Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / অভিযোগ সম্পর্কে তুরিন আফরোজের বক্তব্য

অভিযোগ সম্পর্কে তুরিন আফরোজের বক্তব্য

এমএনএ রিপোর্ট : এক যুদ্ধাপরাধীর সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ ওঠার পর মুখ খুললেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ। তিনি বলছেন, আমাকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সত্য নয়। যেহেতু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখন বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে এনিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তদন্ত শেষ হলে আমি আমার বক্তব্য প্রকাশ করবো। আশা করি, সেই পর্যন্ত আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমালোচকগণ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করবেন।
এদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, অভিযোগটা সত্য হলে মন্ত্রণালয় নিশ্চয়ই পদক্ষেপ নেবে। আমি তো আর আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে যাই না। তাদের মামলাও পরিচালনা করি না। এ ব্যাপারে আমার পক্ষে কিছু বলা সম্ভব নয়।

তবে ট্রাইব্যুনালের অপর প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম বলছেন, অভিযোগটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব বিষয়টি দেখছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর আইনানুগ ব্যবস্থা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জেয়াদ আল মালুম বলেন, ৭ তারিখে তদন্ত কর্মকর্তা সিডিসহ অভিযোগ পেশ করেন। যেখানে বলা হয়, গত বছরের ১৮ নভেম্বর তিনি (তুরিন আফরোজ) আসামি মেজর ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। পরদিন ১৯ নভেম্বর ওয়াহিদুল হকের স্ত্রীসহ একজন মুরব্বি ও তুরিনের জুনিয়র ফারাবীসহ গুলশানের একটি হোটেলে দেখা করেছেন। গত ২৪ এপ্রিল আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার মোবাইল ফোনসেট জব্দ করা হয়। ওই মোবাইলে ফোনে এসবের রেকর্ড পাওয়া যায়।এরপর চিফ প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে ওয়াহিদুল হকের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

আজ বুধবার তুরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে তুরিন আফরোজের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে একটি বক্তব্য দিয়েছেন।

বক্তব্যটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
‘আমাকে নিয়ে একটি অতিউৎসাহী দৈনিক পত্রিকাতে একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত করা হলে সোশ্যাল মিডিয়াতে তা ভাইরাল করে আমাকে নিয়ে নানা কুৎসা রটনা করা হচ্ছে। এটাও বলা হচ্ছে যে আমাকে প্রসিকিউটর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য:

১. আমি এখনও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদে বহাল আছি। আমাকে কেউ বরখাস্ত করেনি।
২. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ৮(২) ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটারের একজন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেব কাজ করার এখতিয়ার রয়েছে। সুতরাং যে কোন মামলাতে তদন্ত করার এখতিয়ার আমার আছে।আর তদন্ত করতে গেলে নানা রকম কৌশল অবলম্বন করতে হয় । সুতরাং আমি তদন্তের স্বার্থে যে কোন প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহণ করতে পারি।
৩. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আমি এই পর্যন্ত প্রসিকিউটর হিসেবে যা কিছুই করেছি তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত ছিলেন ।
৪. আমাকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সত্য নয়। যেহেতু বিষয়টি এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছেন তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না।তদন্ত শেষ হলে আমি আমার বক্তব্য সর্বসম্মুখে প্রকাশ করবো। আশা করি সেই পর্যন্ত আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমালোচকগণ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করবেন।’
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...