Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শাহজাদপুরে অর্ধশত বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন
শাহজাদপুর

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শাহজাদপুরে অর্ধশত বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন

এমএনএ আঞ্চলিক ডেস্কঃ টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি থাকায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খুকনি ইউনিয়নের গত কয়েক দিনে ব্রাহ্মণগ্রাম ও আরকান্দি গ্রামের অন্তত ৫০টি বাড়িঘর, ১০টি তাঁত কারখানা, গো-খামার, একটি মসজিদ ও অসংখ্য গাছপালা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।

মাসের ব্যবধানে এনিয়ে প্রায় দুটি গ্রামে দেড় শতাধীক ঘরবাড়ী নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। সপ্তাহ ধরে ভাঙ্গণের তান্ডবে মানুষজন সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। অনেকে খোলা আকাশের নিচে বাস করছে। অনেকের ঘরে খাবার নেই। রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের কাছে এখনও কোন ত্রাণ বা খাবার পৌছায়নি।

এ বিষয়ে তারকা মসজিদের ইমাম হফেজ জহুরুল ইসলাম ও সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আলী বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে এ গ্রামে ভাঙ্গণের তান্ডব শুরু হয়েছে। ভাঙ্গণ থেকে মসজিদটি রক্ষায় সরকারি সহযোগিতা চেয়েও পাওয়া যায়নি। মানুষজন কোথায় থাকে, কি খায় তার কেউ কোন খোজ নেয় না। ফলে আমরা অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছি।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীর ওই অংশে ভাঙ্গণ রোধে বস্তা ফেলার কাজ চলছে। এছাড়া ওই এলাকার ভাঙ্গণ স্থায়ীভাবে রোধের জন্য সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তীরসংরক্ষণ কাজও চলছে। এ কাজ শেষ হলে এ এলাকায় আর কোন সমস্যা থাকবে না।

খুকনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুল্লুক চাঁদ জানান, প্রতিনিয়ত আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমার সাধ্যমত যে টুকু পারছি সাহয্য করছি। এখন পর্যন্ত কোন সরকারি সাহায্য পাইনি। সাহায্য চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পাওয়া মাত্র বিতরণ করা হবে বলে জানান।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান জানান, বন্যার্তদের জন্য ৯১১ মেট্রিক টন চাল, নগদ ২০ লাখ টাকা এবং ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এগুলো বিতরণের জন্য স্ব-স্ব এলাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা হাতে পেলে সে অনুয়ায়ী বিতরণ করা হবে।

এদিকে বন্যার পানি বৃদ্ধির অব্যাহত থাকায় শাহজাদপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের আরও নতুন নতুন এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার কাঁচা পাট, তিল, কাউন, বাদাম, পটল ও শাকসবজি ক্ষেত ডুবে গেছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকেরা।

x

Check Also

একনেক

একনেকে অনুমোদিত হলো ১০ প্রকল্প

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্কঃ ২ হাজার ২১৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে দশটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে ...

Scroll Up