Don't Miss
Home / হোম স্লাইডার / ২০২০ সাল। করোনাকালে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে দেশের জনগন

২০২০ সাল। করোনাকালে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে দেশের জনগন

মিয়া মনসফ। ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের  জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন ‘রূপকল্প ২০২১। যার মূল লক্ষ্য ছিল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। শেখ হাসিনার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর স্বপ্নদ্রষ্টা তাঁর পুত্র, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয়। তারুণ্যের মেধা ও শক্তিকে কাজে লাগানোর এক অনবদ্য ও প্রেরণাদায়ী কর্মসূচি ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে এর বাস্তবায়ন শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপই মূলত আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ।

যখন আস্তে ডিজিটাল কায্ক্রম চালু হলো, তখন অনভ্যস্থ নিন্দুকেরা কেউ কেউ ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে ব্যঙ্গ করতো। কিন্তু ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন কাজে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেছে, কাজটি আরো সহজলভ্য হয়েছে। বেড়েছে কাজের গতি। অনিয়ম দু্র্নীতি কমেছে। তখন মানুষ আস্তে আস্তে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পেতে শুরু করলো।

২০২০ সাল ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় একটি বছর। একটি অনুজীব কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের আগ্রাসনের বছর হিসেবে ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান প্রদেশে প্রথম ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার মধ্য দিয়ে পুরো বিশ্ব আজ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ মৃত্যুর পথযাত্রী হয়েছে। থমকে দাড়িয়েছে জীবনযাত্রা। লক ডাউনে থাকতে হয়েছে দিনের পরদিন।প্রযুক্তি নির্ভর মানুষজাতি কিভাবে ঘরে বন্ধ থাকে? করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানুষ যেখানে মৃত্যুর মুখোমুখি সেখানে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে দাড়িয়েছে।

করোনা থেকে মুক্তির উপায় খুজছে বিজ্ঞানীরা। করোনার সতর্কের কারণে ঘর বন্দি থাকতে নয় বুদ্ধিমান ও কর্মঠ মানুষ। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে যোগাযোগের উপায় বের করলো।  করোনার এই বছরটা ছিল আইসিটিরও।

মার্চ মাসে শেষে লকডাউনে পুরো দেশ। থমকে যাওয়া জীবনকে সচল করতে ব্যবহার করা হয় প্রযুক্তিকে। দৈনন্দিন জীবনে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হয়ে উঠে আইসিটি।

করোনার বন্দি দশায় বিশ্বের মতো বাংলাদেশে চালু হয় কয়েকটি অ্যাপ পরস্পরের যোগাযোগের প্রয়োজনে দিন দিন অ্যাপ গুলো জনপ্রিয় হতে থাকে।জুম অ্যাপের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠে।

এছাড়াও গুগল ক্লাসরুম, গুগল মিট, ফেসবুকের ‘রুম’ গুলোও জায়গা করে নেয় মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে।

করোনা মানবজাতির জন্য অভিশাপ হয়ে আসলেও প্রযুক্তির জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসছে তা নির্দাধায় বলা যায়। ই-কমার্সগুলো মানুষের দোরগোড়ায় নিত্যব্যবহার‌্য পণ্য পৌছে দিতে প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য ছিল। এই এক করোনার বছরে প্রযুক্তির যে উন্নয়ন সাধন হয়েছে তা আগামী কয়েক বছরের হতো কিনা সন্দেহ।

শুধু বাংলাদেশের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, এবছর ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়েছে অন্তত ৫০ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় কোটির উপরে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হচ্ছে সাড়ে নয়শ থেকে এক হাজার জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ। প্রায় একই পরিমাণ ব্যান্ডউইথ চাহিদা থাকা মোবাইল ইন্টারনেটের চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় দুই হাজার ১০০ জিবিপিএস। চাহিদা মেটাতে এবং পার্শ্ববর্তী দেশে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে সরকার। ইতিমধ্যে  তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

ইন্টারনেটের সামগ্রিক ব্যহবহারের ফলে ই-কমার্স তথা অনলাইনে কেনাকাটা  আগের তুলনায় অন্তত ৫০ শতাংশ বেড়েছে । মোবাইল ব্যাংকিং খাতে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে অন্তত ৫০ লাখ।

প্রযুক্তি খাতকে আরো সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে

৯ ডিসেম্বর দেশের বৃহত্তম আইসিটি প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০২০’ উদ্বোধন   এবারই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ এই প্রযুক্তি আসরটি আয়োজিত হয় অনলাইন তথা ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে। প্রায় এক কোটির বেশি মানুষ অনলাইনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

আমি নিশ্চিত, শেখ হাসিনার দৃঢ় ও আস্থাশীল নেতৃত্বে আগামীতে যদি শতভাগ রাষ্ট্রপরিচালায় শতভাগ প্রযুক্তির আওতায় আসে, তাহলে দুর্নীতির মূলোৎপাটন হবে চিরতরে। তখন আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশের সময়ের ব্যাপার মাত্র। আমরা সেই প্রত্যাশায় রইলাম।

x

Check Also

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন শনিবার বিকেলে

এমএনএ বিনোদন ডেস্ক :  শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১৯তম আসর। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) ...

Scroll Up
%d bloggers like this: