Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / বুধবার জামায়াতের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

বুধবার জামায়াতের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এমএনএ) : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ড আপিল বিভাগ বহাল রাখায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আগামীকাল ৯ মার্চ বুধবার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা শান্তিপূর্ণ হরতালের ডাক দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

আজ মঙ্গলবার আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামীর ওয়েবসাইটে দেয়া বিবৃতিতে মকবুল আহমদ এ ঘোষণা দেন।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীকে ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ড আপিল বিভাগে বহাল রাখার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটির ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমাদ।

Jamat E Islami

একই সঙ্গে আপিলের দেয়া রায়কে ‘ন্যায়ভ্রষ্ট’ উল্লেখ করে এর প্রতিক্রিয়ায় আগামীকাল ৯ মার্চ বুধবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শান্তিপূর্ণ হরতালের ডাক দিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামীর ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে মকবুল আহমদ এ হরতালের ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, হরতাল কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উপায়ে সফল করে তোলার জন্য জামায়াতে ইসলামীর সকল শাখা এবং কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সুশীলসমাজ ও পেশাজীবীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ তথা দেশের আপামর জনতার প্রতি আমি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। এ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ী, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস ও সংবাদপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গাড়ি হরতালের আওতামুক্ত থাকবে বলে জানান তিনি।

বিবৃতিতে জামায়াতের আমীর মকবুল আহমাদ দাবি করেন, “সরকার ষড়যন্ত্র করে পরিকল্পিতভাবে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে একের পর এক হত্যা করছে। সরকারি ষড়যন্ত্রের শিকার মীর কাসেম আলী। সরকার মিথ্যা, বায়বীয় ও কাল্পনিক অভিযোগে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে নিজেদের দলীয় লোকদের দ্বারা আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে তাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করার ষড়যন্ত্র করছে।

মাননীয় আদালত সরকারের দায়ের করা মিথ্যা মামলায় সাজানো সাক্ষীর ভিত্তিতে আজ তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের যে রায় ঘোষণা করেছেন তা একটি ন্যায়ভ্রষ্ট রায়। এ রায়ে মীর কাসেম আলী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি রিভিউ আবেদন করবেন। ন্যায়বিচার নিশ্চিত হলে তিনি খালাস পাবেন বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

Hartal1

মকবুল আহমাদ বলেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আনীত সরকারের অভিযোগের সঙ্গে তার ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতাও নেই। সরকার পক্ষ আদালতে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে যে সব ডকুমেন্ট দাখিল করেছেন সেখানে মীর কাসেম আলীর নাম নেই।

অভিযোগে ঘটনার স্থান, সময় এবং যে তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে সরকারের দাখিল করা ডকুমেণ্ট অনুযায়ী ওই সময়ে মীর কাসেম আলী ওই স্থানে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি তখন ঢাকায় ছিলেন। জনাব মীর কাসেম আলী তার ঢাকায় অবস্থানের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করেছেন। ওই সময়ে জাতীয় দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত খবরসমূহ প্রমাণ হিসেবে সরকার পক্ষ আদালতে পেশ করেছেন।

সরকারের দাখিল করা জাতীয় সকল পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে মীর কাসেম আলীর ঢাকায় বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বক্তব্য রাখার খবর ও ছবি প্রকাশিত হয়েছে। পক্ষান্তরে ওই সময়ে জাতীয় দৈনিকগুলোতে চট্টগ্রামের যে সব খবর প্রকাশিত হয়েছে তার কোনটিতেই মীর কাসেম আলীর নাম নেই।

জনগণ সরকারের দায়ের করা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার রায় প্রত্যাখান করছে বলে দাবি তার।

সরকারের মন্ত্রী ও সরকার দলীয় নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে জামায়াতের আমীর বলেন, গত কয়েক দিন যাবত দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতিদের লক্ষ্য করে যে বক্তব্য রেখেছেন তা আদালতের ওপর এক নগ্ন চাপ সৃষ্টি করা ছাড়া আর কিছু নয় বলে দেশের জনগণ মনে করে।

x

Check Also

ঢাকার চাপ কমাতে সারাদেশে গড়ে তোলা হবে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা: প্রধানমন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক রাজধানী ঢাকার ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে দেশের সব অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ...