Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / অর্থনীতি / হাসপাতাল ছাড়া অক্সিজেনের ব্যবহার নয়: বিস্ফোরক অধিদপ্তর
অক্সিজেনের

হাসপাতাল ছাড়া অক্সিজেনের ব্যবহার নয়: বিস্ফোরক অধিদপ্তর

এমএনএ অর্থনীতি ডেস্কঃ মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অক্সিজেন সংকটের কথা বিবেচনায় রেখে দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অক্সিজেন ব্যবহার ও সরবরাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বিস্ফোরক অধিদপ্তর। পাশাপাশি উৎপাদিত অক্সিজেন কেবল মাত্র হাসপাতালে সরবরাহের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বিস্ফোরক অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এক চিঠিতে গত শুক্রবার শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ রেখে হাসপাতালে সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন অধিদপ্তরের প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ।

একইসঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকে অক্সিজেন আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তথ্যমতে, দেশের হাসপাতালগুলোতে দৈনিক অক্সিজেনের চাহিদা ১২০ মেট্রিক টনের মতো। করোনার সংক্রমণ বাড়ায় গত এক মাসে চাহিদা বেড়ে হয়েছে ১৮০ মেট্রিক টন। যা পুরোটা বাংলাদেশ উৎপাদন করতে পারে না। ফলে বাকি অক্সিজেন অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

দেশে অক্সিজেন উৎপাদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ ১৭০ মেট্রিক টন। তবে নানা কারণে উৎপাদন হয় সর্বোচ্চ ১৬০ মেট্রিক টন। বাকি ২০ মেট্রিক টন ভারত, চীন ও পাকিস্তান থেকে আমদানি করে চাহিদা পূরণ করা হয়। কিন্তু ভারত থেকে আমদানি এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। আর চীন ও পাকিস্তান থেকে আমদানি অনেকটা সময় সাপেক্ষ।

এই পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ সম্প্রতি দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসজনিত রোগের সংক্রমণ সম্প্রতি দ্রুত বাড়ছে। দেশের হাসপাতাল/ক্লিনিকে করোনা ভাইরাসে মারাত্মক আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেন স্যাচুরেশন হ্রাসের কারণে দ্রুত মেডিক্যাল গ্রেডের অক্সিজেন সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। এ পরিস্থিতিতে হাসপাতাল/ক্লিনিকে চাহিদা অনুসারে মেডিক্যাল অক্সিজেন পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে মেডিক্যাল অক্সিজেন উৎপাদন বাড়ানো এবং হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন সরবরাহ বজায় রাখা প্রয়োজন। তাই দেশে করোনা সংক্রমণ চলাকালীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে অক্সিজেন ব্যবহার বন্ধ রেখে শুধু হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহের নির্দেশনা দেয়া হলো।

দেশের অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরাও বলছেন, করোনার সংক্রমণ বাড়ায় তারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল সরবাহর বন্ধ করে যা উৎপাদন করছেন সব হাসপাতালে দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে সরকারের কাছে নিজেদের বক্তব্যও পৌঁছে দিয়েছে এসব অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

দেশের পাঁচটি অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- লিন্ডে বাংলাদেশ, স্পেকট্রা অক্সিজেন লিমিটেড, ইসলাম অক্সিজেন লিমিটেড, ডিআর ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও মেসার্স বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস লিমিটেড।

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের বেশির ভাগই শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাচ্ছেন। তাই এই রোগীদের সবচেয়ে বেশি জরুরি অক্সিজেন। সেই অক্সিজেন নিয়ে পাশের দেশ ভারতে যখন হাহাকার তখন আপাতত স্বস্তিতে বাংলাদেশ। কারণ এখন পর্যন্ত দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদিত অক্সিজেন দিয়ে হাসপাতালগুলো রোগীদের মোটামুটি সেবা দিতে পারছে। কিন্তু নিজেদের চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় আমদানির অন্যতম সহযোগী দেশ ভারত তরল অক্সিজেন না দেয়ায় দুশ্চিন্তা ভর করছে বাংলাদেশে।

x

Check Also

সোনালী পেপার

সোনালী পেপারের মুনাফা নয় মাসে বেড়েছে ২১ শতাংশ

এমএনএ শিল্প ও বাণিজ্য ডেস্কঃ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস ...

Scroll Up