Don't Miss
Home / শিল্প ও বাণিজ্য / আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী

এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : চলতি বছর শেষ হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। বছরের এই শেষ সময়ে এসে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে তেজিভাব দেখা দিয়েছে। মূলত মার্কিন সিনেট কর সংস্কার বিল অনুমোদন দেয়ায় ডলারের বিনিময় মূল্য দুর্বল হয়েছে। এর জের ধরে স্বর্ণের বাজারে তেজিভাব দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে স্থানীয় সময় শুক্রবার দিন শেষে ভবিষ্যতে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণ বিক্রি হয় ১ হাজার ২ ৬৭ ডলার ৮ সেন্টে।
এর আগে ১২ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম চলতি মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে যায়। ওইদিন পণ্যটি আউন্সপ্রতি ১ হাজার ২৪১ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়েছিল। তবে চলতি বছরে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
গত সেপ্টেম্বর পণ্যটির দাম ১ হাজার ৩০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ওই সময়ে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৪০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দাম বৃদ্ধির বদলে উল্টো স্বর্ণের বাজারে দরপতন ঘটে।
এদিকে গত শুক্রবার ভবিষ্যতে সরবরাহ চুক্তিতে রুপার দাম দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১৬ ডলার ১৭ সেন্টে বেচাকেনা হয়। এ ছাড়া প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৯ ডলার ৫০ সেন্টে বেচাকেনা হয়।
এদিকে গত ১২ ডিসেম্বর বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশের বাজারে সোনার দর ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৮৩ টাকা পর্যন্ত কমায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি।
সে সময় দাম কমে ভরি প্রতি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা ৪৭ হাজার ৯৩৯ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৫ হাজার ৭২৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনা বিক্রি হয়েছে ৪০ হাজার ৪৭৪ টাকায়।
আর সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি দাঁড়ায় ২৪ হাজার ৭৮৬ টাকা। আজ পর্যন্ত প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনা ৪৯ হাজার ২২২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪১ হাজার ৪০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ২৫ হাজার ৯৫২ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
তার আগে পর্যন্ত প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ৪৯ হাজার ২২২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৭ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪১ হাজার ৪০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ২৫ হাজার ৯৫২ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
x

Check Also

এক বছরে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ৩ বিলিয়ন ডলার, রফতানি হ্রাস ৭ বিলিয়ন; বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহে ঘাটতি ৫ বিলিয়ন

বিশেষ প্রতিনিধি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই উৎস—পণ্য রফতানি ও প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স)—গত এক ...