Don't Miss
Home / নগর-মহানগর / ৪ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিল কার্ড, মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

৪ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিল কার্ড, মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক

দেশব্যাপী সামাজিক সুরক্ষা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে একাধিক পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব উদ্যোগ তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের উন্নয়ন দর্শন ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ধাপে ধাপে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ ১০টি জেলা ও ৩টি সিটি করপোরেশনের ৩৭,৮১৪টি পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ওই এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়নে দ্রুত এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।

সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় ‘মিড-ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী— সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে। প্রায় ১,৫০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু করা হবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ‘এডু-আইডি’ প্রদান করা হবে।

এছাড়াও মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কারিগরি শিক্ষার বিস্তার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান— দেশের সব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন করা হবে। প্রতিটি জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ২,৩৩৬টি কারিগরি ও ৮,২৩২টি মাদরাসা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু করা হবে।

এছাড়া মাদরাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স সংযোজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আইসিটি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) আগামী ছয় মাসে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ চালু করবে। এর মধ্যে রয়েছে— অ্যাগ্রিকালচার ইনটেলিজেন্স; সাইবার সিকিউরিটি; মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট (ফ্লাটার); পাইথন প্রোগ্রামিং ও্র ওয়েবভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং।

সরকারের এসব উদ্যোগকে সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের অংশ হিসেবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

x

Check Also

দীর্ঘ ২৫ বছরেও শেষ হয়নি রমনা বটমূলের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলা মামলার বিচার

বিশেষ প্রতিবেদন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে যখন সারাদেশে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে, তখনও অনেকের মনে ফিরে ...