Don't Miss
Home / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / মহাকাশেও যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিচ্ছে চীন

মহাকাশেও যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিচ্ছে চীন

এমএনএ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক : তিয়াঙ্গং স্পেস স্টেশন। পুরোদমে চলছে চীনের এই স্পেস স্টেশন বানানোর কাজ। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে কার্যক্রম পরিচালনা করবে ১ কিলোমিটার লম্বা এই স্টেশন। চীনের ম্যানড স্পেস এজেন্সি বানাচ্ছে এই স্পেস স্টেশনটি।২০২১ সালের মে মাসে চীন তিয়ানহি লঞ্চ করে, তিয়ানহি এই স্পেস স্টেশনের তিনটি মডিউল। ২০২২ সালের শেষ নাগাদ পুরো তিয়াঙ্গং স্পেস স্টেশনের নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশা করছে চীন।চীনের স্পেস এজেন্সি জানায়, এই কৃত্রিম উপগ্রহে টানা ১ দশক থাকবেন তিনজন নভোচারী। এই স্পেস স্টেশন অনেক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। বিশাল এই স্পেস স্টেশন কীভাবে পরিচালনা করবে চীন ?

তিয়াঙ্গংয়ের মানে ‘স্বর্গীয় আবাস’। এখানে তিয়ানহি নভোচারীদের মূল আবাস। আর বাকি দুটি মডিউল মেঙ্গতিয়ান ও ওয়েন্তিয়ান পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থাপন করা হচ্ছে।শেনঝও স্পেসক্রাফট গোবি মরুভূমির জিউকুয়ান থেকে তিনজন ক্রুসহ লঞ্চ করা হবে। একইসঙ্গে তিয়ানঝও কার্গো স্পেসক্রাফট চীনা দ্বীপ হাইনানের ওয়েনচ্যাং থেকে লঞ্চ করা হবে। এই স্পেসক্রাফট জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় পণ্য স্পেস স্টেশনে সরবরাহ করবে। এই স্টেশনের মডিউল মাত্র তিনটি, যেখানে আইএসএস ‘ এর মডিউল ১৬টি। তিয়াঙ্গং আবার আইএসএস ‘এর তুলনায় ওজনও কম। মাত্র ৪৫০ মেট্রিক টন, আইএসএস‘য়ে রাশিয়ার নাউকা মডিউলের মতো।আইএসএস‘র স্পেস স্টেশন নির্মাণে খরচ হয়েছিল ১০ হাজার কোটি ডলার। চীনের বিশাল এই স্পেস স্টেশন বানাতে খরচ পড়বে আরও বেশি।

সাড়ে ১৬ মিটার লম্বা তিয়ানহি মডিউল লঞ্চ করা হয়েছে ডকিং হাবের সঙ্গে, যেন শেনঝও আর তিয়ানঝও স্পেসক্রাফট মহাকাশে অবস্থান করতে পারে আর বাকি দুটি পরীক্ষামূলক মডিউলকে স্বাগত জানাতে পারে। বড় একটি রোবটিক যন্ত্র মেঙ্গতিয়ান আর ওয়েন্তিয়ান মডিউলকে নিজেদের অবস্থানে আসতে সহায়তা করবে আর স্পেসে হাঁটার জন্য নভোচারীদের সহায়তা করবে।তিয়াঙ্গং এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে যে স্পেস ল্যাব বানিয়েছিল, সেগুলো থেকে তিয়ানহির ওজন বেশি, ২৪ টন ওজন এই মডিউলের। নতুন তিয়াঙ্গংয়ের স্পেসক্রাফট আর কার্গো স্পেসক্রাফটে নভোচারীদের ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট জায়গা আছে। নভোচারীদের মনে হবে বিলাসবহুল কোন বাড়িতে আছেন তারা।

তিয়ানহি মডিউল অত্যাধুনিক উপায়ে তৈরি। এখানে ইউরিন রিসাইকেল করার ব্যবস্থা আছে, যেন নভোচারীরা বেশি সময় মহাকাশে থাকতে পারেন।চীন জানায়, ১১ বার লঞ্চের মাধ্যমে পুরোপুরি মহাকাশে তিয়াঙ্গং স্থাপন সম্ভব। এর মধ্যে তিনটি মডিউল চলে গেছে মহাকাশে।পুরোপুরি কার্যক্রমে আসলে তিয়াঙ্গং মহাকাশে হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মতো একটি টেলিস্কোপও পাঠাবে মহাকাশে। স্পেস স্টেশনের কক্ষপথেই থাকবে এই টেলিস্কোপ। জুনটিয়ান টেলিস্কোপের ২ মিটার লম্বা আয়না আছে। জুনটিয়ান মহাকাশে ১০ বছর গবেষণা চালাবে আড়াই হাজার কোটি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দিয়ে। ভবিষ্যতে মডিউল সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে তাদের।

x

Check Also

আর্থিক প্রতিষ্ঠান

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণ পুনঃতপশিল তিনবারের বেশি নয়

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্ক : ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) এখন থেকে তিনবারের বেশি কোনো ঋণ পুনঃ ...

Scroll Up