এমএনএ রিপোর্ট : দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রাষ্ট্রদ্রোহসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৭০টি মামলায় সাড়ে তিন বছর জেলে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
আজ বুধবার বেলা একটার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে জামিনে মুক্তি পান মাহমুদুর রহমান।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর কারাধ্যক্ষ মো. নাশির আহমেদ এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকালে মাহমুদুর রহমানের জামিনের কাগজপত্র কারাগারে আসে। যাচাই-বাছাই শেষে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এসময় কারা ফটকে ফুল দিয়ে মাহমুদুরকে স্বাগত জানান বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ.জে.এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনার, ইঞ্জিনিয়ার আনহ আক্তার, কলামিস্ট ফরহাদ মাজহার, বিএফইউজে মহাসচিব রুহুল আমিন গাজী, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আফজাল হোসেন সবুজ, কেন্দ্রিয় নির্বাহী সদস্য কালিয়াকৈর পৗর মেয়র মজিবুর রহমান, ডা. মাজহারুল আলম, গাজীপুর পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হালিমুজ্জামান ননি ও ছাত্র দল কেন্দ্রিয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হুদা নুরু সহ বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মাহমুদুর রহমানের মুক্তির সময় কারাফটকে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও গাজীপুর জেলার একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। কারাগার থেকে বের হলে তাঁরা মাহমুদুর রহমানকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।
সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর একটি মামলায় মাহমুদুর রহমানের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এরপর মাহমুদুর রহমানের আইনজীবী বলেছিলেন, তাঁর মক্কেল সব মামলায় জামিনে আছেন। তাই তাঁর কারামুক্তিতে কোনো আইনগত বাধা নেই।
এর ধারাবাহিকতায় আজ মুক্তি পেলেন মাহমুদুর রহমান।
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক বিচারকের কথিত স্কাইপ কথোপকথন পত্রিকায় প্রকাশের অভিযোগে ২০১২ সালের ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে মাহমুদুর রহমান ও পত্রিকাটির প্রকাশক মো. হাসমত আলীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকার কারওয়ান বাজারে আমার দেশ কার্যালয় থেকে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন থেকে তিনি কারাগরেই ছিলেন।
গত সাড়ে তিন বছরে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের চেষ্টা ও হত্যা ষড়যন্ত্র ছাড়াও বিভিন্ন আইনে প্রায় ৭০টি মামলা হয় বিগত চার দলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় জ্বালানি উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা মাহমুদুরের বিরুদ্ধে।
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক


