Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / মেসি-নেইমারদের ম্যাচ পণ্ডের নেপথ্যে যারা
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ

মেসি-নেইমারদের ম্যাচ পণ্ডের নেপথ্যে যারা

এমএনএ খেলাধুলা ডেস্ক : কোপা আমেরিকার ফাইনালের পর ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দ্বৈরথ উপভোগের অপেক্ষায় ছিল ফুটবল বিশ্ব। নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরুও হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মিনিট না পেরোতেই ম্যাচে আসে নাটকীয় মোড়। স্থগিত হয়ে যায় বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচটি।এদিকে মেসি-নেইমারদের লড়াই বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ব্রাজিলের স্বাস্থ্য সচেতনতাবিষয়ক সংস্থা আনভিসার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাদের বিতর্কিত ভূমিকার জেরেই সাও পাওলোতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচটি শুরু হয়েও স্থগিত হয়ে যায়।

ইংলিশ ক্লাবে খেলা মেসির চার স্বদেশি খেলোয়াড় এমিলিয়ানো বুয়েনদিয়া, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জিওভান্নি লো সলৈসো ও ক্রিস্টিয়ানো রোমেরো যে ম্যাচটি খেলতে ব্রাজিলে ঢুকছেন, সেটি নিশ্চয়ই আগে থেকেই জানত আনভিসা। কারণ ম্যাচের তিন দিন আগেই ব্রাজিলে ঢুকেছে আর্জেন্টিনা দল।সে ক্ষেত্রে ওই খেলোয়াড়দের খেলতে পারা-না পারা নিয়ে প্রশ্ন কেন ম্যাচের মাত্র দুই ঘণ্টা আগে তুলল আনভিসা, কেন ম্যাচ শুরু হওয়ার পর এসে ম্যাচ থামিয়ে দিল, সেসব নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়। প্রশ্ন উঠছেও।

যদিও আনভিসার ভাষ্য, ওই চার খেলোয়াড় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। আরো জানায় যে, কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম না মেনেই ব্রাজিলে খেলতে এসেছেন তারা। তবে ফুটবল সমালোচকদের মতে, যদি কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম ভঙ্গ করাই হয়, তাহলে কেন আগে দেখা হলো না বিষয়টি।এর মধ্যে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলছেন, ওই চার খেলোয়াড় যে খেলতে পারবেন না, সেটা ম্যাচের আগে তাদের কেউই জানায়নি।
এ ছাড়া আর্জেন্টাইন ফুটবল ফেডারেশনও বলছে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা খেলোয়াড়দের দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নামার আগে কোয়ারেন্টাইন-সংক্রান্ত বিধি কী হবে, এ নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কর্তৃপক্ষ ‘কনমেবল’ আগেই ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। সব দেশের স্বাস্থ্য বিভাগই তা জানত!
এদিকে আনভিসা বলছে, কনমেবলের সিদ্ধান্তের আগে দেশের স্বাস্থ্যবিধা আইন সবার আগে। এ ছাড়া অভিযুক্ত চার খেলোয়াড়ের তিনজনই লিওনেল স্কালোনির একাদশে ছিলেন। আর তাই ম্যাচ স্থগিত করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।

উল্লেখ্য, ব্রাজিলের করোনার নিয়ম অনুযায়ী, দেশটিতে ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, নর্দান আয়ারল্যান্ড ও ভারত থেকে সরাসরি প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। তবে, বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে নিতে হবে অনুমতি। তা না হলে ব্রাজিলে ঢোকার পর ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন করতে হবে।

x

Check Also

আর্থিক প্রতিষ্ঠান

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণ পুনঃতপশিল তিনবারের বেশি নয়

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্ক : ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) এখন থেকে তিনবারের বেশি কোনো ঋণ পুনঃ ...

Scroll Up