Don't Miss
Home / সারাদেশ / রংপুরে মাজারের খাদেম হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

রংপুরে মাজারের খাদেম হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

এমএনএ জেলা প্রতিনিধি : রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রহমত আলী হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার সকালে রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ছয়জনকে মামলা থেকে খালাস দেন আদালত।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মন্ত্রী, ওই জঙ্গি সংগঠনের সদস্য এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বিজয় ওরফে আলী ওরফে দর্জি, সাখাওয়াত হোসেন, সরওয়ার হোসেন ওরফে সাবু ও চান্দু মিয়া। এদের মধ্যে চান্দু পলাতক রয়েছেন। এদের মধ্যে মাসুদ রানা, এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন চাঞ্চল্যকর জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি— সাহাদাত হোসেন ওরফে রতন, তৌফিকুল ইসলাম, আবু সাঈদ, জাহাঙ্গীর হোসেন রাজীব ওরফে আলমগীর, বাবুল আখতার ও নজিবুল ইসলামকে খালাস প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে রাজিবুল ইসলাম ও বাবুল আখতার পলাতক রয়েছেন।
বিশেষ জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট রথিশ চন্দ্র ভৌমিক জানান, মামলায় ৪৬ সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে। ৪ মার্চ মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়। আজ রবিবার আদালত রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ের মাজার শরিফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) গলা কেটে হত্যা করে জেএমবি সদস্যরা। তিনি টেপামধুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং চৈতার বাজারে ওষুধের দোকান করতেন। রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার পথে চৈতার মোড়ে জেএমবি সদস্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে তাকে।
নিহত রহমত আলী তরিকাপন্থি সুরেশ্বরী পীরের অনুসারী ও মাজারের খাদেম ছিলেন। তার বাড়িতে দরবার শরিফ ছিল। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা করেন।
মামলায় গত বছরের ৩ জুলাই ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। যার মধ্যে আসামি পঞ্চগড়ের নজরুল ইসলাম ওরফে বাইক হাসান ২০১৬ সালের ১ আগস্ট রাতে রাজশাহীতে এবং কুড়িগ্রামের সাদ্দাম হোসেন ২০১৭ সালের ৫ জানুযারি ঢাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। বাকি ১১ জনের মধ্যে ৯ জঙ্গি গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারেই রয়েছে। এরপর ৪৬ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শোনার পর আজ রবিবার রায় দিলেন আদালত।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...