Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / আখাউড়া ইমিগ্রেশনে জিকা আতংক, সতর্কতা জারি

আখাউড়া ইমিগ্রেশনে জিকা আতংক, সতর্কতা জারি

ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : বাংলাদেশে যাতে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য আখাউড়া আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনে কাজ শুরু করেছে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিশেষ মেডিকেল টিম। জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত বিদেশী কোনো যাত্রী আসছেন কিনা সে ব্যাপারে নজর রাখছেন তারা।

তবে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় এখানে কোনো যাত্রীর পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ছড়িয়ে পড়া জিকা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের পশ্চিমাঞ্চল।

akhauraভারত থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন দেশের অন্তত শতাধিক বিদেশী যাত্রী আখাউড়া চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকেও আসছেন লোকজন।

তাদের কেউ যদি এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন, তার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে এ দেশে। এ আশংকা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করছে আখাউড়া স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশনের অস্থায়ী স্বাস্থ্য বিভাগ।

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা এসআই ফরিদউদ্দিন বলেন, আখাউড়া আন্তর্জাতিক স্থললবন্দর চেকপোস্টে আগেও ইবোলা ও সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একটি বিশেষ মেডিকেলি টিম।

নতুন করে জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে নির্দেশনা পাওয়ায় এ বিষয়ে নজরদারি বাড়িয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। তবে প্রত্যেক যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশনা এখনও আসেনি। কিন্তু যেসব যাত্রীদের ভাইরাসের লক্ষণ পাওয়া যাবে তাদের পরীক্ষা করা হবে। যে কারণে ঢালাওভাবে কারো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে না।

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. শাহ আলম বলেন, স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশনে ‘ইবোলা’ ও ‘সোয়াইন ফ্লু’ রোধে যে মেডিক্যাল টিম রয়েছে তারা জিকা ভাইরাসের কাজ শুরু করছেন। এখনো কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। তবে আমরা সতর্ক আছি।

ট্যাগ : জিকা, ভাইরাস, ইবোলা, সোয়াইন ফ্লু, আখাউড়া, স্থলবন্দর, সতর্কতা
x

Check Also

বাজেটে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ আসছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

এমএনএ প্রতিবেদক আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো অতিরিক্ত চাপ বা নেতিবাচক ...