Don't Miss
Home / আন্তর্জাতিক / ইরান যুদ্ধে জড়ালো হুথি, ইয়েমেন থেকে সরাসরি ইসরায়েলে ছোড়া হয়েছে মিসাইল

ইরান যুদ্ধে জড়ালো হুথি, ইয়েমেন থেকে সরাসরি ইসরায়েলে ছোড়া হয়েছে মিসাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সমাজমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে দুটি পৃথক হামলায় তাদের নয়জন সেনা আহত হয়েছেন।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসনের মাঝে শুক্রবার অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল ছোড়া হয়। ওই হামলায় এক ইসরায়েলি সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। মাঝারি আঘাত লেগেছে আরও একজনের। অন্য দিকে শনিবার রাতের আর একটি ঘটনায় দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়। এতে এক সেনাকর্মী গুরুতর আহত ও ছয়জন মাঝারি আহত হন।

ক্রমেই লেবাননের আরও গভীরে প্রবেশ করছে ইসরায়েলি সেনা। বেশ কিছু এলাকায় তারা সীমান্ত থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পর্যন্ত ভেতরে ঢুকে পড়েছে।

তবে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ছে হিজবুল্লাহও। ইসরায়েলি সেনার বিবৃতিতে এই জোড়া হামলার নির্দিষ্ট কোনো স্থান উল্লেখ করা হয়নি। তবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, হিজবুল্লার একটি দাবির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলি সেনার ওই বিবৃতিটি সামনে আসে। হিজবুল্লাহর দাবি ছিল, সীমান্ত থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণের তায়েবেহ্ শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে তারা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবিতে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করার সময় ধ্বংসাবশেষ পড়ে ৫ জন আহত হয়েছেন।

আবু ধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, খলিফা ইকোনমিক জোন আবু ধাবি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে এই আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আহতরা সবাই ভারতীয় নাগরিক।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মিডিয়া অফিস জানিয়েছিল যে, তারা ওই এলাকায় দুটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে।

ইয়েমেন থেকে একটি মিসাইল সরাসরি ইসরায়েলের দিকে ছোড়া হয়েছে। শনিবার ভোরে এ তথ্য জানায় ইসরায়েলি সেনা। মাঝপথেই সেটিকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে।

প্রায় চার সপ্তাহ আগে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর এই প্রথম ইয়েমেন থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে কোনো মিসাইল ছোড়ার হলো।

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর একজন শীর্ষ নেতা আগেই সিএনএনকে বলেছিলেন, পরিস্থিতি বুঝলে তারাও এই যুদ্ধে জড়াতে পারেন। আমেরিকা ও ইসরায়েল যদি আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায়, তবে ইরানের সমর্থনে লড়াইয়ে নামতে প্রস্তুত তারা।

লোহিত সাগরের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জাহাজ-পথের অন্যতম সংযোগকারী মাধ্যম হলো ইয়েমেন উপকূলের বাব এল-মান্দেব প্রণালি। সিএনএনকে পাঠানো এক বার্তায় হুথিদের তথ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার-সেক্রেটারি মোহাম্মদ মনসুর বলেন, এ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি তাদের কাছে একটি ‘কার্যকর বিকল্প’।

আরব উপদ্বীপের অন্য প্রান্তে ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। এই পথ বন্ধ হওয়ায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে শিয়া ইসলামি গোষ্ঠী হুথিরা। এর পর টানা ইরানের থেকে অস্ত্র ও সামরিক সাহায্য পেয়ে এসেছে তারা। এর জেরে বর্তমানে ইয়েমেনের সবচেয়ে সুসংগঠিত সামরিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে হুথিরা। সৌদি আরবসংলগ্ন ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের বিস্তীর্ণ অংশ এবং লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ উপকূলবর্তী এলাকা এখন হুথিদেরই দখলে।

গাজ়ায় ইসরায়েলি হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে গত বছরের অক্টোবর থেকেই লোহিত সাগরে আক্রমণ করে যাচ্ছে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠী। ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইতিমধ্যে কয়েকশোবার হামলা চালিয়েছে তারা। বাদ যায়নি আমেরিকা ও ব্রিটেন-সংশ্লিষ্ট জাহাজও। এর জেরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কার্যত ব্যাহত হয়েছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর এই সামরিক ক্ষমতা খর্ব করার একাধিক চেষ্টা হলেও তা এই ধারাবাহিক হামলা রুখতে ব্যর্থ হয়েছে।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল জানিয়েছেন, তার দেশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে থাইল্যান্ডের তেলবাহী জাহাজগুলো নিরাপদে চলাচলের জন্য ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।

অনুতিন সাংবাদিকদের বলেছেন, এই সমঝোতার ফলে থাইল্যান্ডের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দূর হবে। উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড তাদের প্রয়োজনীয় তেলের জন্য ব্যাপকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি প্রকাশ করেছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে হরমুজ প্রণালীতে থাই পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ অজ্ঞাত উৎস থেকে আসা গোলার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সে সময় ওমানের নৌবাহিনী জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করলেও তিন সদস্য এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ইউরোপীয় মিত্ররা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তা করতে অস্বীকার করায় ন্যাটোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তিনি বলেন, ন্যাটো দেশগুলোকে রক্ষা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বছরে কয়েকশ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে।

ট্রাম্প ন্যাটোর অনুপস্থিতিকে একটি “বিরাট ভুল” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটা অনেক অর্থ সাশ্রয় করবে কারণ আমরা ন্যাটোকে রক্ষা করতে প্রতি বছর কয়েকশ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করি। আমরা সবসময়ই তাদের পাশে থাকতাম, কিন্তু এখন তাদের আচরণের ওপর ভিত্তি করে আমি মনে করি আমাদের আর থাকার প্রয়োজন নেই, তাই না?’

ট্রাম্প এর আগে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে অন্য দেশগুলোকে তাদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তিনি এই অনুরোধকে ‘আনুগত্যের পরীক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেন যে দেশগুলো তাদের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য নৌযান পাঠানো একটি ‘খুবই ছোট প্রচেষ্টা’।

ট্রাম্প শুক্রবার সাফ জানিয়ে দেন, ‘তারা যদি আমাদের পাশে না থাকে, তবে আমরা কেন তাদের পাশে থাকব?’

ইরানের রাজধানী তেহরানের ‘ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে। শনিবার ইরানি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ভয়াবহ আঘাত হানা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান জানানো হয়নি।

গত ২৩ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক সাঈদ শেমকাদরি নিহত হন। সে সময় তার বাসভবন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল।

ইরান জানিয়েছে, গত ১০ দিনের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় নতুন একটি হামলা চালানো হয়েছে। জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আইএইএ’ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) শুক্রবার জানিয়েছে, তেহরানের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়েছে যে সচল রিঅ্যাক্টরের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং কোনো তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েনি। কেন্দ্রটি বর্তমানে স্বাভাবিকভাবেই কাজ করছে।

আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রসি সতর্ক করে বলেছেন, রিঅ্যাক্টরের ক্ষতি হতে পারে এমন যেকোনো হামলা বড় ধরনের তেজস্ক্রিয় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তিনি এই পরিস্থিতিতে ‘সর্বোচ্চ সামরিক সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।

কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে ইরান যুদ্ধ, স্থলবাহিনীর প্রয়োজন নেই: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন সামরিক অভিযান কয়েক মাসের পরিবর্তে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। শুক্রবার তিনি জানান, কোনো প্রকার স্থলবাহিনীর ব্যবহার ছাড়াই ওয়াশিংটন তাদের সমস্ত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে।

ফ্রান্সে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এই অভিযানে আমাদের নির্ধারিত সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছি বা তার চেয়েও এগিয়ে আছি। আমরা আশা করছি একটি নির্দিষ্ট সময়েই এর সমাপ্তি ঘটবে—এটি কয়েক মাসের ব্যাপার নয়, বরং কয়েক সপ্তাহের ব্যাপার।’

রুবিও যদিও বলেছেন যে পদাতিক বাহিনী ছাড়াই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব, তবুও তিনি স্বীকার করেছেন যে ওই অঞ্চলে কিছু সৈন্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টকে সর্বোচ্চ বিকল্প এবং যেকোনো সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলা করার সুযোগ দেওয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

জি-৭ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে রুবিও এই সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেছেন যে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরেও ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের ওপর ‘শিপিং টোল’ বা মাশুল আরোপের চেষ্টা করতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই জলপথ দিয়ে বাণিজ্যে সুবিধা পাওয়া ইউরোপীয় এবং এশীয় দেশগুলোর উচিত এটি নিরাপদ রাখতে অবদান রাখা। এক্ষেত্রে এই রুটে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কম বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল হামলা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে চুক্তিতে আসার সম্ভাবনা দ্রুত কমছে বলে সতর্ক করছেন বিশ্লেষকেরা। দু-পক্ষই এখন উত্তেজনা বাড়ানোর দিকে বেশি ঝুঁকছে।

আল জাজিরা-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ-এর বিশ্লেষক মোহাম্মদ এলমাসরি বলেন, এই সংঘাতের গতিপ্রকৃতি থেকে স্পষ্ট যে, কূটনৈতিক সমাধানের পথ থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে যুদ্ধরত দুই শিবির। তার কথায়, ‘উত্তেজনার পারদ যত চড়বে, যেকোনো ধরনের আলোচনা বা সমঝোতায় পৌঁছনো ততই কঠিন হয়ে পড়বে।’

এলমাসরি মন্তব্য করেন, ইসরায়েলই এই উত্তেজনা সচেতনভাবে বাড়িয়ে চলেছে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, ইসরায়েল আদতে কোনো আপস চাইছেই না। তারা যুদ্ধও থামাতে চায় না।’

প্রমাণ হিসেবে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোগুলোর উপরে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার দিকে আঙুল তোলেন এই বিশ্লেষক। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া (হামলা স্থগিতের) প্রতিশ্রুতি ভেঙে ইরানের ইস্পাত কারখানা ও জ্বালানি কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক জায়গায় হামলার মাত্রা ক্রমশ বাড়ানো হচ্ছে।

অন্যদিকে ইরানও পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে। ফলে সংঘাত আগামী দিনে আরও ভয়াবহ চেহারা নিতে পারে বলে সতর্ক করেন এলমাসরি। তার আশঙ্কা, ‘চুক্তির দিকে এগোনোর বদলে আমরা সম্ভবত আরও বড় কোনো সংঘাতের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছি।’

এই বিশ্লেষণ আরও বলেন, ‘আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাবটি যদি দেখেন, সেটি আদতে একটি আত্মসমর্পণের দলিলের মতো। অন্যদিকে রয়েছে ইরানের ৫ দফার প্রস্তাব। এই দুটি প্রস্তাব দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায়, দুই শিবিরের অবস্থান পরস্পর থেকে ঠিক কতটা দূরে।’

x

Check Also

ঢাকার চাপ কমাতে সারাদেশে গড়ে তোলা হবে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা: প্রধানমন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক রাজধানী ঢাকার ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে দেশের সব অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ...