Don't Miss
Home / আজকের সংবাদ / এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান-এমডিকে জিজ্ঞাসাবাদ

এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান-এমডিকে জিজ্ঞাসাবাদ

এমএনএ অর্থনীতি রিপোর্ট : সিঙ্গাপুরে অফশোর প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অর্থ পাচারের অভিযোগে এবি ব্যাংকের (আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক) সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তাঁদের দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুদক সূত্রে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার আগেই রাজধানীর সেগুনবাগিচার দুদক কার্যালয়ে হাজির হন এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি বেরিয়ে আসেন। এ সময় তিনি জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে সাংবাদিকদের কিছু বলেননি। তিনি বলেন, ‘যা বলার ওপরে জিজ্ঞাসাবাদে বলেছি।’
ব্যাংকটির সাবেক এমডি ফজলার রহমানের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয় সকাল ১০টার দিকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেল পাঁচটার দিকে বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ব্যাখ্যা দিয়েছি। বাকিটা তারা (দুদক) ভালো বলতে পারবে।’ মুদ্রা পাচারে জড়িত কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।’
বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগে গতকাল বুধবার এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে নোটিশ পাঠানো হয়।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, এর আগে ৯ ডিসেম্বর এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুল হক, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমান, শামীম আহমেদ চৌধুরী এবং হেড অব ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি আবু হেনা মোস্তফা কামালকে নোটিশ পাঠানো হয়। ওই নোটিশে তাঁদের ১৩ ডিসেম্বর ও ১৪ ডিসেম্বর দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য উপস্থিত হতে বলা হয়। কিন্তু ওই সময় তাঁরা আসেননি।
এদিকে ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ চৌধুরী ও হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউট অ্যান্ড ট্রেজারি আবু হেনা মোস্তফা কামালকে ৩১ ডিসেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক। একই ঘটনায় ২ জানুয়ারি ব্যাংকটির যে পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তারা হলেন- হেড অব কর্পোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউর কর্মকর্তা মো আরিফ নেয়াজ, ব্যাংক কোম্পানি সেক্রেটারি মাহদেব সরকার সুমন এবং প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমএন আজিম।
দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন এবি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন। অনুসন্ধানে তাকে সহায়তা করছেন দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। আর্থিক বিষয়ে তথ্য চেয়ে সম্প্রতি ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি দেয় দুদক।
বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডিসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা সিঙ্গাপুরে একটি অফশোর অফশোর ইউনিটের মাধ্যমে চার বিদেশি কোম্পানির নামে দেশ থেকে ৪ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ৩৪০ কোটি) বের করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
x

Check Also

ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬ দুর্নীতি সহায়ক, লুটেরাদের পুনর্বাসন আত্মঘাতী: টিআইবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক সদ্য পাস হওয়া ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৬ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনার ...