Don't Miss
Home / অর্থনীতি / ‘ভুটান চাইলে সব বন্দর উন্মুক্ত থাকবে’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘ভুটান চাইলে সব বন্দর উন্মুক্ত থাকবে’

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্কঃ ভুটান চাইলে তাদের সঙ্গে সব বন্দর উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বলেছেন, সমৃদ্ধ দেশ গড়তে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্কে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ। ভুটান চাইলে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, মংলা, পায়রা বন্দরসহ সৈয়দপুর বিমান বন্দর ব্যবহার করতে পারে।

বাংলাদেশ ও ভুটান দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) সই অনুষ্ঠানে রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে তিনি একথা বলেন।

এসময় শেখ হাসিনা আরো বলেন, আঞ্চলিক সুদৃঢ় যোগাযোগ অবকাঠামো সমৃদ্ধির নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে। করোনা পরবর্তী সময়ে টিকে থাকার জন্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কোনো বিকল্প নেই। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। ভুটান থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় পাথর আমদানি করা গেলে বাংলাদেশের দেশের জন্য নির্মাণসামগ্রীর ব্যয় হ্রাস পাবে, যা নির্মাণ খাতের উন্নয়নে সহায়ক হবে। এছাড়া স্বল্পমূল্যে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ পণ্যের কাঁচামাল আমদানি করা সহজ হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-ভুটানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৬ দশমিক ৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা থেকে বেড়ে ৫৭ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়।

ভুটানে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক, খাদ্যসামগ্রী, প্লাস্টিক, ওষুধ, গৃহসজ্জাসামগ্রী, ইলেকট্রিক্যাল সামগ্রী রপ্তানি করে থাকে। আর ভুটান থেকে বোল্ডার পাথর, সবজি-ফলমূল, নির্মাণসামগ্রী, ক্যামিক্যালস ইত্যাদি পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালে ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান। ঐতিহাসিক দিনটি সামনে রেখে ৬ ডিসেম্বর চুক্তি সই হয়।

x

Check Also

আগামী এক বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম–এর ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আগামী এক বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ ...