভার অবলীলায় বয়ে বেড়ান বাবা। বাবার পা কি অন্য সবার চেয়ে অনেক দ্রুত চলে? নইলে এতোটা পথ এত অল্প সময়ে কী করে এত শক্ত করে সব কিছু আগলে রাখেন বাবা। বাবার ছায়া শেষ বিকেলের বট গাছের ছায়ার চাইতেও বড়। সে তার সন্তানকে জীবনের সব উত্তাপ থেকে সামলে রাখেন।

এ রকম হাজারও কথা বলা যাবে বাবাকে নিয়ে। এরপরও শেষ হবে না সন্তানের প্রতি, সংসারের প্রতি বাবার অবদানের কথা। বাবা শাশ্বত, চির আপন, চিরন্তন। আর বাবার তুলনা বাবা নিজেই।

বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের একটি অন্যতম দিন বাবা দিবস। আজ সেই দিন। প্রতিবছর জুনের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী বাবা দিবস উদযাপিত হয়। পশ্চিমা বিশ্বে এ ধারণা প্রচলিত হলেও আমাদের দেশেও দিনটি উদযাপন করা হয়। বাবার প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা, জানানোর জন্যই এই দিবস।

এদিন বিশ্বের সব বাবার প্রতি ভালোবাসা জানাবেন সন্তানরা। ভালোবেসে উপহারও দেবেন। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের ওয়ালগুলো ভরে যাবে প্রিয় বাবার ছবিতে। অনেকে ঘটা করে দিবসটি পালন করে থাকেন। তবে এবার করোনার কারণে আয়োজনে হয়তো ভাটা পড়বে, কিন্তু কমতি থাকবে না বাবার প্রতি ভালোবাসার। যাদের বাবা বেঁচে আছেন তারা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ছবি আপলোড করবেন। আর যাদের বাবা নেই, তারা বাবার ছবি পোস্ট করবেন কিংবা বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করবেন।

জানা যায়, ১৯০৮ সালে প্রথম বাবা দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে ৫ জুলাই এই দিবস পালন করা হয়। মিসেস গ্রেস গোল্ডেন ক্লেটনের উদ্যোগেই মা দিবসের আদলে দিবসটি পালিত হয়। ১৯০৭ সালের একটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ২১০ জন বাবার স্মৃতির উদ্যোগে সেবারের দিবস। তবে তা নিয়মিত হয়নি। তার দুই বছর পর ১৯১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সেনোরা স্মার্ট ডট নতুন পরিসরে বাবা দিবস পালন করে। সেনোরাকেই বাবা দিবসের উদ্যোক্তা মনে করা হয়। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেন। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতিবছর জাতীয়ভাবে বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন।

x

Check Also

যে প্রক্রিয়ায় ৭ আগস্ট থেকে সপ্তাহে ১ এক কোটি টিকা দেয়া হবে

এমএনএ জাতীয় ডেস্ক : আগামী ৭ আগস্ট থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত এক কোটি মানুষকে ...

Scroll Up