এমএনএ রিপোর্ট : সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে আবারও মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।
তাঁর বিশ্বাস, মিথ্যা অভিযোগে আবুল হোসেনকে মন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে বিধায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর মন্ত্রিত্ব পুনর্বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করবেন। আজ বুধবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের ওই অভিযোগে সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে। তাকে রাজনীতি ও মন্ত্রিত্ব থেকে সরে যেতে হয়েছে।
একজন দক্ষ মন্ত্রীর ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে গেছে। সচিবসহ অনেক কর্মকর্তাকে জেলে যেতে হয়েছে। বিশ্বব্যাংক এবং
দেশীয় স্বার্থাণ্বেষী মহলের উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিত ভূমিকা পদ্মা সেতুর মতো একটি মেগা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
এইচ এম এরশাদ আরো বলেন, যেহেতু ভুল তথ্য ও মিথ্যা অপরাধে সৈয়দ আবুল হোসেনকে মন্ত্রিত্ব হারাতে হয়েছে, তাঁকে বিনা দোষে দুর্নীতির অভিযোগ বইতে হয়েছে, তাঁর ব্যক্তিগত ইমেজ ক্ষুণ্ন হয়েছে, সেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবুল হোসেনের মন্ত্রিত্ব পুনর্বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করবেন বলে আমার বিশ্বাস।
এরশাদ বলেন, পদ্মা সেতু আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিল, এটা প্রমাণিত। যাদের মিথ্যাচারে ও ষড়যন্ত্রে পদ্মা সেতু বিতর্কিত হয়েছে, যেসব পত্রিকা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৎকালীন মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা ও সরকারকে অহেতুক হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে, যাদের কারণে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের মাফ চাওয়া উচিত।
সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে ‘দূর্নীতির ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ কানাডার আদালতে খারিজ হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের একটি দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটলো। কিন্তু দীর্ঘসূত্রিতা, প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি, দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার দায় কে নেবে?
মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী নিউজ – ফিচার – ফটো নেটওয়ার্ক

